Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৩-২৪-২০১৬

যে ছয় দেশে ‘নাস্তিক’ সবচেয়ে বেশি

যে ছয় দেশে ‘নাস্তিক’ সবচেয়ে বেশি

পৃথিবী থেকে কি ধর্ম বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে? গবেষণা বলছে, না, সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস একেবারে উঠে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। কিন্তু তারপরও অনেক দেশেই অবিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা ব্যাপক হারে বাড়ছে। এদিক থেকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে এগিয়ে আছে নরওয়ে। দেশটিতে ৩৯ শতাংশ মানুষ নাস্তিক আর ৩৭ শতাংশ আস্তিক। বাকিরা হয় কোনো উত্তর দেননি অথবা সংশয়বাদী।

তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সংবিধানে জোরালোভাবেই বলেছে ‘আমরা ঈশ্বরে বিশ্বাস করি’। খ্রিস্ট ধর্মকেই প্রধান ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেয় তারা। তবে ১৯৮০ সালের পরে যুক্তরাষ্ট্রের চিত্রটা যেন পুরোই পাল্টে গেছে। ২০১৪ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায়, ১৯৮০ সালে যতজন মানুষ ধর্ম বিশ্বাস করে বলে দাবি করেছিল ২০১৪ সালে এসে অবিশ্বাসীর সংখ্যা বেড়েছে পাঁচগুণ।

বর্তমান বিশ্বমানচিত্রের দিকে চোখ বোলালে দেখা যাবে, এখন কেবল যুক্তরাষ্ট্র বা নরওয়ে নয় এমন আরো অনেক দেশ আছে যেখানে নাস্তিকদের সংখ্যা বাড়ছে।

চীন
ধর্মে বিশ্বাস করে না এমন মানুষের সংখ্যার দিক থেকে চীন প্রথম সারিতে। দেশটির সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের নায়ক মাও সে তুং ধর্মে অনাস্থার মতবাদ প্রথম সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরেন। তিনি প্রথম কনফুসিয়াস ধর্মভিত্তিক আধ্যাত্মিকতা থেকে সবাইকে সরে আসতে বলেন। মানুষ ছাড়া আর কোনো অস্তিত্ব নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

জাপান
চীনের প্রতিবেশী দেশ জাপানের পরিসংখ্যান একই কথা বলছে। এই দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ নিজেদের নাস্তিক বলে দাবি করে। তবে ঈশ্বরে বিশ্বাস না রাখলেও এদেশে অনেকে বিভিন্ন প্রথা, ঐতিহাসিক পুরাকথার উপর বিশ্বাস রাখে। তবে সরাসরি ঈশ্বরে তাদের কোনো বিশ্বাস নেই।

চেক প্রজাতন্ত্র
চেক প্রজাতন্ত্রে ৪০ শতাংশ মানুষ ঈশ্বরে বিশ্বাস করে না। আর বাকিরা চার্চে গিয়ে যে যার মতো ধর্মচর্চা করেন। এদের অনেকে ক্যাথলিক খ্রিস্টান, প্রোটেস্ট্যান্ট।

ফ্রান্স
এর পরেই ফ্রান্সের অবস্থান। ১৭৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লবের সময় দেশটিতে রোমান ক্যাথলিক ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হলেও ধীরে ধীরে তা গির্জাভেদে বিভক্ত হতে শুরু করে। ১৯০৫ সালে রাষ্ট্র থেকে গির্জা পুরোপুরি আলাদা হয়ে যায়। যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে এই গির্জাগুলোর প্রধান করা হয় দেশটির রানীকে।

অস্ট্রেলিয়া
দেশটির ১৯ শতাংশ মানুষ নিজেদের নাস্তিক বলে দাবি করেন। বর্তমানে দেশটি শাসন করছে সেকুল্যার সরকার এবং সব বিভাগে তাদের প্রভাবও বেশি। যুগে যুগে দেশটিতে খ্রিস্টধর্মের পাশাপাশি মুসলিমদেরও বসবাস ছিল। তবে বর্তমানে খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা বেশি। অবশ্য তার চেয়েও বেশি ধর্মে বিশ্বাস না করা নাগরিকের সংখ্যা।

আইসল্যান্ড
নাস্তিক নাগরিকের সংখ্যার দিক থেকে এ দেশটি একদম নিচের ধাপে। এখানে ধর্ম নিয়ে রয়েছে বৈধ আইন। নাগরিকরা যার যার খুশি মতো ধর্ম চর্চা করতে পারবে। ধর্ম না মানলেও দেয়া হবে না কোনো বাধা।

আর/১১:৫৩/২৪ মার্চ

জানা-অজানা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে