Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৩-১৭-২০১৬

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৫ জন শিক্ষক ও ১২ কর্মচারীর পদত্যাগপত্র জমা

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৫ জন শিক্ষক ও ১২ কর্মচারীর পদত্যাগপত্র জমা

সিলেট, ১৭ মার্চ- সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিভাগে চলছে শিক্ষক নিয়োগ। গত সোমবার থেকে শিক্ষক নিয়োগ চলছিল। কিন্তু গত মঙ্গলবার নিয়োগ চলাকালে শিক্ষকদের মধ্যে জটিলতা দেখা দেয়। এর জের ধরেই গতকাল বিকালে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৫ শিক্ষক ও ১২ কর্মচারী একসঙ্গে উপাচার্যের কাছে পদত্যাগপত্র জমা নিয়েছেন। এতে এই সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. গোলাম শাহি আলম। 

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে- গত সোমবার থেকে সিকৃবিতে ২৫ শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। গত মঙ্গলবার নিয়োগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বদরুল ইসলাম শোয়েবের বিরুদ্ধে নানা কুৎসা রটনা করছিলেন প্রক্টর মো. আবদুল বাছেত। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মৌখিক পরীক্ষা বোর্ড থেকে বের হওয়ার পর প্রক্টরকে পেয়ে কুৎসা রটনার কারণ জানতে চান রেজিস্ট্রার। 

এসময় প্রক্টর বাছেত রেজিস্ট্রার শোয়েবকে লাঞ্ছিত করেন। শোয়েবও চড়াও হন প্রক্টরের ওপর। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি অবস্থান নেন শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। এ নিয়ে মঙ্গলবার রাত ৩টা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে বিরাজ করে উত্তেজনা। পরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী ও সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদের হস্তক্ষেপে উভয়পক্ষ ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যান। পরে গতকাল বুধবার সকাল থেকে উভয়পক্ষ আবার ক্যাম্পাসে অবস্থান নিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রক্টর বাছেতের বহিষ্কারের দাবি জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা। এ দাবিতে তারা উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপিও দেন। 

অপরদিকে, রেজিস্ট্রার শোয়েবের অপসারণের দাবিতে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করেন শিক্ষকরা। বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় প্রক্টরের পক্ষ নিয়ে রেজিস্ট্রারের অপসারণ দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৫ শিক্ষক ও ১২ কর্মচারী উপচার্যের কাছে তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। 

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার বদরুল ইসলাম শোয়েব বলেন, ‘শিক্ষক নিয়োগে অবৈধ আবদার না রাখায় প্রক্টর বাছেত আমার উপর হামলা চালিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কর্মকর্তারা ঐক্যবদ্ধভাবে এর প্রতিবাদ করছেন।’ তবে প্রক্টর আবদুল বাছেতের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 

এদিকে, বিষয়টি সমাধানের জন্য গতকাল রাতে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান, সিলেট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ উপাচার্যের সঙ্গে বেঠকে বসেন। ওই বৈঠকে আওয়ামী লীগ নেতা ও ভিসি ছাড়াও রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, পদত্যাগকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে চার শিক্ষক রয়েছেন বলে ক্যাম্পাস সূত্র জানিয়েছে। রত ১০টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বৈঠক চলছিল। এ বিষয়ে সিকৃবির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. গোলাম শাহি আলম বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। শিগগিরই সমস্যার সমাধান করা হবে।’

এফ/১৫:৩৬/১৭মার্চ

শিক্ষা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে