Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (35 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৩-৩০-২০১৬

রাঙামাটির ৪৯ ইউপির নির্বাচন স্থগিত

রাঙামাটির ৪৯ ইউপির নির্বাচন স্থগিত

রাঙামাটি, ৩০ মার্চ- প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থী মনোনয়ন দিতে না পারায় রাঙামাটি জেলার ৪৯টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।

স্থানীয় রাজনৈতিক সংগঠনের সশস্ত্র তৎপরতার কারণে আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ অন্য দলগুলো প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারেনি মনে করে কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে নির্দেশ দিয়ে রোববার রাতে রাঙামাটি জেলার নির্বাচন কর্মকর্তাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রধান দলগুলো চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারেনি। সে জন্য জেলার ৪৯টি ইউপির নির্বাচন স্থগিত করে ষষ্ঠ ধাপে অনুষ্ঠানের নির্দেশ দেওয়া হলো। আরও বলা হয়েছে, সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে যৌক্তিক বলে মনে করেন না কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের অনেকে। তাঁদের মতে, প্রথম ধাপের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৫৪ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। ১১৯টি ইউপিতে বিএনপি প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারেনি। দ্বিতীয় ধাপে ১৩টি ইউপিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ার পথে। অন্যদিকে বিএনপি ৬৩টি ইউপিতে প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারেনি। এ বিষয়ে বিএনপি নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করে বলেছে, ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের বাধার কারণে তাদের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। কিন্তু কমিশন বিএনপির এসব অভিযোগ আমলে নেয়নি। অনেক জায়গায় তাদের প্রার্থীদের বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটলেও এ কারণে কমিশন কোথাও নির্বাচন স্থগিত করেনি।

২৭ মার্চ তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। দিন শেষে দেখা যায়, রাঙামাটিতে ১৯টি ইউপিতে আওয়ামী লীগের এবং ২৭ টিতে বিএনপির কোনো প্রার্থী নেই। ২৩ এপ্রিল সেখানে ভোট গ্রহণ হওয়ার কথা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমিশন সচিবালয়ের সচিব সিরাজুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসকের চিঠির ভিত্তিতে এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তবে কমিশন সচিবালয়ের একাধিক শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, রাঙামাটির জেলা প্রশাসকের পাঠানো চিঠিতে স্থানীয় সংগঠনের সশস্ত্র তৎপরতার কারণে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, কিমশনের এ সিদ্ধান্ত ইতিবাচক। কারণ সব দল অংশ নিতে না পারলে নির্বাচন অবাধ হবে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপেও তো এমন ঘটনা ঘটেছে। বিএনপির প্রার্থীরা সরকারি দলের প্রার্থীদের বাধার কারণে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। অনেক জায়গায় তাঁদের মনোনয়নপত্র কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তখন কমিশন কেন চুপ ছিল? এখনো সময় আছে, যেসব ইউপিতে বিএনপি প্রার্থী দিতে পারেনি, সেগুলো তদন্ত করে নির্বাচন বাতিল করার ক্ষমতা কমিশনের আছে।

এস/১৩:১৫/৩০ মার্চ

রাঙ্গামাটি

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে