Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৩-১২-২০১৬

জেনে নিন হাই তোলার বিচিত্র কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা!

জেনে নিন হাই তোলার বিচিত্র কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা!

সাধারণত হাই তোলাকে উদ্যমহীনতা, একঘেয়েমি ও ক্লান্তির লক্ষণ বলে মনে করা হয়। এর ছোঁয়াচে প্রকৃতির জন্য সামাজিক কোন স্থানে হাই তুললে ভ্রুকুঞ্চিত করা হয়। কখনো কি ভেবে দেখেছেন যে হাই তোলা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি হতে পারে? হাই তোলা আপনার সাধারণ স্বাস্থ্য ও মস্তিষ্কের জন্য আসলেই উপকারী। আসুন তাহলে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে মধ্যমমানের হাই তোলার উপকারিতা গুলো জেনে নেই যা আপনাকে চমৎকৃত করবে।

১। মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে
গবেষকেরা দেখেছেন যে, হামি দেওয়া বা হাই তোলা মস্তিষ্কের উত্তেজনা প্রশমন করে মস্তিষ্ককে শিথিল করার পাশাপাশি মানসিক দক্ষতাও বৃদ্ধি করে। গবেষকেদের পরামর্শ হচ্ছে হাই তোলা স্নায়ু তন্ত্রের উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে ঠিক যেমন কাজ করে ক্যাফেইন।

২। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে
প্রিন্সটন ও অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, যখন মস্তিষ্ক অনেক বেশি গরম হয়ে যেতে থাকে তখন হাই তোলা প্রাকৃতিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে। এজন্যই শীতের তুলনায় গ্রীষ্মকালে মানুষ বেশি হাই তুলে। তাই কাজের সময় হাই তোলা ভালো।   
  
৩। কানের অস্বস্তি দূর করে  
এ্যারোপ্লেন বা এলিভেটরের উচ্চতায় অনেকের কানে ব্যথা, অস্বস্তি ও শ্রবণের সমস্যা হতে পারে, আর এই সমস্যা উপশম হতে পারে হাই তোলার মাধ্যমে। গবেষকেরা বলেন, উচ্চতার দ্রুত পরিবর্তনের সময় হাই তোলা কানের প্রতিরক্ষা প্রতিবিম্ব হিসেবে কাজ করে। কানের বায়ুর চাপের সমতা রক্ষায় সাহায্য করে হাই তোলা।

৪। মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সঞ্চালন বৃদ্ধি করে  
হাই তুললে শরীরে অনেক বেশি অক্সিজেন প্রবেশ করে। যখন আপনি হাই তুলেন তখন ফুসফুসে অক্সিজেন প্রবেশ করে এবং ফুসফুস থেকে খারাপ বায়ু বা কার্বন ডাই অক্সাইড বের হয়ে যায়। এর ফলে মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়।

৫। চোখকে পিচ্ছিল করে  
হাই তুললে চোখের পাশের অশ্রুগ্রন্থি গুলোর উপর চাপ পরে ফলে অক্ষিগোলক অশ্রুসিক্ত হয়ে পরিষ্কার হয় এবং দৃষ্টি শক্তি স্বচ্ছ হয়।

৬। মাংসপেশিকে প্রসারিত করে
হাই তুললে মুখের ও বুকের মাংসপেশি এবং কানের পর্দা প্রসারিত হয়। কানের পর্দা বা কর্ণপটহ প্রসারিত হলে শ্রবণশক্তি বৃদ্ধি পায়।

৭। সুখানুভূতি সৃষ্টি করে
হাই তুললে ডোপামিন ও অক্সিটোসিন এর স্তর বৃদ্ধি পায় ফলে আনন্দ ও সুখানুভূতি সৃষ্টি হয়। হাই তোলার ফলে মিরর নিউরন উদ্দীপিত হয় যা আপনাকে অন্য ব্যক্তির আচরণ বা মানসিক অবস্থা প্রতিফলিত বা অনুকরণ করতে উদ্বুদ্ধ করে। এ জন্যই হাই তোলা সংক্রামক হয়। “হিল ইউর মাইন্ড, রিওয়াইর ইউর ব্রেইন” গ্রন্থটির রচয়িতা, থেরাপিস্ট এবং শিক্ষক পেট লিন্ড কাইলি বলেন, “হাই তোলা আমাদের শিথিল হতে সাহায্য করে”। তিনি আরো বলেন, “এটি আমাদের মুডের উন্নতি ঘটায়,এটি ভালো জিনিস এবং এটি বিনামূল্যে পাওয়া যায়”।

লিখেছেন- সাবেরা খাতুন

এফ/০৮:৪৪/১২মার্চ

জানা-অজানা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে