Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৩-১৮-২০১৬

‘চেনা মাঠে’ জ্বলে উঠার অপেক্ষায় বাংলাদেশ

অনীক মিশকাত


‘চেনা মাঠে’ জ্বলে উঠার অপেক্ষায় বাংলাদেশ

বেঙ্গালুরু, ১৮ মার্চ- বাড়ির পাশের ইডেন গার্ডেন্স বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ততটা পরিচিত নয় যতটা পরিচিত বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম। সাকিব আল হাসান নিয়মিতই খেলেন এখানে। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা এখানে খেলেছেন আন্তর্জাতিক ম্যাচ। শেষ চারের আশা বাঁচিয়ে রাখতে পরিচিত এই মাঠেই জ্বলে উঠতে চায় বাংলাদেশ।

২০০৭ সালের জুনে এশিয়া একাদশের হয়ে আফ্রিকা একাদশের বিপক্ষে দুটি ওয়ানডে খেলেন মাশরাফি, যার প্রথমটি হয় এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে। আগামী সোমবার এই মাঠেই অস্ট্রেলিয়া ও বুধবার ভারতের বিপক্ষে খেলবে তার দল।

গত সেপ্টেম্বর ভারত সফরে বেঙ্গালুরুতে একটি চার দিনের ম্যাচ এবং তিনটি ওয়ানডে খেলে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। এবারের টি-টোয়েন্টি দলে থাকা সাব্বির রহমান, নাসির হোসেন, সৌম্য সরকার, তাসকিন আহমেদ, আল-আমিন হোসেন, আরাফাত সানি সেই সফরে খেলেন এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে।

ভারত ‘এ’ দলের বিপক্ষে একমাত্র চার দিনের ম্যাচে শতক এসেছিল সাব্বিরের ব্যাট থেকে। ছন্দে থাকা এই ব্যাটসম্যানের সেই অভিজ্ঞতা এবার কাজে লাগবে বলে মনে করেন পেস বোলিং কোচ হিথ স্ট্রিক।

“সাব্বির এখানে রান করে গেছে। আশা করি, ওরা সবাই সেই আত্মবিশ্বাস এখানে বয়ে আনবে।”

গত সেপ্টেম্বরের সেই ম্যাচে স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে ১৩১ বলে ১২২ রানের ঝকঝকে এক ইনিংস খেলেন সাব্বির। তার ইনিংসে ছিল ২৩টি চার ও একটি ছক্কা। প্রথম ইনিংসে দলের ২২৮ রানের অর্ধেকের বেশি আসে তার ব্যাট থেকে।

সেই সফরে রান পান অলরাউন্ডার নাসির হোসেনও। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ৫২ রানের দারুণ এক ইনিংস দিয়ে শুরু করেন তিনি। পরের ম্যাচে তার অপরাজিত ১০২ রানের ওপর ভর দিয়ে সফরের একমাত্র জয়টি পায় অতিথিরা। ৯৬ বলে খেলা নাসিরের এই ইনিংসটি ১২টি চার ও একটি ছক্কা সমৃদ্ধ।

জিম্বাবুয়ের সাবেক অলরাউন্ডার স্ট্রিকের বিশ্বাস, ‘এ’ দলের হয়ে খেলে যাওয়ার অভিজ্ঞতা এবার খুব কাজে লাগবে।

এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি হয়েছে একটিই। ২০১২ সালের ২৫ ডিসেম্বর ভুবনেশ্বর কুমার, মোহাম্মদ ইরফানদের অভিষেক হওয়া সেই ম্যাচে দাপট ছিল বোলারদের। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ১৩৩ রান করে ভারত। জবাবে দুই বল বাকি থাকতে ৫ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান।  

সেদিন ব্যাটসম্যানরা তেমন কিছু করতে পারেননি। কিন্তু এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে দুর্দান্ত কিছু ইনিংস দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব। ক্রিস গেইলের অপরাজিত ১৭৫, আইপিএলের প্রথম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের অপরাজিত ১৫৮ টি-টোয়েন্টির বড় বিজ্ঞাপন হয়ে আছে এখনও।   

রাহুল দ্রাবিড়-অনিল কুম্বলেদের ঘরের মাঠ এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আছে নয়টি শতক, যার তিনটিই আসে গেইলের ব্যাট থেকে।

বড় রানের এই মাঠে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদেরও জ্বলে উঠার সুযোগ দেখেন স্ট্রিক, “আমাদের ব্যাটসম্যানদের জন্য অবশ্যই খুব ভালো সুযোগ রান করার। ভালো ব্যাটিং উইকেট।”

ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে ১৬টি দুইশ’ বা তার বেশি রানের দলীয় ইনিংস আছে। দুইশ’ বা তার বড় লক্ষ্য তাড়া করে জেতার কৃতিত্ব আছে তিনটি। ২০১০ সালে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ও ২০১১ সালে নিউ সাউথ ওয়েলসের বিপক্ষে ২০৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জেতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

২০১৪ সালের আইপিএলের ফাইনালে পাঞ্জাবের বিপক্ষে দুইশ’ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জেতে সাকিব আল হাসানের কলকাতা নাইট রাইডার্স।

আর/১১:৫৭/১৮ মার্চ

ক্রিকেট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে