Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 1.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৩-১০-২০১৬

‘শিশুদের কিডনি রোগ, শুরুতেই প্রতিরোধ’

‘শিশুদের কিডনি রোগ, শুরুতেই প্রতিরোধ’

আজ (১০ মার্চ) বিশ্ব কিডনি দিবস। প্রতিবছর মার্চ মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার দিবসটি পালন করা হয়। এ বছর কিডনি দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘শিশুদের কিডনি রোগ, শুরুতেই প্রতিরোধ’। সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে দিবসটি।

২০০৬ সাল থেকে প্রতিবছর মার্চের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার বিশ্ব কিডনি দিবস পালন করা হচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব নেফ্রোলজি এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব কিডনি ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে বিশ্বব্যাপী কিডনি দিবস পালিত হয়ে আসছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, কিডনি রোগের ব্যাপকতা, ভয়াবহতা এবং প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা।

শিশুদের কিডনি রোগ প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞরা জানান, জন্মগত এবং জন্মের পর শিশুদের এমন কিছু কিডনিজনিত রোগ হতে পারে যেগুলো প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা ও প্রতিরোধ করা সম্ভব। শিশুদের ক্ষেত্রে জন্মগত ত্রুটি, ইনফেকশন, নেফ্রাইটিস, ভেজাল খাবার, খাবারে রাসায়নিক দ্রব্য মেশানো এমনকি বংশগত কারণে কিডনি বিকল হতে পারে। 

শিশুদের ডায়রিয়া, ডিহাইড্রেশন, আগুনে পোড়া, খোসপাঁচড়া, টনসিলের প্রদাহ, রক্তক্ষরণ এবং দুর্ঘটনার কারণে আকস্মিকভাবে কিডনি বিকল হতে পারে।

ইন্টান্যাশনাল সোসাইটি অব নেফ্রোলজি ২০২৫ সালের মধ্যে আকস্মিক কিডনি বিকলের কারনে মৃত্যুর হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, আকস্মিক কিডনি বিকল রোগ শুরুতেই প্রতিরোধ করতে না পারলে ভবিষ্যতে এ রোগ ক্রনিক কিডনি ডিজিজে রূপ নিতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, বয়স্কদের ক্ষেত্রে নেফ্রাইটিস, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের কারণে কিডনিজনিত রোগ হতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেফ্রোলজি বিভাগের প্রধান এবং কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক নিজামুদ্দিন চৌধুরী জানান, শতকরা ৮৫ ভাগ ক্ষেত্রে কিডনির কর্মক্ষমতা নষ্ট না হওয়া পর্যন্ত রোগীরা বুঝতেই পারে না যে, তিনি কিডনিজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

ক্রনিক কিডনি ডিজিজের ক্ষেত্রে সপ্তাহে দুই-তিন বার এবং প্রতিবারে চার ঘণ্টা করে ডায়ালাইসিস করতে হয়। এ ছাড়া স্থায়ী কিডনি বিকল রোগীদের জন্য একমাত্র চিকিৎসা হচ্ছে কিডনি প্রতিস্থাপন বা সংযোজন। ডায়ালাইসিস ও কিডনি প্রতিস্থাপন উভয় চিকিৎসাই অত্যন্ত ব্যয়বহুল। একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশে শতকরা ৯০ থেকে ৯৩ ভাগ রোগী চিকিৎসা চালিয়ে যেতে অক্ষম।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের নেফ্রোলজি বিভাগে অধ্যাপক আসিয়া খানম বাংলামেইলকে বলেছেন, ‘সরকারি হাসপাতালগুলোতে তুলনামূলক কম মূল্যে ডায়ালাইসিস দেয়া হলেও সে সুযোগ সীমিত। অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই ডায়ালাইসিস শুরু করার পর অর্থাভাবে তা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না।’

এফ/১১:০৩০/১০মার্চ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে