Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 2.9/5 (35 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৩-১৬-২০১৬

চারটি ফেরিঘাটই ঝুঁকিপূর্ণ

চারটি ফেরিঘাটই ঝুঁকিপূর্ণ

রাজবাড়ী, ১৬ মার্চ- বালু-মাটি ধস ও ভাঙনের কারণে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ার সব কটি ফেরিঘাট ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। আসছে বর্ষা মৌসুমে ভাঙনের কবল থেকে এসব ঘাট রক্ষা নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

৬ মার্চ বিকেলে কালবৈশাখীতে ২ নম্বর ফেরিঘাটটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ের ১০ দিন পার হলেও সেটি এখনো চালু করা যায়নি। ফলে দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে গাড়ি পারাপার ব্যাহত হচ্ছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক (মেরিন) আবদুস সাত্তার বলেন, দৌলতদিয়ার চারটি ঘাটই ঝুঁকিতে রয়েছে। ২ নম্বর ঘাটটি সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। ঘাটটি মেরামত করতে বিআইডব্লিউটিএকে অনুরোধ করা হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া কার্যালয় জানায়, ১ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুনে গাড়ি ওঠানামার দুটি বড় ও একটি ছোট পথ রয়েছে। ৩ নম্বর ঘাটে দুটি বড় ও একটি ছোট এবং ৪ নম্বর ঘাটে একটি পথ রয়েছে। ৬ মার্চে ঝড়ে দৌলতদিয়ার চারটি ঘাটেরই পন্টুনসহ গ্যাংওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ঘাটে ফেরি ভেড়ানো ও গাড়ি ওঠানামা বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর তিনটি ঘাট কোনো রকমে চালু করা হলেও ২ নম্বর ঘাটের পন্টুনসহ গ্যাংওয়ের অন্তত ৫০ ফুট সড়ক এবং ছয়টি দোকান তছনছ হয়। ফলে ঘাটটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ ঘোষ বলেন, ঘাটগুলো মেরামতে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জানানো হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, ২ নম্বর ঘাটের পন্টুনসহ গ্যাংওয়ের এক পাশে উদ্ধারকারী জাহাজ রাখা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) শ্রমিকেরা কাঠ ও বাঁশ দিয়ে ঘাটের বালু-মাটি আটকানোর কাজ করছেন। শ্রমিকেরা বলেন, ঘাট চালু করতে আরও চার-পাঁচ দিন লাগবে। তবে বর্ষায় ঘাট রক্ষা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। প্রতিটি ঘাটের পন্টুন, সড়ক ও নদীর পাড় বালু-মাটিতে ভরপুর। রোববার মেরামতের কাজ শুরু হলেও সোমবার বিকেলে বাতাসে কয়েক ফুট জায়গা ধসে যায়।

বিআইডব্লিউটিসির সূত্র জানায়, এক বছর ধরে ঘাটটি লঞ্চঘাটের পাশে নেওয়ার কথা চললেও কাজ শুরু হয়নি। সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের গাফিলতিতে ঘাট স্থানান্তর হচ্ছে না। ঘাটের সড়ক ও আশপাশে বালু থাকায় পানি বা বাতাস বেশি হলেই ভাঙন দেখা দেয়। ভাঙন রোধে প্রাথমিকভাবে ঘাটে বালুভর্তি কয়েক হাজার জিও ব্যাগ ফেলতে হবে।

বিআইডব্লিউটিএ আরিচা কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী শাহ আলম বলেন, ‘বিকল্প ঘাটের রাস্তা তৈরিতে সওজ বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে। তারা কাজ শুরু করলে আমরা ঘাটের কাজ শুরু করতে পারব।’

সওজ বিভাগ রাজবাড়ীর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শাহরিয়ার রুমি বলেন, সওজের জায়গা না থাকায় নতুন ঘাট তৈরিতে চার মাস আগে জেলা প্রশাসনের কাছে জমি চাওয়া হয়েছে।

এস/২০:৪৫/১৬ মার্চ

রাজবাড়ী

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে