Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৩-১২-২০১৬

আলুর ফলন ও দাম ভালো, চাষিরা খুশি

আলুর ফলন ও দাম ভালো, চাষিরা খুশি

রংপুর, ১২ মার্চ- কয়েক বছর ধরে আলুর আবাদ করে রংপুরের তারাগঞ্জের চাষিদের লোকসান হলেও এবার লাভের মুখ দেখায় তাঁরা খুশি। আলুর ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় অনেক কৃষক হিমাগারে আলু সংরক্ষণ না করে খেত থেকেই বিক্রি করছেন। এদিকে হিমাগারের মালিকেরা বিপাকে পড়েছেন। তাঁরা হিমাগারের আলু সংরক্ষণের আগে কৃষকদের বস্তাপ্রতি ৬০০ টাকা ঋণ দিচ্ছেন।

আলুচাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক বছর ধরে আলু চাষ করে চাষিদের লোকসান গুনতে হয়েছে। কিন্তু এবার বাজারে আলুর দাম তুলনামূলক বেশি। গত মৌসুমে তারাগঞ্জে প্রতি কেজি গ্রানুলা (সাদা) জাতের আলু পাইকারি বাজারে দু-তিন টাকা, কার্ডিনাল (লাল) জাতের পাঁচ-ছয় টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। চলতি মৌসুমে খেতেই প্রতি কেজি গ্রানুলা জাতের আলু সাত-আট টাকা, কার্ডিনাল জাতের আলু ১০-১১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম ভালো পেয়ে কৃষকেরা আলু হিমাগারে সংরক্ষণ না করে খেতেই পাইকারদের কাছে বিক্রি করছেন। হিমাগার খালি পড়ে থাকার আশঙ্কায় হিমাগার কর্তৃপক্ষ আলুচাষিদের পেছনে ধরনা দিচ্ছেন। তাঁরা ভাড়া কম নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বস্তাপ্রতি আগাম ৬০০ টাকা করে ঋণ দিচ্ছেন।

খামার কাচনা গ্রামের কৃষক শ্যামল চন্দ্র বলেন, দুই বছর আগে ৩৩ হাজার টাকা খরচ করে ৬০ শতাংশ জমিতে সাদা জাতের আলু পান ৬০ বস্তা। বেশি দাম পাওয়ার আশায় তিনি সেই আলু হিমাগারে বস্তাপ্রতি ৩২০ টাকায় ভাড়ায় রাখেন। কিন্তু আলুর বাজারে ধস নামায় তিনি হিমাগার থেকে ওই আলু উত্তোলন করেননি। পরে হিমাগারের মালিক তিন টাকা কেজি দরে তাঁর আলু বিক্রি করে ভাড়ার টাকা কেটে নেন। তাই এ বছর তিনি জমিতেই প্রতি বস্তা লাল জাতের কার্ডিনাল আলু ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছেন। 

তেলীপাড়া গ্রামের আলুচাষি আমছারুল ইসলাম বলেন, ‘দুই বছর আগে হিমাগারে আলু রাখার সুযোগ না পেয়ে তিনি তাঁর উৎপাদিত আলু লোকসানে বিক্রি করেন। এ কারণে গত বছর তিনি আলুর চাষ করেননি। এবার দুই একরে কার্ডিনাল জাতের আলুর চাষ করেছেন। ফলনও ভালো হয়েছে। সেই আলু হিমাগারের সংরক্ষণের জন্য এ বছর উল্টো হিমাগারের মালিকেরাই তাঁর পেছনে ঘুরছেন। প্রতি বস্তায় ৬০০ টাকা করে ঋণও দিতে চাচ্ছেন।’
সিনহা হিমাগারের ব্যবস্থাপক দুলাল হোসেন বলেন, ‘আগে চাষিরা আসতেন আমার কাছে আগাম স্লিপ নেওয়ার জন্য। এবার আমরা যাচ্ছি চাষিদের কাছে, যাতে তাঁরা আলু হিমাগারে রাখেন। গত বছরের চেয়ে এবার বস্তাপ্রতি ৪০ টাকা হিমাগারভাড়া কম ধরা হয়েছে।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, চলতি মৌসুমে ৩ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। গত মৌসুমে ভালো দাম না পেলেও এবার চাষিরা আলুর দাম ভালো পাচ্ছেন।

এস/০২:০০/১২ মার্চ

রংপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে