Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৪-০৩-২০১৬

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় চলচ্চিত্র নির্মাণের আহবান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় চলচ্চিত্র নির্মাণের আহবান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা, ৩ এপ্রিল- মহান মু্ক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে নান্দনিক, জীবন ঘনিষ্ঠ ও সমাজ সচেতন চলচ্চিত্র নির্মাণ করে মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য চলচ্চিত্র নির্মাতাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ ‘জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস-২০১৬’। এ উপলক্ষে শনিবার রাতে দেওয়া এক বাণীতে চলচ্চিত্র শিল্পী ও কলাকুশলী, নির্মাতা, প্রযোজক, পরিবেশক, দর্শকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, চলচ্চিত্র অত্যন্ত শক্তিশালী গণমাধ্যম। চলচ্চিত্রের নান্দনিকতা, শিল্পবোধ, জীবন ও সমাজ ঘনিষ্ঠতা দর্শক হৃদয়কে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সচেতনতা সৃষ্টি এবং উন্নত সমাজ গঠনে চলচ্চিত্রের গুরুত্ব অপরিসীম।

আবদুল হামিদ বলেন, চলচ্চিত্রের গুরুত্ব উপলব্ধি করে আমাদের মহান নেতা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী হিসেবে তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদে ‘চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন বিল-১৯৫৭’ উত্থাপন করেন। ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয় ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন বা এফডিসি।

তিনি বলেন, বায়োস্কোপের পথ ধরে উপমহাদেশে চলচ্চিত্রের উন্মেষ ঘটে। নির্মিত হয় জীবনঘনিষ্ঠ নানা ছবি, যা দর্শক হৃদয়ে আজো স্থায়ী হয়ে রয়েছে। বর্তমানে তীব্র প্রতিযোগিতার যুগে চলচ্চিত্র শিল্পকে এগিয়ে নিতে মৌলিকত্বের উপর জোর দেয়া জরুরি।

এদিকে পৃথক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য চলচ্চিত্র নির্মাতাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, চলচ্চিত্র হচ্ছে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী গণমাধ্যম। মানুষের চেতনাকে শাণিত করে সমাজ উন্নয়নে চলচ্চিত্র এক অনন্য মাধ্যম হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়ন ও উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে তার সরকার বহুমাত্রিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। চলচ্চিত্রকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশকগণ কর রেয়াতসহ নানাবিধ সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। সুস্থধারার চলচ্চিত্র নির্মাণ উৎসাহিত করতে অনুদানের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং শিশুতোষ চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান দেয়া সহ জাতীয় চলচ্চিত্র নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা চলচ্চিত্র শিল্পে মেধাবী ও দক্ষ কর্মী তৈরির লক্ষ্যে ফিল্ম ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছি। ডিজিটাল প্রযুক্তির চলচ্চিত্র নির্মাণে বিএফডিসি’র আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় বিশ্বমানের চলচ্চিত্র নির্মাণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করা হয়েছে। চলচ্চিত্র প্রদর্শন ব্যবস্থা ডিজিটালাইজড্ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

বাণীতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং এফডিসির আয়োজনে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস’ ২০১৬ উদযাপনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে