Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 1.0/5 (4 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৪-০৩-২০১৬

যে সাধারণ মিথ্যেগুলো আমরা অহরহই বলি

সাদিয়া ইসলাম বৃষ্টি


যে সাধারণ মিথ্যেগুলো আমরা অহরহই বলি

দিনে কতগুলো মিথ্যে কথা বলেন আপনি? একটু অদ্ভূত প্রশ্ন হলেও সত্যি যে প্রতিটি দিনই কোন না কোন সময়ে, কোন না কোনভাবে মিথ্যে বলতে বাধ্য হই আমরা। সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটসের গবেষনায় পাওয়া তথ্যানুসারে, পৃথিবীর মোট প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ প্রতিদিন প্রতি ১০ মিনিটে একটি এবং গড় হিসেবে দুই থেকে তিনটি মিথ্যে বলে থাকে। আর তাদের এই মিথ্যের ভেতরে নির্দিষ্ট কিছু মিথ্যেকেই এগিয়ে রাখেন গবেষকেরা বেশিবার বলার তালিকায়। নিশ্চয় আপনার এবার জনতে করছে সাধারণত কোন মিথ্যেগুলো বেশি বলে থাকে মানুষ? চলুন জেনে আসি সেগুলোকে।

১. তোমার প্রেমিকা/প্রেমিক অসম্ভব ভালো!
হতেই পারে যে মানুষটি আদতে অতটা ভালো নয় যতটা আপনি আপনার বন্ধুকে বলছেন। কিন্তু সত্যিটা বললে আপনাদের ভেতরে সংঘাতের সম্ভাবনা থেকে যায় শতভাগ। এখন বলুন, একটা মিথ্যে বলবেন, নাকি এতদিনের বন্ধুত্বকে টিকিয়ে রাখবেন? নিশ্চয়ই পরেরটিকেই বেছে নেবেন আপনি। আর বেশিরভাগ মানুষই সেটা করে। বন্ধুর ভালোবাসার মানুষটি যতটাই চারিত্রিক দোষসম্পূর্ণ, অসুন্দর কিংবা নেতিবাচক হোক না কেন, তারা মুখে কেবল তার প্রশংসাই করে।

২. খাবারটা খুব ভালো ছিল!
কেবল রেষ্টুরেন্টের খাবারের বেলাতেই নয়, আরো নানা স্থানে সেবার মান খারাপ হলেও অনেকে বলে থাকেন এই মিথ্যেটি। খামোখাই প্রশংসা করেন। কিন্তু কেন? সাইকোলজি টুডের মতে, এর মাধ্যমে নিজের ভেতরে জমা হওয়া হতাশাকে তাড়িয়ে দিতে চান ক্রেতা। কেবল মিথ্যেই নয়, পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে, যে বা যারা এভাবে ডাহা মিথ্যে কথা বলে তারাই আবার বেশি টিপস দিয়ে থাকে দোকানদারকে। কেবল বাইরেই নয়, ঘরের ভেতরেও এরকম মিথ্যে প্রশংসা করে থাকে মানুষ অহরহই। যদিও এর ফলে ভুগতে হয় তাকে ভবিষ্যতে।

৩. আমার বাচ্চার স্বাস্থ্য ভালো!
ডেইলি মেইলের একটি প্রতিবেদনে বলা হয় যে, অতিরিক্ত ওজনের কারণে সমস্যায় ভোগা শতকরা প্রায় ৮০ জন বাচ্চার বাবা-মা মনে করেন তাদের সন্তানের ওজন খুব বেশি না। তার কেবল স্বাস্থ্যটা একটু ভালো। বেশিরভাগ বাবা-মাই এভাবে বাচ্চার ওজনকে চোখ এড়িয়ে যান আর সন্তানকে ঠেলে দেন ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে।

৪. আমাকে (সংখ্যা) জন প্রপোজ করেছিল!
এই কথাটির বেলায় এসে ছেলে কিংবা মেয়ে সবাইই নিজেকে অন্যের কাছে আরো একটু দামী বোধ করাতে সংখ্যাটিকে যতটা সম্ভব বেশি বাড়িয়ে বলে থাকে। একটু বিস্তারিত গেলেই কিন্তু আপনি ঠিক বুঝতে পারবেন যে, হয়তো যার কথা বলা হচ্ছে সেই ছেলেটি বা মেয়েটির সাথে একদম স্বাভাবিক কিংবা হাই-হ্যালো ধরনের সম্পর্ক ছিল তাদের।

৫. না, আমার কোন প্রশ্ন নেই!
ক্লাসরুম থেকে শুরু করে চাকরির ইন্টারভিউ বোর্ড পর্যন্ত এই মিথ্যেটি বলে যেতে হয় সবাইকে। হয়তো মাথার ভেতরে হাজার হাজার প্রশ্ন উঁকি মারছে কিন্তু যদি প্রশ্ন আসে- আর কি কোন প্রশ্ন আছে? তাহলে এই মুখে লেগে থাকা উত্তরটিই চলে আসে সবার ঠোঁটের ডগায়। পাছে শিক্ষক বিরক্ত হন, সবাই হাসে কিংবা ইন্টারভিউ বোর্ডে নিজের যোগ্যতা নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়, এসব ভেবে প্রশ্নকে নিজের ভেতরেই রেখে দেয় অনেকে।

লিখেছেন- সাদিয়া ইসলাম বৃষ্টি

এফ/০৭:৩২/০৩ এপ্রিল

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে