Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.1/5 (16 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৩-১০-২০১৬

ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা, শিক্ষকের কারাদণ্ড

ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা, শিক্ষকের কারাদণ্ড

পাবনা, ১০ মার্চ- পাবনার চাটমোহর উপজেলায় স্কুলছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টার অপরাধে গতকাল বুধবার রফিকুল ইসলাম নামের এক স্কুলশিক্ষককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পাশাপাশি তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। 

স্থানীয় বাসিন্দা ও ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্কুলশিক্ষক রফিকুল ইসলাম (৪০) শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতেন। গত মঙ্গলবার ক্লাস চলাকালে তিনি এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। মেয়েটি ঘটনাটি তার পরিবার ও স্কুলের সহপাঠীদের জানায়। এতে গতকাল বুধবার সকাল থেকেই বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে স্কুলের শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা। তাঁরা বিষয়টি জানিয়ে প্রধান শিক্ষক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। এতে কাজ না হওয়ায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা ওই শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো এলাকার মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে স্কুলের অন্য শিক্ষকেরা ওই শিক্ষককে স্কুলের একটি কক্ষে আটক করেন। খবর পেয়ে চাটমোহর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান পুলিশ নিয়ে সেখানে যান। তিনি অভিযুক্ত শিক্ষককে শাস্তির আশ্বাস দিলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শান্ত হন। 

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান বলেন, এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। 

ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, তিনি ছুটিতে ছিলেন। স্কুলে এসে বিষয়টি জানতে পারেন। এলাকাবাসীর বিক্ষোভের মুখে একপর্যায়ে স্কুল ছুটি দিয়ে তিনি ইউএনওকে বিষয়টি জানান। পরে ইউএনও এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের শাস্তি ছাড়াও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভায় সাজাপ্রাপ্ত শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। 
২০০৫ সালে একই ধরনের একটি ঘটনায় রফিকুল ইসলামকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছিল বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি। পরে আবার তাঁকে স্বপদে বহাল করা হয়েছিল।

এস/০২:১০/১০ মার্চ

পাবনা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে