Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৪-০৩-২০১৬

ঢাকায় চার সাবওয়ের পরিকল্পনা

ঢাকায় চার সাবওয়ের পরিকল্পনা

ঢাকা, ০৩ এপ্রিল- যানজট নিরসন ও গণপরিবহন ব্যবস্থায় পাতাল রেলের মতো (সাবওয়ে) নির্মাণের পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে। চারটি সাবওয়ে লাইনের প্রাথমিক পরিকল্পনাও প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যয় নির্ধারণসহ দুটি পরিকল্পনার খসড়া প্রণয়ন এবং বাকি দুটির প্রাথমিক প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

আজ রবিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর সেতু ভবনে সাবওয়ের পরিকল্পনা উপস্থাপন করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগ। চারটি সাবওয়ে রুটের পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রকৌশলী ড. হোসাইন মো. শাহীন।

পরিকল্পনামতে, প্রথমটি সাবওয়েটি হবে টঙ্গী থেকে বিমানবন্দর-বনানী কাকলী-মহাখালী-মগবাজার-পল্টন-শাপলা চত্বর হয়ে সায়েদাবাদ পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় লাইনটি আমিনবাজার থেকে গাবতলী-শ্যমলী-আসাদগেট-নিউমার্কেট-টিএসসি-ইত্তেফাক হয়ে সায়েদাবাদ পর্যন্ত হবে। ২০২১ সালের মধ্যে এ দুটি সাবওয়ে নির্মাণ করা যাবে।

অন্য দুটি সাবওয়ের মধ্যে তৃতীয় রুটটি হবে গাবতলী থেকে সদরঘাট এবং চতুর্থটি রামপুরা থেকে সদরঘাট পর্যন্ত। এ সময় সাবওয়ে পরিকল্পনা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন শীর্ষস্থানীয় নগর পরিকল্পনাবিদ, প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী, উন্নয়ন বিশেষজ্ঞরা।

শুরুতে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা খ্যাতিমান অধ্যাপক প্রকৌশলী ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী তার মত তুলে ধরে বলেন, “ট্রাফিক চাহিদা বুঝে সাবওয়ের রুট চিন্তা করতে হবে। সবচেয়ে বেশি ট্রাফিক জেনারেট করবে এমন পথে সাবওয়ের লাইন নিয়ে যাওয়া উচিত। মেট্রোরেলের ক্ষেত্রে উত্তরা থেকে-শাপলা চত্বর যেমনটি চিন্তা করা হয়েছে।” সাবওয়ের রুট আপাতত চূড়ান্ত না করে আরও গভীর পর্যালোচনা ও সমীক্ষার ওপর জোর দেন তিনি।

জামিলুর রেজা বলেন, “এলিভেটেড আকারের পথ রাজধানীর যানজট নিরসনের উপযুক্ত সমাধান নয়। এটা এক সময় ধ্বংস হবে, আর দেখতেও সুন্দর লাগবে না।” তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে রাজধানীতে মেট্রোরেলের কাজ চলছে, যা হচ্ছে এলিভেটেড। আর সাবওয়ে হবে মাটির নিচ দিয়ে। এটা আরএসটিপিতে আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু এর ফ্যাক্টর ছিল বিপুল ব্যয় নিয়ে। আন্ডারগ্রাউন্ড দিয়ে গেলে এলিভেটেডের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি অর্থ লাগে।”

উপস্থাপিত সাবওয়ের পরিকল্পনা অনুসারে দেখা গেছে, টঙ্গী থেকে বিমানবন্দর-কাকলী-মহাখালী-মগবাজার-পল্টন-শাপলা চত্বর হয়ে সায়েদাবাদ পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার সাবওয়ে নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৫.২৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আমিনবাজার থেকে শুরু করে গাবতলী-শ্যমলী-আসাদগেট-নিউমার্কেট-টিএসসি-ইত্তেফাক হয়ে সায়েদাবাদ পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২.৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সাবওয়ে পরিকল্পনা প্রস্তুত উপলক্ষে আয়োজিত মতামত গ্রহণ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ, পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম, সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের প্রধান মেজর জেনারেল মো. ছিদ্দিকুর রহমান সরকার, মেজর জেনারেল আবু সাঈদ মো. মাসুদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. সাঈদ আনোয়ারুল ইসলাম, সেতু বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মুজিবুর রহমান, বিআরটিএর চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, বুয়েটের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল হক, সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান, স্থানীয় সরকার বিভাগের যগ্ম সচিব রওশন আরা বেগম, সেতু বিভাগের উপ-সচিব হাবিবুর রহমান, রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম, মেট্রোরেলের প্রকল্প পরিচালক মোফাজ্জল হোসেন, নির্বাহী পরিচালক কায়কোবাদ হোসেন, মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) মোসহেল উদ্দিন আহমদ প্রমুখ।

এফ/২২:৫২/০৩ এপ্রিল

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে