Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৩-২০-২০১৬

আফগানদের হারিয়ে জয়ে ফিরল দক্ষিণ আফ্রিকা

আফগানদের হারিয়ে জয়ে ফিরল দক্ষিণ আফ্রিকা

নয়াদিল্লি, ২০ মার্চ- শুরুতে বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ইংলিশদের মতো আফগানরাও দক্ষিণ আফ্রিকার বুকে কাঁপন ধরিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত অবশ্য কোনো অঘটনের জন্ম দিতে পারেনি আইসিসির সহযোগী দেশটি। আফগানিস্তানকে ৩৭ রানে হারিয়ে কক্ষপথে ফিরেছে ফাফ দু প্লেসির দল।

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার এটা প্রথম জয়। প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২২৯ রানের বিশাল ইনিংস গড়েও হেরে যায় তারা। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ম্যাচের মতো দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন কুইন্টন ডি কক। পরে ডি ভিলিয়ার্সের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ৫ উইকেটে ২০৯ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ বলে অলআউট হওয়ার আগে ১৭২ রান করে আফগানরা।

দুদিন আগে কাগিসো রাবাদা-ডেইল স্টেইনদের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের রেকর্ড রান তাড়া করে জেতার উদাহরণ থেকে আত্মবিশ্বাস নিয়েই কিনা মোহাম্মদ শাহজাদও শুরু করলেন বিধ্বংসী রূপে। এ ম্যাচে আবার প্রোটিয়া শিবিরে ছিলেন না স্টেইন।

রাবাদাকে একটি করে চার ও ছক্কা মেরে ইনিংস শুরুর পরের ওভারে কাইল অ্যাবটকে চারবার সীমানা ছাড়া করেন। এর মধ্যে তিন বারই বল হাওয়ায় ভেসে গ্যালারিতে। দুই ওভার শেষে আফগানদের রান ৩৩, তার মধ্যে শাহজাদের ৩২! অন্যটি অতিরিক্ত। রাবাডার করা তৃতীয় ওভারেও একটি করে চার, ছক্কা মারেন শাহজাদ। কিন্তু চতুর্থ ওভারে পরিবর্তিত বোলার ক্রিস মরিসের শেষ বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে আউট এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

১৯ বলে ৩টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৪৪ রান করেন শাহজাদ। এখন পর্যন্ত আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী তিনি। এই তালিকায় সবার উপরে বাংলাদেশের তামিম ইকবাল।

পরে আর কেউ বড় ইনিংস খেলতে না পারায় লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি আফগানিস্তান। তবে গুলবাদিন নাইব (১৮ বলে ২৬), সামিউল্লাহ সেনওয়ারিরা (১৪ বলে ২৫) সাহসী ব্যাটিংয়ে দর্শকদের বিনোদন দিয়েছেন যথেষ্ট।

২৭ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সফলতম বোলার ক্রিস মরিস।

এর আগে তৃতীয় ওভারে হাশিম আমলাকে (৫) হারানোর পর ফাফ দু প্লেসির সঙ্গে সাত ওভারে ৬৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন কুইন্টন ডি কক। ৭ রানের ব্যবধানে এই দুই ব্যাটসম্যান ফিরে গেলে কিছুটা চাপে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা।

আমির হামজার বলে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ৪৫ রান করেন ডি কক। ৩১ বলের ইনিংসে ৬টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন তিনি। আর ২৭ বলে ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪১ রান করেন অধিনায়ক দু প্লেসি।


বাকিটা সময়ের প্রায় পুরোটাই বোলাদের শাসন করেন ডি ভিলিয়ার্স। চতুর্থ উইকেটে জেপি দুমিনির সঙ্গে ৫.৫ ওভারে ৭৬ রানের জুটি গড়েন তিনি। এই জুটিতে দুমিনির অবদান মাত্র ১৪ রান, ডি ভিলিয়ার্স একাই করেন ৫৯। মোহাম্মদ নবির বলে আরেকটা ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে নুর আলি জাদরানের হাতে ধরা পড়েন ডি ভিলিয়ার্স। ২৯ বলে ৪টি চার ও ৫টি ছক্কার সাহায্যে ৬৪ রান করেন।

শেষ দিকে দুইশ ছাড়ানো ইনিংসে অবদান রাখেন ডেভিড মিলার (৮ বলে ১৯) ও দুমিনি (২০ বলে অপরাজিত ২৯)। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটা ষষ্ঠ সর্বোচ্চ ইনিংস।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

দক্ষিণ আফ্রিকা: ২০ ওভারে ২০৯/৫ (ডি কক ৪৫, আমলা ৫, দু প্লেসি ৪১, ডি ভিলিয়ার্স ৬৪, দুমিনি ২৯, মিলার ১৯, ভিজে ০*; হামজা ১/২৫, শাপুর জাদরান ১/২৮, নবি ১/৩৫, দৌলত জাদরান ১/৪৬)।

আফগানিস্তান: ২০ ওভারে ১৭২ (শাহজাদ ৪৪,নুর আলি ২৫, স্তানিকজাই ৭, গুলবাদিন ২৬, নবি ১১, শেনওয়ারি ২৫, নাজিবুল্লাহ ১২, রশিদ ১১, দৌলত জাদরান ০, হামজা ৩*, শাপুর জাদরান ১; মরিস ৪/২৭, তাহির ২/২৪, অ্যাবট ২/৩৬, রাবাদা ২/৩৭)।

ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৭ রানে জয়ী।

ম্যাচ সেরা: ক্রিস মরিস (দক্ষিণ আফ্রিকা)।

এফ/২৩:০৮/২০মার্চ

ক্রিকেট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে