Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৪-০২-২০১৬

৩ বছরের প্রকল্প শেষ হয়নি ১৩ বছরেও

মাসুম বিল্লাহ


৩ বছরের প্রকল্প শেষ হয়নি ১৩ বছরেও

ঢাকা, ০২ এপ্রিল- চোখের আধুনিক চিকিত্সাসেবা নিশ্চিত করতে ২০০৩ সালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়। তিন বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০০৬ সালে। কিন্তু ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো তা অসমাপ্ত অবস্থায় রয়েছে। এদিকে প্রকল্পটি নতুন করে সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে বাস্তবায়নকারী সংস্থা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ৮৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এ অর্থের পুরোটাই জোগান দেয়ার কথা ছিল সরকারের। কিন্তু প্রকল্প মেয়াদ শেষের দিকে অর্থাত্ ২০০৬ সালে সৌদি উন্নয়ন তহবিল (এসএফডি) থেকে ঋণসহায়তা নেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়। সে লক্ষ্যে ২০০৬ সালে প্রথমবারের মতো প্রকল্পটি সংশোধন করা হয়। এতে প্রকল্প ব্যয় ৮১ কোটি থেকে বেড়ে ১৩২ কোটিতে উন্নীত হয়। এরই মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে সরবরাহ করা অর্থ পুরোপুরি ব্যয় হয়েছে। কিন্তু প্রকল্প সহায়তা হিসেবে এসএফডির যে ৫১ কোটি টাকা দেয়ার কথা ছিল, তার পুরোটা এখনো আসেনি। ফলে দফায় দফায় বাড়ছে প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল। এরই মধ্যে ব্যয় বৃদ্ধি ব্যতিরেকে ছয়বার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময় বাড়ানো হয়েছে। এখন নতুন করে আবার প্রকল্পটি সংশোধনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এ সংশোধন প্রস্তাব অনুমোদিত হলে প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল বাড়বে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

পরিকল্পনা কমিশনের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, মূলত সৌদি ঋণের অর্থপ্রবাহ কম থাকায় এটির বাস্তবায়নকাল বারবার বাড়ানো হচ্ছে। ৫১ কোটি টাকার ঋণ গত নয় বছরেও পুরোটা দেয়া হয়নি। এভাবে আর কত দিন প্রকল্পটি চলবে, তা বলা মুশকিল। আর এসডিএফের অর্থপ্রাপ্তির নিশ্চয়তা কতটুকু, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য— চিকিত্সক, নার্স ও প্যারামেডিক্সদের প্রশিক্ষণের জন্য আধুনিক সুবিধাদি ও প্রযুক্তিসম্পন্ন ইনস্টিটিউট স্থাপন করা। কিন্তু এসব ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণ দেয়ার মতো পর্যাপ্ত জনবল দেশে নেই বলে মনে করে পরিকল্পনা কমিশন। এছাড়া নতুন করে সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রকল্পটির অধীনে এ পর্যন্ত কী কী কাজ হয়েছে, তা জানার জন্য একটি মধ্যবর্তী মূল্যায়ন করার প্রস্তাব দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

জানা যায়, প্রস্তাবিত ৫১ কোটি টাকার ঋণের মধ্যে নয় বছর পরও এখনো অবশিষ্ট রয়েছে প্রায় সাড়ে ২১ কোটি টাকা। এ অর্থ না পাওয়ায় এখনো বেশকিছু যন্ত্রপাতি কেনা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে প্রকল্প-সংশ্লিষ্টরা। এজন্য নতুন করে সংশোধনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রকল্পটির অবকাঠানো উন্নয়নসহ অন্যান্য কী কী যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত প্রকল্পটি নতুন করে সংশোধনের বিপক্ষে মত দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

আর/১০:১০/০২ এপ্রিল

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে