Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 1.3/5 (4 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৩-১৫-২০১৬

জামায়াতের বাকি দুই শীর্ষনেতা

অশোকেশ রায় ও ইলিয়াস সরকার


জামায়াতের বাকি দুই শীর্ষনেতা

ঢাকা, ১৫ মার্চ- সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে জামায়াতের ছয় শীর্ষনেতার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার চূড়ান্ত রায় শেষে যুদ্ধাপরাধীদের দলটির আপাতত বাকি রয়েছে আরও দুই শীর্ষনেতার আপিল মামলার বিচার। 

তাদের একজন হলেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম ও অপরজন হচ্ছেন নায়েবে আমির আব্দুস সুবহান। মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এ দু’জনের মামলা আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

অবশ্য বিচারিক আদালত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে জামায়াতের যে নয় শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী নেতা খালাস চেয়ে আপিল বিভাগে এসেছিলেন, তাদের মধ্যে একজন সাবেক আমির ৯০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত গোলাম আযম শুনানি শুরুর আগেই মারা যাওয়ায় তার আপিল মামলা অকার্যকর ঘোষণা করেছেন সর্বোচ্চ আদালত। একই কারণে আপিল অকার্যকর হওয়া অপরজন হচ্ছেন আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া বিএনপি নেতা সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীম।   

আবার একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সশস্ত্র বিরোধিতাকারী দলটির তালিকার শেষে থাকা দুই শীর্ষনেতার আপিলের শুনানিও আপিল দায়েরের ক্রমানুসারে শুরু হবে আরও দু’জনের পরে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ওই দু’জন হচ্ছেন- আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা জামায়াতের সাবেক রোকন মোবারক হোসেন এবং জাতীয় পার্টি নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার।      

অবশ্য আপিলের ক্রমিক অনুসারে অনেক সময় বিচার শুরু নাও হতে পারে। এখানে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তবে এ পর্যন্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের যতো মামলা আপিল বিভাগে শুনানি হয়েছে সবগুলোই আপিলের ক্রম অনুসারে হয়েছে। সে হিসেবে মোবারক হোসেনের আপিল মামলাটিই শুনানির জন্য এরপরের কার্যতালিকায় আসতে পারে।   

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর মধ্যে এ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনাল থেকে ২২টির রায় ঘোষিত হয়েছে, যেগুলোতে ২৬ যুদ্ধাপরাধীর সাজা ঘোষিত হয়েছে। এ ২২টি মামলার মধ্যে এ পর্যন্ত ১৭টি এসেছে সর্বোচ্চ আদালতে। এর মধ্যে এ পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়েছে সাতটি আপিল মামলার। অকার্যকর হওয়া দু’টি বাদে বাকি আট আপিল মামলার শুনানি শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে। 

চার যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি কার্যকর
চূড়ান্ত রায়ের ভিত্তিতে ফাঁসি কার্যকর হওয়া চার শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর মধ্যে জামায়াতেরই তিনজন। তারা হচ্ছেন- জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ এবং দুই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লা ও মোহাম্মদ কামারুজ্জামান। বাকিজন হচ্ছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের সাকা চৌধুরী।


ট্রাইব্যুনালের পর আপিলের রায়ের আলোকে একাত্তরে ‘মিরপুরের কসাই’ বলে পরিচিত আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করার মধ্য দিয়ে ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর রাতে দেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় রচিত হয়। এরপর মুক্তিযুদ্ধে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের নৃশংস যুদ্ধাপরাধের হোতা মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরে গত বছরের ১১ এপ্রিল রাতে কলঙ্কমুক্তির আরও একধাপ এগিয়ে যায় দেশ। সর্বশেষ গত বছরের ২১ নভেম্বর রাতে একসঙ্গে এক মঞ্চে ফাঁসির দড়িতে ঝোলেন কিলিং স্কোয়ার্ড আলবদর বাহিনীর দ্বিতীয় প্রধান আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের নৃশংসতম যুদ্ধাপরাধের হোতা সালাউদ্দিন কাদের সাকা চৌধুরী, যা দেশের ইতিহাসের রেকর্ড।

ফাঁসিতে ঝোলা কাদের মোল্লাকে ট্রাইব্যুনাল দিয়েছিলেন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ। এ রায়ের বিরুদ্ধে উভয়পক্ষ আপিল করলে প্রথম এ আপিল মামলাটির শুনানি শেষে সংক্ষিপ্ত রায় হয়েছিল ২০১৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, যে রায়ে সাজা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ সাজা দেন সর্বোচ্চ আদালত। এরপর ওই বছরের ০৫ ডিসেম্বর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।

তৃতীয় আপিল মামলা ছিল কামারুজ্জামানের। ট্রাইব্যুনালের দেওয়া তার ফাঁসির আদেশ ২০১৩ সালের ০৩ নভেম্বর বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। গত বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের এ রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। 

চতুর্থ আপিল মামলার রায়ে মুজাহিদকে ট্রাইব্যুনালের ফাঁসির আদেশ বহাল রাখা হয় গত বছরের ১৬ জুন। ২৯ জুলাই পঞ্চম ক্রমিকে শেষ হওয়া আপিল মামলার রায়ে বহাল থাকে সাকা চৌধুরীর সর্বোচ্চ সাজাও। এ দু’জনের আপিল মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় একই দিনে প্রকাশিত হয় গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর।

ফাঁসিকাষ্ঠে যাওয়ার আগে চারজনই চূড়ান্ত রায়ের পুনর্বিবেচনা চেয়ে রিভিউ আবেদন করেছিলেন, যেগুলো খারিজ হয়ে যায়। আর মুজাহিদ-সাকা যার যার একাত্তরের অপরাধ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে ফাঁসির দড়ি এড়ানোর সর্বশেষ সুযোগও নিয়েছিলেন। প্রাণভিক্ষার এ আবেদন নাকচ করে দেন রাষ্ট্রপতি।    

চূড়ান্ত রায় আরও তিনজনের
ঘোষিত চূড়ান্ত অন্য তিনটি রায়ের মধ্যে জামায়াতের নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পূর্ণাঙ্গ এবং আমির মতিউর রহমান নিজামী ও কর্মপরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর আপিল মামলার সংক্ষিপ্ত রায় প্রকাশ করেছেন আপিল বিভাগ।


দ্বিতীয় আপিল মামলা হিসেবে দেইল্যা রাজাকার নামে কুখ্যাত সাঈদীর মামলার শুনানি হয়। ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ কমিয়ে চূড়ান্ত রায়ে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তাকে দেওয়া হয় আমৃত্যু কারাদণ্ড। এ রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর। এরপর সর্বোচ্চ সাজা পুনর্বহালের আরজিতে রাষ্ট্রপক্ষ আর খালাস চেয়ে আসামিপক্ষ রিভিউ আবেদন জানিয়েছেন। 

অন্যদিকে আপিল বিভাগের বিচার শেষে এখন নিজামী ও মীর কাসেমের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রকাশের পর রিভিউ আবেদন খারিজ হলে তাদেরকেও চার শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর মতো ফাঁসির কাষ্ঠে যেতে হবে।

ট্রাইব্যুনালের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি বহাল রেখে ৬ষ্ঠ আপিল মামলার সংক্ষিপ্ত রায় দেওয়া হয়েছে গত ০৬ জানুয়ারি। আর সর্বশেষ গত ০৮ মার্চ সপ্তম আপিল মামলা হিসেবে মীর কাসেম আলীর চূড়ান্ত রায়েও ট্রাইব্যুনালের দেওয়া সর্বোচ্চ সাজা বহাল রয়েছে। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর তারাও রিভিউ আবেদন এবং তা খারিজ হলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার সুযোগ পাবেন। 

শুনানির অপেক্ষায় যে আট আপিল মামলা
সর্বশেষ মীর কাসেম আলীর চূড়ান্ত রায় ঘোষণার পর ক্রমিক অনুসারে এখন ০৮ নম্বরে আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা জামায়াতের সাবেক রোকন মোবারক হোসেন এবং তার পরে ০৯ নম্বরে জাতীয় পার্টি নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের আপিল শুনানি শুরু হতে পারে। এরপর ১০ নম্বরে আসবে এটিএম আজহারুল ইসলামের মামলা। তারপরেই ১১ নম্বরে রয়েছেন আব্দুস সুবহান।


মোবারক হোসেনকে ২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। এ রায়ের বিরুদ্ধে ওই বছরের ১৮ ডিসেম্বর আপিল করেন তিনি। কায়সারকে ২০১৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। এ রায়ের বিরুদ্ধে গত বছরের ১৯ জানুয়ারি আপিল করেন তিনি।

এটিএম আজহারকে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। এ রায়ের বিরুদ্ধে গত বছরের ২৮ জানুয়ারি আপিল করেন তিনি। আব্দুস সুবহানকে গত বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন ট্রাইব্যুনাল-২। রায়ের বিরুদ্ধে ১৮ মার্চ আপিল করেন তিনি।

এরপর তালিকার ১২ নম্বরে আসবেন ট্রাইব্যুনাল থেকে বয়স ও শারীরিক-মানসিক অক্ষমতার কারণে সর্বোচ্চ শাস্তির বদলে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য পলাতক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল জব্বার। গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি এ সাজা দেন ট্রাইব্যুনাল-১। পলাতক থাকায় তিনি আপিল না করলেও তার সর্বোচ্চ সাজার আরজি জানিয়ে আপিল করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ। 

ট্রাইব্যুনাল-২ এর রায়ে গত বছরের ২০ মে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ পান অন্য একটি মামলায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের মাহিদুর রহমান ও আফসার হোসেন চুটু। ১৩ নম্বর ক্রমিকে থাকবে তাদের আপিল মামলা। 


অপর একটি মামলায় গত বছরের ১১ আগস্ট বাগেরহাটের রাজাকার কমান্ডার সিরাজুল হক সিরাজ মাস্টারকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ ও আকরাম হোসেন খাঁনকে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল-১। এ মামলাটির আসামি আব্দুল লতিফ তালুকদার মারা যাওয়ায় তাকে বাদ দিয়ে বাকি দুই আসামির রায় ঘোষণা করা হয়েছে। ১৪ নম্বরে শুনানি হবে এ দু’জনের আপিল মামলার। 

সর্বশেষ রায়ে গত ০২ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনার রাজাকার কমান্ডার মো. ওবায়দুল হক তাহের ও রাজাকার আতাউর রহমান ননীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল-১। ১৫ নম্বর তালিকাভুক্ত হবে তাদের আপিল মামলা। 

দণ্ড ভোগরত অবস্থায় স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করায় আপিল অকার্যকর হয়ে গেছে যুদ্ধাপরাধের মাস্টারমাইন্ড গোলাম আযম ছাড়াও বিএনপি নেতা সাবেক মন্ত্রী আব্দুল  আলীমের। ট্রাইব্যুনাল থেকে বয়স ও শারীরিক-মানসিক অক্ষমতার কারণে সর্বোচ্চ শাস্তির বদলে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ পান বিএনপির সাবেক নেতা সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত আব্দুল আলীম। আর গোলাম আযমকে বয়স বিবেচনায় সর্বোচ্চ শাস্তির বদলে দেওয়া হয়েছিল ৯০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ।

২০১৪ সালের ৩০ আগস্ট মারা যাওয়ায় ১৬ সেপ্টেম্বর আলীম এবং ২০১৪ সালের ২৩ অক্টোবর মারা যাওয়ায় গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি গোলাম আযমের আপিল মামলা অকার্যকর ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ।

এদিকে বিচার চলাকালে ২০১৪ সালের ০৯ ফেব্রুয়ারি মারা যাওয়ার কারণে মুক্তিযুদ্ধকালে রাজাকার বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা একেএম ইউসুফের বিরুদ্ধে মামলা ১২ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ঘোষণা করে নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল-২। জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমির ছিলেন তিনি।

আপিল করেননি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছয়জন 
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের রাজাকার ফোরকান মল্লিক আর্থিক অসঙ্গতি দেখিয়ে আপিল করেননি। অন্য চারটি মামলায় একই দণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামি জামায়াত নেতা বুদ্ধিজীবী হত্যার দুই ঘাতক আশরাফুজ্জামান খান ও চৌধুরী মাঈনুদ্দিন, জামায়াতের সাবেক রোকন (সদস্য) আবুল কালাম আজাদ বাচ্চু রাজাকার, ফরিদপুরের নগরকান্দা পৌরসভার বহিষ্কৃত মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি জাহিদ হোসেন খোকন রাজাকার এবং কিশোরগঞ্জের তাড়াইল থানার রাজাকার কমান্ডার সৈয়দ মো. হাসান আলী ওরফে হাছেন আলী পলাতক থাকায় আপিল করেননি।


একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫ মার্চ তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, আইনজীবী প্যানেল এবং তদন্ত সংস্থা গঠন করা হয়। মামলার সংখ্যা বাড়ায় এবং বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তিন সদস্যের দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ২০১২ সালের ২২ মার্চ। 

এ পর্যন্ত ঘোষিত ২২ মামলার মধ্যে ১১ মামলার রায়ে ১৩ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল-২ আর ১১ মামলায় ১৩ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল-১। তবে দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল আপাতত নিষ্ক্রিয় রয়েছেন এবং ট্রাইব্যুনাল-১ মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। 

এফ/০৮:১৭/১৫মার্চ

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে