Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৩-১৮-২০১৬

রিজার্ভ চুরিতে দেশীয় পরিকল্পনার আলামত মিলছে

রিজার্ভ চুরিতে দেশীয় পরিকল্পনার আলামত মিলছে

ঢাকা, ১৮ মার্চ- যুক্তরাষ্ট্রে গচ্ছিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় বাংলাদেশে এই ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট এক বা একাধিক ব্যক্তি জড়িত বলে সন্দেহ করছেন তদন্তকারীরা। আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্তকাজ শুরুর পর গত দুইদিনে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও আলামত পেয়েছে। ডলার স্থানাস্তরের সময় বাংলাদেশের কাঁচপুর উন্নয়ন প্রকল্পসহ বেশ কয়েকটি প্রকল্পের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশ থেকেই তথ্য গেছে বলে নিশ্চিত তদন্তকারীরা। 

এছাড়া প্রাথমিক তদন্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিলিং শাখার সিসিটিভি যথাস্থানে না থাকা, সার্ভার ব্যবহারকারীদের তথ্য না থাকাসহ বেশকিছু বিষয়ে গড়মিল ধরা পড়েছে। এসব কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের এক বা একাধিক কর্মকর্তা রিজার্ভ চুরির ঘটনায় সরাসরি জতিড় বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে। 

তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, রিজার্ভ চুরির ঘটনাটি চারটি দেশের নেটওয়ার্কে ঘটেছে। এখানে তিন ধরনের অপরাধ, অর্থাৎ- অর্থ জালিয়াতি, সাইবার ক্রাইম এবং আন্তঃদেশীয় অপরাধ। প্রথমেই বাংলাদেশে সংশ্লিষ্টদের খুঁজে বের করতে চাইছেন তদন্তকারীরা। বাংলাদেশির সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়া গেলে তার সূত্র ধরে তদন্ত এগুবে। পাশাপাশি ইন্টারপুলের সহায়তায় ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কার পুলিশের সঙ্গে যৌথ তদন্ত শুরু হবে। মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআইকে কিছু তথ্য দিয়ে সহায়তা চাওয়া হবে। এ জন্য আলামত ও তথ্য গুছিয়ে নিচ্ছেন তদন্তকারী দল।

সংশ্লিষ্টরা সূত্রগুলো জানায়, সিআইডি এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার তদন্ত করলেও এই কাজে সহায়তা করছে পুলিশেরই চারটি দপ্তর। এছাড়া ছায়াতদন্ত করছে র‌্যাবের সাইবার ক্রাইম বিশেষজ্ঞ দলও। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ সংরক্ষণ সংশ্লিষ্ট এক ডজন কমকর্তাকে অনানুষ্ঠানিক জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিআইডির দল। গত দু’দিন ধরে ব্যাংকে গিয়ে বেশকিছু আলামত জব্দ করেন তারা। 

তদন্ত তদারকি দলের প্রধান সিআইডির উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি-এইচআরএম) সাইফুল আলম বলেন, ‘আমরা আজও (গতকাল) বেশকিছু আলামত সংগ্রহ করেছি। ফরেন এক্সচেঞ্জ এবং সিকিউরিটি সার্ভিল্যান্স ইকুইপমেন্ট আমরা জব্দ করেছি।  পেমেন্টে সিস্টেম ডিপার্টম্যান্ট (পিএসডি) ও অডিট বিভাগের কর্মকর্তাদের  সঙ্গে কথা বলেছি।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইনের ব্যাংকে টাকা হস্তান্তরের জন্য দেয়া তথ্যের মধ্যে কাঁচপুরসহ কয়েকটি দেশীয় উন্নয়ন প্রকল্পের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে এখান থেকে তথ্য গেছে বলে নিশ্চিত আমরা। তারা কারা সেটা শনাক্ত করার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি ইন্টারপুলের সহায়তা নিয়ে শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইনে যারা এবং যেসব অ্যাকাউন্টে অর্থ সরানো হয়েছে সে ব্যাপারে তদন্ত করা হবে।’ 

গত বুধবার প্রথম দফায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গিয়ে আলামত সংগ্রহের পর বৃহস্পতিবার বিকেলেও আবার সেখানে যান সিআইডির আট সদস্যের তদন্ত দল। গত দুইদিন ফরেক্স রিজার্ভ শাখা, অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেট বিভাগ, ফরেন এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড সিকিউরিটি ও পেমেন্ট শাখার কয়েকজন কর্মকর্তাকে আলাদাভাবে জেরা করা হয়েছে। এসব বিভাগ থেকে আলামতও জব্দ করা হয়। এরপর ডিআইজি সাইফুল আলম সাংবাদিকদের কাছে বলেন, ‘এফবিআইয়ের সঙ্গে এ ব্যাপারে আমরা আলোচনা চালাবো। এছাড়া ইন্টারপোলের সঙ্গেও এ ব্যাপারে আলোচনা চলছে।’ 

বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য পদত্যাগ করা গভর্নর আতিউর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কি না, সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে সাইফুল আলম বলেন, ‘তদন্তের স্বার্থে আতিউর রহমানকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।’

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রিজার্ভ চুরির জন্য অপরাধীরা কৌশলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলো বেছে নেয়। ৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সুইফটে ব্যবহৃত সফটওয়্যার ঠিকমতো কাজ করছিল না। ৫ ফেব্রুয়ারি ছিল শুক্রবার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তারা বলছেন, ওইদিন স্বয়ংক্রিয় প্রিন্ট না পেয়ে সেটি প্রিন্টারের সমস্যা মনে করে এড়িয়ে যান। পরদিন শনিবারও (৬ ফেব্রুয়ারি) সফটওয়্যার চালু ও প্রিন্ট বের করা সম্ভব হয়নি। 

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে জানানোর চেষ্টা করা হয় ৬ ফেব্রুয়ারি। শনি ও রোববার যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্টরা ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক নিউইয়র্কে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হন। ৮ ফেব্রুয়ারি সুইফট শাখার সফটওয়্যারটি চালুর পর নিশ্চিত হন লেনদেন বন্ধ করার আগে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে ১০১ মিলিয়ন ইউএস ডলার চুরি হয়ে যায়। এতে পরিষ্কার যে বাংলাদেশ ব্যাংক কী ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারে তা পুরোপুরি জানে অপরাধীরা। 

বাংলাদেশ ব্যাংকে স্থানীয় সম্পৃক্ততার আলামত : 
তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা জানান, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিন দফায় এক ডজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছেন তদন্তকারীরা। যাদের বক্তব্য এবং আলামতের তথ্যে বেশকিছু অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে- বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম-পরিচালক মিজানুর রহমান, আবদুল্লাহ সালেহ ও প্রভাস চন্দ্র, সহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন, রফিক আহমেদ মজুমদার, সনজিৎ রায়, আইটি বিভাগের দেব দুলাল রায় এবং মামলার বাদী যুগ্ম-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা রয়েছেন। কয়েকজনকে নজরদারির মধ্যেও রাখা হয়েছে বলে জানায় সূত্র। 

গত দু’দিন ধরে তদন্তকারীরা ব্যাংকের রিজার্ভ শাখার ডিলিং রুমের কম্পিউটার, সুইফট কোড ব্যবহারকারীর কম্পিউটার ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক সামগ্রী পরীক্ষা করে দেখছেন। ইতোমধ্যেই জানা গেছে, ডিলিং রুমের সিসি ক্যামেরাগুলো সঠিক জায়গায় বসানো হয়নি, সার্ভার ও কম্পিউটার থেকে তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে এবং ঘটনার আগে থেকে ফরেক্স রিজার্ভ ও ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট ডিভিশনের ডিলিং রুমের দুটি সিসি ক্যামেরা বিকল ছিল। রিজার্ভ থেকে ডলার চুরির সময় ব্যাংকের ডিলিং রুম বন্ধ ছিল। এতে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে যে বার্তা এসেছিল, তা পরীক্ষা করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি। 

সূত্র জানায়, এসব প্রক্রিয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের সাইবার নিরাপত্তা জোরদার না থাকার কারণে হয়েছে নাকি পরিকল্পিতভাবে হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ডিলিং রুম ও সুইফট কোড ব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের কল রেকর্ডসহ ব্যক্তিগত যোগাযোগ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তাদের স্বজনদের যোগাযোগও নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
 
তদন্তে পুলিশের চার দপ্তর : 
সার্বিক তদন্ত কাজ তদারকি করছে পুলিশ সদর দপ্তর, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), ডিএমপি ও স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি)। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর, এসবি, পিবিআই ও ডিএমপির নয় কর্মকর্তাকে নিয়ে তদন্ত সহায়ক দল গঠন করা হয়। এই দলের প্রধান করা হয়েছে পিলখানা হত্যা ও একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ আবদুল কাহার আকন্দকে। 

এ বিষয়ে সিআইডির বিশেষ সুপার মির্জা আব্দুল্লাহ-হেল বাকী বলেন, ‘তদন্ত সংশ্লিস্ট বা তদারকির ক্ষেত্রে আরো নাম যুক্ত হতে পারে, পরিবর্তনও হতে পারে।’
 
তদন্ত সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনাটিতে তিনটি ক্ষেত্র রয়েছে। একটি হলো- সাইবার ক্রাইম বা প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট। অপরটি- আর্থিক জালিয়াতি, যা মানি লন্ডারিং এর কাছাকাছি। আর তৃতীয়টি হলো- আন্তঃদেশীয় অপরাধ বা  ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম। এই তিনটি দিক বিবেচনা করে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সিআইডির তিন বিভাগের পাশাপাশি এসবি, পিবিআই, ডিবিসহ অন্য বিভাগের সহায়তার দুয়ারও উন্মক্ত রেখেছে।’

তিনি জানান, প্রতিটি তদন্ত কমিটি ও দলে অভিজ্ঞদের সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। ডিবির কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটি) বিভাগের প্রধান মনিরুল ইসলামসহ আরো কয়েকজনকে সম্পৃক্ত করা হবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। 

শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক তদন্ত : 
সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ চুরি হয়েছে বাংলাদেশের সাইবার হ্যাকড করে। এর টাকা (ডলার) গচ্ছিত ছিল যুক্তরাষ্ট্রে, যা ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কায় নেয়া হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটির সঙ্গে কয়েকটি দেশের অপরাধী রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ধরনের আন্তঃদেশীয় অপরাধ তদন্তে সংশ্লিষ্ট দেশের তদন্ত সংস্থা ছাড়াও আন্তর্জাতিক সংস্থার সতহায়তা নেয়া হয়। এরই মধ্যে তিন দেশের অর্থনৈতিক অপরাধ তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের প্রস্তুতি নিচ্ছে সিআইডি। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিআইডির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এখন আমাদের তদন্ত বাংলাদেশে ব্যাংকের বা দেশের কারা জড়িত তার ওপর ভিত্তি করে। সন্দেহভাজনদের বিভিন্ন বিষয় যাচাই চলছে। কারো ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেলে তার প্রযুক্তিগত যোগাযোগ এবং জিজ্ঞাসাবাদের সূত্রে আমরা অনেক তথ্য পাবো। তখনই আমরা আন্তর্জাতিক বা আন্তঃদেশীয় তদন্তে প্রবেশ করতে চাই। আগে নিজেদের ঘরে তল্লাশি চালাচ্ছি।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা রাকেশ আস্তানার নেতৃত্বে একটি দল পৃথকভাবে কাজ করছে। প্রয়োজনে সিআইডির তদন্ত দল বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত দলের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করবে। তবে প্রথমে নিজেরা পুরো প্রক্রিয়াটি বুঝে, যাচাই এবং তল্লাশির দিকেই নজর দিচ্ছে।’
 
প্রসঙ্গত, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ফিলিপাইনের পত্রিকা ইনকোয়ারারের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে- নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভে গচ্ছিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে প্রায় এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার হাতিয়ে নিতে চেয়েছিল হ্যাকাররা। এ প্রচেষ্টায় দুই ধাপে প্রায় ১০১ মিলিয়ন ডলার লোপাট করলেও ৮৭০ মিলিয়ন ডলার পাচারে ব্যর্থ হয় তারা। সুইফট মেসেজিং সিস্টেমে জালিয়াতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চুরি করা অর্থ ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কার ব্যাংকে স্থানান্তরিত হয়। এর মধ্যে ফিলিপাইনের অ্যাকাউন্টে নেয়া আট কোটি ডলার ক্যাসিনোর মাধ্যমে হংকংয়ে পাচার করা হয়েছে। তবে শ্রীলঙ্কার ব্যাংকের স্থানান্তরের চেষ্টা করা দুই কোটি ডলার আটকানো সম্ভব হয়েছে। 

এ খবরে দেশে-বিদেশে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। সরিয়ে দেয়া হয়েছে দুই ডেপুটি গভর্নরকের। আর এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার বিকেলে ব্যাংকের যুগ্ম-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেই মামলার পর থেকেই শুরু হয়েছে তদন্ত কাজ।

 এফ/০৭:৫৩/১৮মার্চ

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে