Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৪-০৩-২০১৬

নাগার্নো-কারাবাখে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান পুতিনের 

নাগার্নো-কারাবাখে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান পুতিনের 

ইয়েরেভান, ০৩ এপ্রিল- দক্ষিণ ককেশাসের বিরোধপূর্ণ নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া সংঘর্ষ বন্ধের  আহ্বান জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। টেলিভিশনের ফুটেজে সেখানে রাতভর গোলাগুলি ও কামান নিক্ষেপ এবং গাড়িতে আগুন দেয়ার দৃশ্য দেখার পরপরই ওই আহ্বান জানান তিনি। 

বিবিসি জানিয়েছে, নাগার্নো-কারাবাখের সংঘর্ষ নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া এখনো একে অপরকে দোষারোপ করছে। আজারবাইজান কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের দেশের সশস্ত্র বাহিনীর ওপর প্রথমে বড় কামান এবং গ্রেনেড লাঞ্চার নিক্ষেপ করেছে আর্মেনিয়া। এদিকে, আর্মেনিয়া এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলছে, আজারবাইজানই প্রথম ট্যাংক, কামান এবং হেলিকপ্টার থেকে যুদ্ধ শুরু করেছে।

নাগার্নো-কারাবাখ সেনাবাহিনী বলছে, আর্মেনিয়ার বিমান থেকে গোলা ছুড়ে আজারবাইজানের একটি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে আজারবাইজান এ তথ্য অস্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

উল্লেখ্য, আজারবাইজানের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠী এবং নাগার্নো-কারাবাখ এলাকার খ্রিস্টান আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। ১৯৯১ সালের ২০ অক্টোবর আজারবাইজান স্বাধীনতা লাভ করলে এই দ্বন্দ্ব সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেয়। নার্গনো কারাবাখ আজারবাইজানের ভূখণ্ডের মধ্যে হলেও সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর নার্গনো কারাবাখের সংসদ আর্মেনিয়ার সঙ্গে থাকার পক্ষে ভোট দেয়। ১৯৯৪ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকে এই এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে আর্মেনীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা।

আশির দশকে আজারবাইজান এবং আর্মেনিয়ার মধ্যে সংঘাত শুরু হলেও সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর বির্তকিত নার্গনো কারাবাখের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুপক্ষ পুরোপুরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে ১৯৯১ সালে। চার বছরের রক্তক্ষয়ী ওই যুদ্ধে প্রাণ হারায় প্রায় ৩০ হাজার মানুষ।

এফ/০৭:০৬/০৩ এপ্রিল

এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে