Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৪-০২-২০১৬

যে লক্ষণে বুঝবেন, এটা ডিপ্রেশন নয় আসলে স্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিয়া

যে লক্ষণে বুঝবেন, এটা ডিপ্রেশন নয় আসলে স্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিয়া

স্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিয়া। এক জটিল মানসিক রোগ। কোনও ব্যক্তি এই অসুখে আক্রান্ত হলে প্রথমে চট করে বোঝা যায় না। যতদিনে স্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিয়ার লক্ষণ স্পষ্ট হয়, চিকিত্‍সা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হাতের বাইরে বেরিয়ে যায়। কিন্তু কেন হয় এই অসুখ? মনোবিদরাও এখনও পর্যন্ত এই রোগের সঠিক কারণ নির্ণয় করতে পারেননি।

স্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিয়ায় কেউ আক্রান্ত হলে চোখের সামনে নানা কাল্পনিক দৃশ্য দেখতে পান। সেগুলিকে সত্যি বলে ভাবতে থাকেন। নিজেদের চিন্তা-ভাবনা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন একজন স্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিক। চিন্তা-ভাবনার ওপর নিয়ন্ত্রণ না থাকায় সহজেই ভয় পেয়ে যান তিনি। তার জেরে স্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিয়ায় আক্রান্তরা চট করে অনেক সময় হিংস্র আচরণ করতে থাকেন। কী কী লক্ষণ থাকে স্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিয়ার?

হ্যালুসিনেশন বা কাল্পনিক দৃশ্য দেখা বা কাল্পনিক কথাবার্তা শুনতে পাওয়া। ডিসইলিউশন বা যে কোনও কিছুর ওপরই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলা প্যারানোইয়া বা সব সময় চক্রান্তের শিকার হওয়ার ভয়।
স্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিকদের কথাবার্তায় অনেক সময় কোনও অর্থ থাকে না। নিরন্তন অর্থহীন কথা বলে যান এঁরা। এমনকি নিজেদের ঘর-বাড়ি বা নিজেদেরও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখার ক্ষমতা হারান স্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিকরা।

নারী ও পুরুষ সমান ভাবে স্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হতে পারেন। ১৬ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে এই মানসিক অসুখের লক্ষণ দেখা যেতে পারে। সাধারণত ৪৫ বছরের পর আর কেউ নতুন করে স্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হন না। পরিবারে কারোর এই মানসিক রোগের ইতিহাস থাকলে পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে এই অসুখ ছড়াতে পারে।

জিনগত কারণ, জীবনে কোনও খারাপ অভিজ্ঞতা, মানসিক ধাক্কা - অনেক কিছুইস্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিয়ার কারণ হতে পারে। এই অসুখে আক্রান্তদের মস্তিষ্কে বিশেষ কিছু নার্ভকোষ শুকিয়ে যায়। তার ফলেই মস্তিষ্ক অস্বাভাবিক ব্যবহার করতে থাকে।

কোনও ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে স্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিয়া নির্ণয় করা যায় না। তাই পারিবারিক ইতিহাস ও ব্যবহারের মাধ্যমেই স্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিয়া নির্ণয় করতে হয় চিকিত্‍সকদের। স্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিয়া কখনোই পুরোপুরি সারানো যায় না। সঠিক চিকিত্‍সায় এর লক্ষণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়। একজন স্কিত্‍‌‌জোফ্রেনিককে সারা জীবন চিকিত্‍সার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। ওষুধ তার সঙ্গে কাউন্সেলিং প্রয়োজন। তবে এই ওষুধের বেশ কিছু সাইড এফেক্টস রয়েছে। তাতে দমে না গিয়ে চিকিত্‍সা চালিয়ে কিছুটা ফল অবশ্যই মিলবে।

আর/১১:৩০/০২ এপ্রিল

সচেতনতা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে