Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৩-১৮-২০১৬

আরও দুই জঙ্গিকে খুঁজছে পুলিশ

আরিফুল হক


আরও দুই জঙ্গিকে খুঁজছে পুলিশ

রংপুর, ১৮ মার্চ- রংপুরে জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যায় জড়িত আরও দুই জেএমবি সদস্যকে পুলিশ শনাক্ত করেছে। এই দুজনের একজনের বাড়ি কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় তিস্তা নদীর চরে। অপর ব্যক্তির বাড়ি বগুড়ায়। এ ছাড়া পঞ্চগড়ের মঠপ্রধানকে হত্যার পর যে দুটি পিস্তল উদ্ধার হয়েছে, তার একটি পিস্তল কুনিওকে হত্যায় ব্যবহৃত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

কুনিও হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ বি এম জাহিদুল ইসলাম দুজনকে শনাক্ত করার কথা নিশ্চিত করলেও তাঁদের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, গত ২১ ফেব্রুয়ারি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে মঠপ্রধানকে হত্যার পর সেখানকার পুলিশ দুটি পিস্তল উদ্ধার করেছে। যার একটি দিয়ে রংপুরে কুনিওকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, আলোচিত এই হত্যা মামলাটির রহস্য তাঁরা উন্মোচিত করতে পেরেছেন। খুব শিগগির আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে।
গত বছের ৩ অক্টোবর রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার আলুটারি গ্রামে জাপানি নাগরিক কুনিও হোশিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনার পরপর সিরিয়া-ইরাকভিত্তিক ইসলামিক স্টেট (আইএস) এই হত্যার দায় স্বীকার করে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর বের হয়। তখন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে বিএনপি-জামায়াত এতে জড়িত থাকতে পারে।

পুলিশ ঘটনার পরপর কুনিওর ব্যবসায়িক সহযোগী হুমায়ুন কবির (হিরা), রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্য রাশেদ-উন-নবী খান, মহানগর যুবদলের সদস্য রাজীব হাসান ওরফে মেরিল সুমন, রংপুর শহরের জুম্মাপাড়ার নওশাদ হোসেন ওরফে ব্ল্যাক রুবেল ও শালবন মিস্ত্রিপাড়ার কাজল চন্দ্র বর্মণ ওরফে ভরসা কাজলকে গ্রেপ্তার করে। পরে অবশ্য পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় যে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ জেএমবি কুনিও হত্যায় জড়িত।

তার আগে পুলিশ জেএমবির তিন জঙ্গি মাসুদ রানা (৩৩), খয়বর হোসেন (৩২) ও ইছাহাক আলীকে (৩৪) গ্রেপ্তার করে। যাঁদের বাড়ি পীরগাছা উপজেলায়। এঁদের মধ্যে দুজন মাসুদ রানা ও ইছাহাক আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পরে পুলিশের রংপুর রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. হুমায়ুন কবীর গণমাধ্যমকে জানান, জেএমবির কমান্ডার ইছাহাক আলী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে বলেছেন, ইছাহাক, মাসুদ রানা ও খয়বর একটি মোটরসাইকেলে করে ৩ অক্টোবর ঘটনাস্থল আলুটারি গ্রামে যান। মাসুদ রানা কুনিওকে গুলি করেন।

পুলিশ বলছে, কুনিও হত্যায় জড়িত জেএমবির একই দলের অপর সদস্যরা পরে পঞ্চগড়ে মঠপ্রধানকে হত্যা করেছেন। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এমন তথ্য মিলেছে। অবশ্য জেএমবির জঙ্গিরা গ্রেপ্তার হওয়ার আগে যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তাঁদের তিনজন এখনো কারাগারে আছেন। রাশেদ-উন-নবী খান ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে জামিনে মুক্ত আছেন।

এস/০২:৪৫/১৮ মার্চ

রংপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে