Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.5/5 (4 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৩-১৪-২০১৬

১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র তেনেগার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে অনুমোদন

১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র তেনেগার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে অনুমোদন

ঢাকা, ১৪ মার্চ- মালেশিয়ার কোম্পানি তেনেগা ন্যাশনাল বারহেডের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কয়লাচালিত ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রী পর্যায়ের পরামর্শক কমিটি । তবে চায়না হুদিয়ান হংকং (সিএইচডিএইচকে) এর সঙ্গে একই ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে স্বাক্ষরিতব্য যৌথ মূলধনী চুক্তি (জেভিএ) আরো পর্যালোচনা করতে বলা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সভাপতিত্বে রোববার অর্থমন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।
 
উল্লেখ্য, গ্যাস স্বল্পতায় সরকার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দিকে বেশি ঝুঁকছে। ২০৩০ সাল পর্যন্ত গৃহীত বিদ্যুৎ খাতের মহাপরিকল্পনা অনুসারে ২১ হাজার ৭৮৫ মেগাওয়াটের ২৪টি কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানি সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ১০ হাজার ১৭০ মেগাওয়াটের ৯টি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলমান আছে।
 
এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে পরামর্শ দিতে অর্থমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে মন্ত্রী পর্যায়ের পরামর্শক কমিটি গঠন করা হয়। আজকের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান এবং বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
 
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র জানায়, বাগেরহাটের রামপালে ভারতের সঙ্গে প্রথম একটি এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। প্রথমে দুদেশের সরকার বিদ্যুৎ খাতে সহায়তা বৃদ্ধির জন্য একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করে। পরবর্তীতে দেশেটির সরকারি কোম্পানি এনটিপিসি’র সঙ্গে পিডিবি’র এমওইউ হয়। ওই এমওইউ’র ভিত্তিতে পরবর্তীতে একটি যৌথ মূলধনী কোম্পানি গঠন করা হয়েছে, যাতে দুই কোম্পানির অংশিদারিত্ব সমান। প্রকল্পে ৩০ ভাগ অর্থ দুই দেশ বিনিয়োগ করছে। বাকি অর্থ ঋণ নেয়া হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় এখন চীন, হংকং, সিঙ্গাপুরের সঙ্গে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে।

মালেশিয়ার তেনেগার সঙ্গেও একই প্রক্রিয়ায় চুক্তি হচ্ছে। কিন্তু চীনের সিএইচডিএইচকে যৌথ মূলধনী কোম্পানিতে ৫১ শতাংশ মালিকানা চাইছে অর্থাৎ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে সিএইচডিকে এর প্রতিনিধি বেশি থাকবে। এর ফলে সব ক্ষেত্রেই সিদ্ধান্ত নিতে প্রভাবিত করতে পারবে চীনা কোম্পানি।

এ বিষয়ে দ্বিমত করেছে মন্ত্রিসভা কমিটি। বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, সিএইচডিকে এর সঙ্গে জিভিএ পর্যালোচনা করতে বলা হয়েছে। প্রকল্প করতে হলে সমান অংশিদারিত্ব দিতে হবে। নয়তো এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে না।
 
উল্লেখ্য, বিদ্যুৎখাতে সহযোগিতার জন্য চীনের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ২০১২ সালের নভেম্বরে একটি জিটুজি এমওইউ হয়। পিডিবি ও সিএইচডিএইচকে’র মধ্যে ২০১৪ সালের এপ্রিলে একটি এমওইউ স্বাক্ষর হয়। এরপর যৌথ মূলধনী কোম্পানি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
 
অপরদিকে মালয়েশিয়ার সঙ্গে জিটুজি এমওইউ চুক্তি হয় ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে। একই তারিখে তেনেগা ও পিডিবি’র মধ্যে এমওইউ চুক্তি সই হয়। এরপর যৌথ মূলধনী কোম্পানি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ কেন্দ্রটি চট্টগ্রামের মহেশখালীতে নির্মাণ করা হতে পারে।

এস/০২:২৫/১৪ মার্চ

ব্যবসা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে