Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৪-০৪-২০১৬

রাষ্ট্রপতির ক্ষমার অপেক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের অসংখ্য কয়েদি

রাষ্ট্রপতির ক্ষমার অপেক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের অসংখ্য কয়েদি

ওয়াশিংটন, ০৪ এপ্রিল- মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে সময় শেষের পথে বারাক ওবামার। সব কাজ তিনি সময়মত করে যেতে পারবেন না, তবে একটা কাজ আর কিছুতেই অপেক্ষা মানছে না। যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারগুলোতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত অহিংস অপরাধীরা আর কিছুতেই ধৈর্য ধরতে পারছে না বাইরে বেরনোর জন্য। আর একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যনির্বাহী ক্ষমতার বলে প্রদত্ত ক্ষমাই পারে তাদের মুক্তি দিতে। 

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এমন একজন অহিংস অপরাধীর সন্তান হচ্ছেন মিকেল ওয়েস্ট। তাকে হোয়াইট হাউজ থেকে দাওয়াত দেয়া হয়েছে। তবে এটা মোটেও তার জন্য আনন্দের কোন দাওয়াত না। যেভাবেই হোক খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ সমাধা করতে হবে তাকে সেখানে।

দাওয়াতের ফাঁকে সুযোগ বুঝে তিনি সাজা ভোগকারী মায়ের জন্য প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। তার উপর নির্দেশ রয়েছে কোনভাবেই ব্যাক্তিগত সুপারিশ করা চলবে না কিন্তু মিকেলের সামনে কোন পথ খোলা নেই। তাকেই বলতেই হবে।


মিকেল ওয়েস্ট

১৯৯০ সালে মাদক চক্রের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে তার মায়ের যাবজ্জীবন সাজা হয়। এদিকে প্রেসিডেন্ট ওবামা ২০১৪ সালে কারাবন্দীদের জন্য একটি ক্ষমা প্রকল্প চালু করেছেন। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কারাগারগুলোতে বন্দী সংখ্যা এতো বেশি যে তাদেরকে চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হয়।

অপরাধীদের মধ্যে যারা জীবনে প্রথমবার সাজা পেয়েছেন, কোন সহিংস ঘটনার সাথে যুক্ত নন, পূর্বের কোন অপরাধের রেকর্ড নেই, ইতিমধ্যে ১০ বছর সাজা খেটেছেন এবং কারাগারে যারা ভালো ব্যবহার দেখিয়েছেন তাদের জন্যই মূলত ওবামার এই প্রকল্প। তারা এই শর্তগুলো মেনে নিয়ে প্রেসিডেন্টের বিশেষ ক্ষমার জন্য আবেদন করতে পারবেন।   

মিকেল ওয়েস্ট তার মায়ের জন্য এই ক্ষমার আবেদনই করেছেন। শুধু মিকেল নয় যুক্তরাষ্ট্রের বহু পরিবার আশায় বুক বেঁধেছেন ওবামার এই ক্ষমা প্রকল্পে। ২০১৪ সালে প্রকল্পটি চালু হওয়ার পর ৩৬ হাজার আবেদন জমা পড়েছে।


কারাগার পরিদর্শনকালে ওবামা

কিন্তু তারা এখন উদ্বেগের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছেন। কারণ ওবামার সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে দ্রুত। এদিকে আবেদন যাচাই বাছাই করে অপরাধীদের মুক্তি দেয়ার বিষয়টি জটিল ও সময় সাপেক্ষ।

প্রশ্ন হচ্ছে, সময়ের আগেই কি আবেদনকারীদের প্রার্থনা মঞ্জুর হবে? কারণ ওবামা চলে গেলে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট যদি এই প্রকল্প বাদ করে দেন? বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট পদ প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ক্ষমতায় আসেন তাহলে অহিংস অপরাধীদের সর্বনাশ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। যে কারণে এই মুহূর্তে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে অনেকের। অহিংস অপরাধীরা তীর্থের কাকের মত বসে আছেন প্রেসিডেন্টের ক্ষমার জন্য। ক্ষমা কি পাবেন? 

এফ/২৩:২৫/০৪ এপ্রিল

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে