Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৩-২৩-২০১৬

যুবকের পেটে পাওয়া গেল ১৯টি টুথব্রাশ!

যুবকের পেটে পাওয়া গেল ১৯টি টুথব্রাশ!
শামিমের পেট থেকে বের করে আনা মালামালের একাংশ।

ময়মনসিংহে এক যুবকের পেটে অস্ত্রোপচার করে বহুসংখ্যক টুথব্রাশসহ নানাবিধ জিনিসপত্র বের করে এনেছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। গত শুক্রবার শামিম নামে ৩২ বছর বয়সী ওই যুবকের পেটে অস্ত্রোপচার করেন তারা।

তবে ওই যু্বক এখন ভালো আছে বলে জানিয়েছেন ডা. শফিকুল ইসলাম।

অস্ত্রোপচার শেষে তার পেট থেকে যেসব জিনিসপত্র বের করা হয় তার মধ্যে রয়েছে ১৯টি টুথব্রাশ, চারটি মেসওয়াক (গাছের ডাল দিয়ে তৈরি দাঁতন), একটি ভাঙা কাঁটাচামচ, দুটি প্লাস্টিকের টুকরো, এক টুকরো কাপড় এবং ব্যাটারির ভেতরে থাকা দুটি সীসার দণ্ড।

‘টুথব্রাশগুলো সম্পূর্ণ আস্ত ছিল দেখে আমরা বিস্মিত হয়েছি। এত বড় এক একটি টুথব্রাশ আস্ত অবস্থায় তার পেটে ঢুকলো কি করে?’ বিবিসি-কে বলেন ডা. শফিকুল ইসলাম।

সম্প্রতি পেটে ব্যথা ও বমির উপসর্গ সমেত শামিম নামে ওই যুবককে হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার আত্মীয়রা।

তার নামের প্রথম অংশই শুধু জানাতে পেরেছেন শফিকুল ইসলাম। শামিমের পেটে এক্সরে করে একটি কাঁটাচামচসহ তিনটি ধাতব টুকরোর অস্তিত্ব আবিষ্কার করার পর চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।


শামিমের পেটে অস্ত্রোপচার করছেন চিকিৎসকেরা।

অস্ত্রোপচারের জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে প্রথম দফায় সে পালিয়ে যায়। পরে তাকে আবার ধরে নিয়ে আসে তার আত্মীয়রা এবং এবার তাকে ময়মনসিংহ শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে সেখানেই তার পেটে অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসকেরা।

অস্ত্রোপচারের পর তার পেট থেকে যখন একের পর এক টুথব্রাশ বেরিয়ে আসছিল তখন চিকিৎসকেরা বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান।

ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এটা বিরল একটি ঘটনা। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এরকম ঘটনার নজির পাওয়া যায়না।’

শামিম নামে ওই যুবককে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে উল্লেখ করেন ডা. শফিকুল ইসলাম।

এই প্রতিবেদন তৈরির জন্য শামিমের কোনো আত্মীয়-স্বজনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার চিকিৎসক দলের সদস্যরা বলছেন, শামিম মানসিক ভারসাম্যহীন।

সে দিনের পর দিন এসব খেয়েছে। এখন অস্ত্রোপচারের পর শামিম সম্পূর্ণ আশঙ্কামুক্ত। তবে চিকিৎসকদের আশঙ্কা সে মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় ভবিষ্যতেও হাতের কাছে যা পাবে তাই খেয়ে ফেলবে। তখন হয়তো তাকে সহজে সারিয়ে তোলা সম্ভব হবে না।

ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেবার পর তার পরিবারের সদস্যদের উচিত হবে দ্রুত তার মানসিক চিকিৎসা শুরু করা।

আর/১৭:৩২/২৩ মার্চ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে