Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 2.9/5 (37 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৪-০৪-২০১৬

প্রথমবারেই বাম্পার ফলন!

প্রথমবারেই বাম্পার ফলন!

খুলনা, ০৪ এপ্রিল- খুলনায় চলতি বোরো মৌসুমে মাঠপর্যায়ে উচ্চফলনশীল (উফশী) আধুনিক দুটি জাতের ধানের চাষ করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো চাষ করা ধান ইতিমধ্যে পাকা শুরু করেছে। চৈত্র মাসের তৃতীয় সপ্তাহে এ ধান কাটা যাবে বলে আশা করছেন চাষিরা।

নতুন এ জাত দুটি হচ্ছে ব্রি ধান-৬৩, যার বাংলা নাম দেওয়া হয়েছে সরু বালাম ও অপর জাতটি হচ্ছে ব্রি ধান-৫৮। এখনো এটির বাংলা নাম দেওয়া হয়নি। মাঠে ধানের সোনার মতো রং ধারণ করায় স্থানীয়ভাবে বলা হচ্ছে ‘সোনারঙা’ বা ‘সোনাদানা’।
খুলনায় এ দুটি জাতের ধানের প্রথম চাষ হয়েছে ডুমুরিয়া উপজেলার মেছাঘোনা গ্রামের পাশে কার্তিকডাঙ্গা বিলে। এ নতুন ধানের জাত দুটি চাষের উদ্যোক্তা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক এস এম আতিয়ার রহমান। তিনি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) থেকে নতুন ধানের এ জাত দুটির প্রতিটির পাঁচ কেজি করে বীজ সংগ্রহ করে নিজেদের ৬০ শতাংশ জমিতে লাগানোর ব্যবস্থা করেন।

আতিয়ার রহমান দাবি করেন, তিনিই প্রথম খুলনা অঞ্চলে ধানের এ নতুন জাত দুটির চাষাবাদ করেছেন। নতুন নতুন ধানের আবাদের নেশা থেকেই তিনি ব্রি থেকে ধান দুটি সংগ্রহ করেন। এর আগেও তিনি ব্রি থেকে বীজ সংগ্রহ করে নতুন নতুন অনেক ধানের চাষ করেছেন। আতিয়ার রহমান আশা করছেন, এ জাত দুটি থেকে ওই একই জমি থেকে আগের চেয়ে ১০ মণ বেশি ধান পাবেন।

আতিয়ার রহমান উদ্যোক্তা হলেও মাঠে এ ধানের চাষাবাদ ও পরিচর্যা করেন কৃষক আকতার হোসেন। তিনি বলেন, গাছ দেখেই বুঝতে পারি এই ধানের ফলন ভালো হবে। কলার থোড় থেকে যেভাবে মোচা বের হয়, সরু বালাম ধানের শীষ তেমনিভাবে বের হয়ে আসতে দেখে গেছে।

উচ্চফলনশীল আধুনিক জাতের এ ধান উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ২০১২ সালে ব্রি-৫৮ ও ২০১৪ সালে ব্রি-৬৩ জাত দুটি মাঠপর্যায়ে চাষের অনুমোদন পায়।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের প্রধান তমাল লতা আদিত্যের কাছে জাত দুটির ব্যাপারে জানতে চাইলে বলেন, ব্রি-৬৩ ধানটি নিয়ে গবেষণা শুরু হয় ১৯৯৬ সালে। প্রতি বিঘায় এ ধানের উৎপাদন হবে ২৪ থেকে ২৬ মণ। এটা অনেকটা ভারত ও পাকিস্তানের বাসমতী চালের মতো। চালটি ব্রি-২৮-এর চেয়ে চিকন ও বিদেশে রপ্তানিযোগ্য।

ব্রি-৫৮ সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি ব্রি-২৯-এর একটি নতুন জাত। ঝড়-বৃষ্টিতে গাছ হেলে পড়ে না ও কাণ্ড শক্ত থাকায় হালকা শিলাবৃষ্টিতে ধান ঝরে পড়ে না। প্রতি বিঘা জমিতে এর ফলন ২৫ থেকে ৩০ মণ। কৃষক পরপর তিন বছর এ ধানের বীজ সংরক্ষণ করতে পারবেন।

এস/২০:৩৮/০৪ এপ্রিল

খুলনা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে