Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৪-০৫-২০১৬

ইব্রাহীমের খুনের কারণ দাদির বেশি আদর!

ইব্রাহীমের খুনের কারণ দাদির বেশি আদর!

কুমিল্লা, ০৫ এপ্রিল- পারিবারিক কলহের পাশাপাশি শাশুড়ি তাঁর বড় ছেলের সন্তানদের চেয়ে ছোট ছেলের ঘরের নাতি ইব্রাহীমকে বেশি আদর করতেন, তাই তাকে হত্যা করেন তার বড় চাচি। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ এমনটাই দাবি করে।

কুমিল্লায় নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর গত শনিবার কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার সেপটিক ট্যাংক থেকে সাত বছরের শিশু ইব্রাহীম হোসেনের লাশ উদ্ধার হয়। সে বরুড়া উপজেলার শাকপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

এ হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে শিশুটির বড় চাচি হোসনে আরাকে আজ সকালে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ বেলা সাড়ে তিনটায় কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন। তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে হোসনে আরা হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মো. আলী আশরাফ ভূঞা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) আবদুল্লাহ আল মামুন, শিশু ইব্রাহীমের বাবা আবুল কাশেম ও শাকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মমতাজ উদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে শিশু ইব্রাহীমের বাবা আবুল কাশেম বলেন, ‘আমি হত্যাকারীর ফাঁসি চাই। আমার বড় ভাই আবুল বাশারের স্ত্রী হোসনে আরা বেগম আমার ছেলেকে গলা টিপে হত্যা করে লাশ গুম করে। পরে সে-ই আবার লাশ শনাক্ত করে।’

এদিকে আজ বিকেলে হোসনে আরাকে কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. সাইফুল ইসলামের আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে ১৬৪ ধারায় তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে শাকপুর গ্রামের কুরগাইর বাড়ির বাসিন্দা আবুল কাশেম ও শিরিন আক্তারের ছেলে ইব্রাহীম বাড়ির সামনে খেলা করছিল। এরপর সে নিখোঁজ হয়। পরে এলাকায় মাইকিং করা হয়। না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে গত শুক্রবার বরুড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। রোববার বেলা দুইটায় শিশুটির চাচা প্রবাসী আবুল বাশারের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলছিলেন তাঁর স্ত্রী হোসনে আরা। এ সময় হোসনে আরা দেখেন, বাড়ির পাশে একটি সেপটিক ট্যাংকে শিশুটির লাশ পড়ে আছে। তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। বরুড়া থানার পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। শিশুটির গলায় বৈদ্যুতিক তার দিয়ে প্যাঁচানোর দাগ রয়েছে। সেদিনই এ ঘটনায় শিশু ইব্রাহীমের বাবা আবুল কাশেম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন।

ছেলে নিখোঁজ হওয়ার খবরে সৌদি আরব থেকে গত শুক্রবার রাতেই বাড়িতে আসেন আবুল কাশেম।

এস/১৭:৪০/০৫ এপ্রিল

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে