Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৩-১৫-২০১৬

এবার চিটাগুড় থেকে মদ নর্থবেঙ্গল চিনিকলে

এবার চিটাগুড় থেকে মদ নর্থবেঙ্গল চিনিকলে

নাটোর, ১৫ মার্চ- চারগুণ ব্যয় বৃদ্ধি করে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে নাটোর লালপুর নর্থবেঙ্গল চিনিকলে বছরে ৯০ লাখ লিটার মদ উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন(বিএসএফআইসি)। এসব মদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি করে প্রায় শতকোটি টাকা আয় করা হবে। এছাড়া চিনিকলের বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয় করে বছরে ৪০ হাজার মেট্রিক টন সাদা চিনি ও বায়োকম্পোস্ট (জৈব সার) বিক্রি করে অতিরিক্ত রাজস্ব আয় করা হবে।  

চিনিকলে নতুন করে ডিস্টিলারি স্থাপন করে চিটাগুড় থেকেই বিভিন্ন ধরনের অ্যালকোহল উৎপাদন করা হবে। যে কারণে ৭৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকার প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে ঠেকেছে ৩৭০ কোটি ৫০ লাখ টাকায়। ফলে মূল প্রকল্প থেকে প্রায় চারগুণের বেশি ব্যয় বেড়েছে। তবে মদের নাম এখনও ঠিক করা হয়নি। সবার পরামর্শে রফতানি নির্ভর করে মদের নাম নির্ধারণ করা হবে।

প্রকল্পের পরিচালক আবু বকর সিদ্দিক বলেন, নর্থবেঙ্গল চিনিকলে নতুন করে ডিস্টিলারি স্থাপন করে চিড়াগুড় থেকেই বিভিন্ন প্রকার মদ তৈরি করা হবে। প্রতি বছর প্রায় ৯০ লাখ লিটার অ্যালকোহল তৈরি করা হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানিযোগ্য অ্যালকোহল উৎপাদন করে প্রায় শতকোটি টাকা বৈদেশিক ‍মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। তবে মদের নাম এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। 

বিএসএফআইসি সূত্র জানায়, চিনিকলে সুগার রিফাইনারি স্থাপন করে আমদানিকৃত ‘র’ সুগার থেকে বছরে ৪০ হাজার মেট্রিক টন সাদা চিনি উৎপাদন করা হবে। কো-জেনারেশন পদ্ধতিতে নর্থবেঙ্গল চিনিকলে ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে মিলের নিজস্ব প্রয়োজনে ৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হবে। অবশিষ্ট ৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।   

নর্থবেঙ্গল চিনিকলে কো-জেনারেশন পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সুগার রিফাইনারি স্থাপন প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বাড়িয়ে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। প্রকল্পের মেয়াদ বেড়ে এখন ২০১৮ সালের জুন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় জীবাশ্ম জ্বালানির(ফার্নেস ওয়েল) পরিবর্তে উৎপাদিত বায়োগ্যাস বয়লার ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি সাশ্রয় করা হবে। সুগার মিলের প্রেস মাড ও ডিস্টিলারির বর্জ্য স্পেন্ট ওয়াশ ব্যবহার করে জৈবসার উৎপাদন করা হবে। এর মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ রোধ করাসহ জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম আব্দুর আজিজ বাংলানিউজকে বলেন, নর্থবেঙ্গল চিনিকলের আরও আধুনিকায়ন করা হবে। নতুন নতুন কিছু অঙ্গও সংযুক্ত করা হবে। চিনিকলে নতুন করে ডিস্টিলারি স্থাপন করে মোলাসেস (চিটাগুড়) থেকে বিভিন্ন ধরনের মদ উৎপাদন তৈরি করা হবে। এ কারণেই ৭৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকার প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে  ৩৭০ কোটি ৫০ লাখ টাকা হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে অ্যালকোহল উৎপাদনের জন্য নানা উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।

এফ/১৬:০০/১৫মার্চ

ব্যবসা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে