Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৩-২৬-২০১৬

পঁচিশে মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস স্বীকৃতির দাবি

পঁচিশে মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস স্বীকৃতির দাবি

ঢাকা, ২৬ মার্চ- পঁচিশে মার্চ কালরাত্রিকে নানা আয়োজনে স্মরণের মধ্য দিয়ে দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম। একই সঙ্গে একাত্তরের গণহত্যার জন্য পাকিস্তানকে ক্ষমাপ্রার্থনার আহ্বান এবং সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার শেষ করার দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি। শুক্রবার রাতে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চে ছিল মুক্তিযুদ্ধের অগ্রসেনানীদের এই ফোরামের অনুষ্ঠানমালা।

অনুষ্ঠানের ঘোষণাপত্রে ফোরামের মহাসচিব সাংবাদিক হারুন হাবীব বলেন, “১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যে বর্বরোচিত গণহত্যা শুরু করেছিল, তা ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সময়ের ভয়াবহতম এক গণহত্যা। সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম সে কারণে- ২৫ শে মার্চকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসাবে ঘোষণার দাবি জানাচ্ছে। “একই সঙ্গে বিংশ শতাব্দির ভয়াবহতম এই গণহত্যাকে ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতির জন্যে আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।”

এই গণহত্যা ঘটনাকে পরিপূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না দিলে তা ‘বিশ্ব মানবাধিকার ও জাতিসংঘের মূল সনদের লঙ্ঘন’ হবে বলেও ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করেন তিনি। সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল কে এম সফিউল্লাহ বীরউত্তম বলেন, পাকিস্তানিরা যে বর্বরতা চালিয়েছিল, তার বিচার আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও হওয়া উচিত।

“পাকিস্তানিরা এদেশের নিরস্ত্র মানুষের উপর নির্মম হামলা পরিচালনাকারী সেনাসদস্যদের বিচার করার কথা বললেও গত ৪৫ বছরে করেনি। গণহত্যার জন্য ক্ষমা চায়নি, মাফ চায়নি।” রাত ১১টা থেকে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানমালা চলে রাত পৌনে ১টা পর্যন্ত। কালরাত্রিতে নিহত শহীদদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বালনও করা হয়।

অনুষ্ঠানে ৩০ লাখ শহীদের রক্তে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক-গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা এবং সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনে দৃঢ় থাকার শপথ করেন উপস্থিত সবাই। শপথবাক্য পাঠ করান ফোরামের ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু ওসমান চৌধুরী বীরউত্তম।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান, দেশাত্ববোধক কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনায়। এছাড়া সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের নেতা ও মুক্তিযোদ্ধারা তরুণ প্রজন্মের হাতে মশাল এবং লাল-সবুজের পতাকা তুলে দেন। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠানমালা।

এফ/০৯:১২/২৬মার্চ

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে