Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 2.4/5 (51 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৩-২৯-২০১৬

দুই দণ্ডিত মন্ত্রী বৈধ নন!

মিজানুর রহমান খান


দুই দণ্ডিত মন্ত্রী বৈধ নন!

খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের মন্ত্রিত্বের বৈধতা এখন প্রশ্নের সম্মুখীন। যদিও তাঁরা গতকাল মন্ত্রিসভা বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। আইন ও বিচারমন্ত্রী আনিসুল হক গতকাল সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন যে, দুই মন্ত্রী দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। কিন্তু তাঁদের শপথ ভঙ্গ হয়নি। অথচ এর আগে শুনানিকালে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা মন্ত্রীদ্বয়ের আইনজীবীদের কাছে প্রশ্ন রেখেছিলেন শপথ ভঙ্গের শাস্তি কী?
এ বিষয়ে নানা অনুসন্ধানে এটা প্রতীয়মান হয়েছে যে, বিদ্যমান সাংবিধানিক আইন ও সাংবিধানিক রেওয়াজ অনুযায়ী আদালত অবমাননার দায়ে দণ্ডিত দুই মন্ত্রীর পদ ২৭ মার্চ অপরাহ্ণে তাঁদের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর থেকে শূন্য হয়ে গেছে। তাঁরা এখন পদে বহাল থাকায় ব্রিটিশ ক্যাবিনেট সরকার প্দ্ধতির যে রীতি আমরা অনুসরণ করি, সেটাও লঙ্ঘিত হচ্ছে। সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের কাছে দায়ী হবে।’ এর অর্থ হলো মন্ত্রিসভার একটি কালেকটিভ বা সমষ্টিগত দায়বদ্ধতা আছে। আর মন্ত্রী হিসেবে প্রত্যেকের একটি ব্যক্তিগত দায় আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিশ্চিত করেছেন যে, যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেম আলীর মামলার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট ও প্রধান বিচারপতি বিষয়ে ওই দুই মন্ত্রী যে উক্তি করেছেন, সেটা তঁার সরকারের নয়। এর পরোক্ষ অথচ স্পষ্ট অর্থ হলো, দুই মন্ত্রীকে এর ফলাফল ব্যক্তিগতভাবে নিতে হবে। ২০০৯ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি কেরালা হাইকোর্ট মন্ত্রীর দ্বারা শপথ ভঙ্গ হওয়ার ফলাফল সম্পর্কে অভিমত দিয়েছিলেন, শপথ ভঙ্গ হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর বিষয় (ভেরি সিরিয়াস ম্যাটার)। তাই শপথের বিচ্যুতি ঘটলে মেয়াদের অবসান ঘটানো প্রয়োজন। তবে তা নির্ধারণে আদালতের হাত নেই, মন্ত্রী পদে নিয়োগ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ সেই পদক্ষেপ নিতে পারে।’
ওয়েস্টমিনস্টার মডেলের প্রতিষ্ঠিত রেওয়াজ হলো কোনো মন্ত্রীর ব্যক্তিগত ভুল-ত্রুটির দায় তাঁকেই নিতে হবে এবং তার অর্থ হলো পদত্যাগ করা। ১৯৬৩ সালে ব্রিটিশ যুদ্ধমন্ত্রী প্রফুমো, ১৯৭৩ সালে প্রতিরক্ষাবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি লর্ড ল্যাম্বটন, ১৯৮৩ সালে শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী সিসিল পার্কিনসন, ১৯৯২ সালে ঐতিহ্যবিষয়ক মন্ত্রী ডেভিড মেলর পদত্যাগ করেন। ব্রিটিশ সংবিধান বিশেষজ্ঞ বার্নেট তাঁর বইয়ে এই দৃষ্টান্তগুলো উল্লেখ করে বলেন, বার্তাটি হলো, ‘আপনি যদি ধরা পড়েন তাহলে সরকারকে বিব্রত ও আস্থার সংকটে না ভুগিয়ে যথা দ্রুত সরে পড়ুন।’
বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট একমত যে, সুপ্রতিষ্ঠিত ব্রিটিশ সাংবিধানিক রেওয়াজকে আইনের মর্যাদায় দেখতে হবে, আর সেটা সরকারের জন্য বাধ্যতামূলক। আর সেই রেওয়াজ মেনেই ‘বিচারকার্যকে বাধাগ্রস্ত করার’ অভিযোগে ২০১২ সালে ব্রিটেনের জ্বালানি ও জলবায়ু–বিষয়ক মন্ত্রী ক্রিস হিউন পদত্যাগ করেন। তাঁর আট মাস জেল হয়েছিল, খাটতে হয় ৬২ দিন। ২০০৬ সালে আদাত অবমাননায় দণ্ডিত হয়ে ভারতের মহারাষ্ট্র সরকারের পরিবহনমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা স্বরূপ সিং নায়েককে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। আদালতের আদেশ অমান্য করায় নায়েককে মহারাষ্ট্র হাইকোর্ট এক মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। তিনি এর বিরুদ্ধে আপিল করলেও সুপ্রিম কোর্ট তাঁর দণ্ড বহাল রাখেন। তিনি গান্ধী পরিবারের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত হিসেবে পরিচিত। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরপরই তিনি সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন এবং ওই দিনই তিনি অলিখিত সাংবিধানিক রীতি মেনেই গভর্নরের কাছে পদত্যাগপত্র দাখিল করেন।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি আদালত অবমাননার দায়ে ৩৭ সেকেন্ডের জন্য আদালতকক্ষে দণ্ড ভোগ করেছিলেন। সাত সদস্যের একটি সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ ২৬ এপ্রিল ২০১২ তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করার পরে সুপ্রিম কোর্টেরই আট বা ততোধিক একটি বেঞ্চে তাঁর আপিল করার সুযোগ ছিল। কিন্তু তিনি তা করেননি। বরং স্পিকার রুলিং দিয়েছিলেন যে, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ করার কোনো দরকার নেই। সেই রুলিংকে নাকচ করে দিয়ে তিন সদস্যের আরেকটি সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ ২৪ মে ২০১২ রায় দেন যে, আপিল না করার কারণে আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করার দিনেই প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হয়ে গেছে। পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন ২৪ মে তারিখেই প্রধানমন্ত্রীর সংসদ সদস্য পদ শূন্য ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এদিনই ইউসুফ গিলানি পদত্যাগ করেন। উল্লেখ্য, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি রিভিউ আবেদন করবেন না।
সাবেক আইন ও বিচারমন্ত্রী শফিক আহমেদ বলেছেন, সংসদ সদস্যদের অযোগ্যতা–সংক্রান্ত বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৬ (২) অনুচ্ছেদে মন্ত্রী না থাকতে পারার মতো বিধান নেই। এই অনুচ্ছেদে নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে কমপক্ষে দুই বছরের দণ্ডিত হওয়াকে অন্যতম অযোগ্যতা বলা আছে। ভারতেও বাংলাদেশের মতো একই বিধান আছে। কিন্তু পাকিস্তানের সংবিধানে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, বিচার বিভাগের অবমাননা ও তাকে জনগণের সামনে হাস্যকর করে তুললে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সংসদ সদস্য পদ চলে যাবে। এই বিধান বাংলাদেশে নেই। কিন্তু সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ছ উপধারায় বলা আছে, একজন সংসদ সদস্য অন্য যে কোনো আইনেও অযোগ্য হতে পারেন। এখানে ‘আইন’ বলতে কী বোঝা যাবে, তার একটি ব্যাখ্যা বাংলাদেশ সংবিধানেই দেওয়া আছে। ১৫২ অনুচ্ছেদ বলেছে, ‘আইন’ অর্থ কোনো আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যে কোনো প্রথা বা রীতি।’ আবার সুপ্রিম কোর্টের রায়ও আইন।’ বাংলাদেশের উচ্চ আদালত বিভিন্ন রায়ে ব্রিটেনের ক্যাবিনেট সরকারের যৌথ জবাবদিহিকে অনুসরণীয় প্রথা ও রীতির মর্যাদা দিয়েছে। আর তার আলোকে বলা যায়, মন্ত্রীরা আর সাংসদ থাকতে পারেন না। সংবিধানের ৬৬ (৪) অনুচ্ছেদ বলেছে, কোনো সাংসদের অযোগ্যতার প্রশ্ন দেখা দিলে স্পিকার তা শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠাবে।
২০০৮ সালের ১৭ জুলাই ১০ বিচারকের মামলায় বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রশীদ, বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা (বর্তমানে আপিল বিভাগে) ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহত্তর বেঞ্চ বলেন, ‘উপমহাদেশে এখন এটা প্রতিষ্ঠিত যে, এমন অনেক কনভেনশন রয়েছে যা আইনানুগভাবেই অবশ্য অনুসরণীয়। সাংবিধানিক কনভেনশন মানাটা বাধ্যকর। কনভেনশন একবার প্রতিষ্ঠিত করে নিলে তা আইনের মতোই প্রয়োগযোগ্য। এ থেকে বিচ্যুতির কোনো সুযোগ নেই।’ এতে এই যুক্তি নাকচ হয়েছিল যে, সাংবিধানিক বিধানাবলির চেয়ে সাংবিধানিক রীতিকে বড় করে দেখা যাবে না।
বরং ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতি এম এম রুহুল আমিনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের একটি বেঞ্চ রায়ে বলেন, ‘যেসব দেশের লিখিত সংবিধান আছে তারাও সাংবিধানিক রীতিকে সাংবিধানিক আইনের মতোই প্রয়োগ করে থাকে। অনেক দেশ রীতিকে সাংবিধানিক আইন হিসেবে মান্য করে আর তার ব্যত্যয় ঘটলে সরকার পরিচালনায় বাধাগ্রস্ত হওয়া ও প্রচণ্ড সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।’ এর সপক্ষে আপিল বিভাগ ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের রায়েরও বরাত দেন।
পঞ্চম সংশোধনী মামলায় বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক বলেন, আইন না হয়েও রীতিনীতিসমূহ ব্রিটিশ সংবিধানের প্রাণ। ২০০২ সালের ২০ মে বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম মানবজমিনে প্রকাশিত বিচারপতির সঙ্গে এরশাদের কথোপকথনের ক্যাসেট মামলার রায়ে ২৪৩ প্যারায় বলেছেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধান ব্রিটিশ ধাঁচের সরকারকেই ধারণ করেছে। সমগ্র সরকার ব্যবস্থার ধরনটাই ব্রিটিশ, আর ব্রিটিশ সাংবিধানিক রীতিনীতিগুলোকে হয় সংবিধানে লিখিত রূপ দিয়েছে নচেৎ অলিখিত সাংবিধানিক রীতিনীতি হিসেবে অনুসরণ করে চলছে।’ এরপরও এমন কেউ কি আছেন যে, দণ্ডিত দুই মন্ত্রীকে স্বপদে বহাল রাখাটাকে ব্রিটিশ সাংবিধানিক রেওয়াজের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ বলে দাবি করতে পারেন?
১৯৭৭ সালের ৮ নভেম্বর ভারতের প্রধান বিচারপতি হামিদুল্লাহ বেগের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ বলেছেন, ক্যাবিনেট সরকার মন্ত্রীর ব্যক্তিগত দায়–সংক্রান্ত ধারণাটি মূলগতভাবে রাজনৈতিক। এই রায়ের ৬৬ প্যারায় আছে, ‘কোনো ব্যক্তিগত ত্রুটির দায় কেবলই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর।’ প্রফেসর স্মিথ উক্ত যুদ্ধমন্ত্রী প্রফুমোর পদত্যাগের উদাহরণ টেনে বলেছেন, ‘কখনো কোনো ভুলের খেসারত গোটা মন্ত্রিসভাকেই দিতে হতে পারে। তবে এটা রাজনৈতিক, যা আইনি দায় থেকে পৃথক।’ ১৯৯৩ সালে প্রধান বিচারপতি আহমেদির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের আরেকটি বেঞ্চ বলেন, একজন মন্ত্রী সংসদের কাছে দায়ী থাকার অর্থ হলো সংসদ তাঁর কাছে কৈফিয়ত চাইবে। আর যখন সেই কৈফিয়ত সন্তোষজনক হবে না, আর তার দায়টা গণ্য হবে যৌথ, তখন সংসদ গোটা মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পাস করবে। আর তখন মন্ত্রিসভার পদত্যাগ বা সংসদের বিলুপ্তি ঘটবে।
প্রধান বিচারপতি আহমেদি ওই রায়ের প্যারা ২৬ এ যা লিখেছেন, সেটাই বাংলাদেশে দুই মন্ত্রীর জন্য প্রযোজ্য। এই রায়ে বলা হয়েছে, ‘যদি দায়বদ্ধতা যৌথ না হয়, কিন্তু কর্মটি যদি অবহেলাজনিত বা ভুল সিদ্ধান্তপ্রসূত হয়, আর হাউস অননুমোদন করে তাহলে অভিযুক্ত মন্ত্রী পদত্যাগ করবেন।’ ১৯৯৫ সালে এনটি রামারাওয়ের মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ব্রিটিশ সংবিধান বিশেষজ্ঞ ওয়েড অ্যান্ড ফিলিপসের বরাতে বলেন, ‘কোনো একজন মন্ত্রীও সংসদের ইচ্ছার বাইরে স্বপদে থাকতে পারেন না।’ সংসদ নেত্রী হিসেবেও শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে এটা জাতিকে অবগত করানো হয়েছে যে, দুই মন্ত্রীর বক্তব্যে সংসদের ইচ্ছার প্রতিফলন নেই।
সংসদের ফ্লোরে বক্তব্য রাখার কোনো বৈধতা যাচাইয়ের অধিকার সংবিধান আদালতকে দেয়নি। কিন্তু সেখানেও বিচারাধীন বিষয়ে বক্তব্য রাখার অধিকার কারও নেই। কার্যপ্রণালি বিধির অন্তত নয়টি (৫৩, ৬৩, ১০০, ১১৯, ১৩৩, ১৬৫, ১৭০, ১৭৮, ২৭০) বিধিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের আচরণ ও বিচারাধীন মামলার আলোচনাকে নিষিদ্ধ করা আছে। সুতরাং যে মন্তব্য সংসদে করা যেত না তাই করা হয়েছে সংসদের বাইরে। আসলে যে অঘটন ঘটে গেছে তার কোনো নজির পেলাম না। পূর্ণ রায় না পাওয়ার কারণে মন্তব্য করা কঠিন। শুধু এটুকুই দেখাতে চাইলাম যে দণ্ডিত হওয়ার ঘটনাটিকে সাংবিধানিক রেওয়াজের বিচ্যুতি বা রাজনৈতিক বিবেচনা থেকে দেখাটাই সব থেকে জরুরি। আর সবিনয়ে এটাও ভেবে দেখতে বলব যে, পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট কিন্তু তার নিজের অবমাননার ঘটনার জন্য আরেকটি আপিলের ব্যবস্থা করে রেখেছেন। সাত সদস্যের বেঞ্চের রায়ের বিরুদ্ধে গিলানি আপিল করলে আটজন বা তার চেয়ে বেশি বিচারক দিয়ে তাঁরা সেটা নিষ্পত্তি করাতেন।

মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক৷
mrkhanbd@gmail.com

মুক্তমঞ্চ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে