Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (33 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৪-০৬-২০১৬

৪০ স্থানে ভাঙন, বৃষ্টিতে বাড়ে শঙ্কা

কামরান পারভেজ


৪০ স্থানে ভাঙন, বৃষ্টিতে বাড়ে শঙ্কা

ময়মনসিংহ, ০৬ এপ্রিল- ময়মনসিংহ শহরের ব্রহ্মপুত্র নদের পাড় ঘেঁষে নির্মিত বাঁধের ৪০টি স্থানে ছোট-বড় ভাঙন ও ধস দেখা দিয়েছে। গত বছরের জুনে ভাঙন দেখা দিলেও এখনো তা সংস্কার করা হয়নি।

বর্ষা মৌসুম চলে আসায় বাঁধের পাড় ঘেঁষে থাকা বসতবাড়ির মানুষেরা উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। তাঁদের শঙ্কা, ভারী বর্ষা হলে বাঁধ ধসে তাঁদের বসতভিটা নদীগর্ভে চলে যাবে। যদিও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে, বর্ষাকাল শুরু হওয়ার আগেই এসব ভাঙন ও ফাটল সংস্কার করা হবে।

পাউবো ময়মনসিংহ কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের জুনে টানা বৃষ্টিতে ময়মনসিংহ শহর রক্ষা বাঁধের কাচারি ঘাট এলাকা থেকে ঘুনটি বাজার পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার এলাকায় মোট ৪০টি স্থানে ভাঙন দেখা দেয়। এর মধ্যে কাচারি ঘাট এলাকায় জয়নুল আবেদিন উদ্যানের ভেতর, বালুর ঘাট, তালতলা, বিজিবি ক্যাম্প, কাঠগোলা ও ঘুনটি এলাকায় রয়েছে প্রায় ২৬টি বড় ভাঙন। এসব ভাঙনের দৈর্ঘ্য ১৫ থেকে ৩০ মিটার পর্যন্ত। এ ছাড়া এই ছয় কিলোমিটার এলাকায় কয়েকটি স্থানে ৪ থেকে ৫ মিটার দৈর্ঘ্যের ভাঙন ও ছোট ছোট ফাটল রয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, বালুর ঘাট মসজিদ, বালুর ঘাট কবরস্থান ও কাঠগোলা এলাকায় প্রায় ২৫ মিটার দৈর্ঘ্যের তিনটি বড় বড় ভাঙন। এ ছাড়া কাঠগোলা বাজার থেকে তালতলা পর্যন্ত রয়েছে ছোট-বড় আরও ১৫টি ভাঙন ও ফাটল। বড় ভাঙনগুলোতে বালুর বস্তা ফেলে সাময়িক সংস্কার করা হয়েছে।

কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে তাঁরা আশঙ্কা করছেন, ভারী বৃষ্টিপাত হলে এসব বালুর বস্তা গলে গিয়ে ভাঙন আরও বড় আকার ধারণ করবে। এতে কিছু বসতবাড়ি নদীগর্ভে চলে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। বালুর ঘাট এলাকার নাসিমা আক্তার বলেন, মাত্র দুই শতক জমির ওপর তাঁদের ছোট বাড়ি। এই বাড়ি বরাবর ভাঙন দেখা দেওয়ায় তাঁরা খুব ভয়ে আছেন। ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে গেলে বাড়িটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

বাঁধ-তীরবর্তী মানুষের অভিযোগ, পাউবোর পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে বালুর বস্তা ও ব্লক দিয়ে বাঁধের সাময়িক সংস্কার করা হয়। কিন্তু তা কয়েক দিনের মধ্যেই আবার নষ্ট হয়ে যায়। পাউবো সংস্কারকাজের সময় স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সমন্বয় করে না। কাঠগোলা বাজারের মো. ওসমান আলী বলেন, তাঁদের দাবি, বর্ষার আগে বাঁধের ভাঙনগুলো সংস্কার করা হোক।

জানতে চাইলে পাউবোর ময়মনসিংহ কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম বলেন, ভাঙন ও ফাটল দেখা দেওয়া ৪০ স্থান শনাক্তের পর তা সাময়িকভাবে বালুর বস্তা দিয়ে সংস্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থায়ীভাবে সংস্কারের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘দরপত্র চূড়ান্ত হওয়ার পথে। আশা করি দুই মাসের মধ্যে টাকা বরাদ্দ পাওয়া যাবে।’

এস/১৮:৫৫/০৬ এপ্রিল

ময়মনসিংহ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে