Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৩-০৯-২০১৬

তাইওয়ানের মার্বেল পাহাড়

তাইওয়ানের মার্বেল পাহাড়

তাইওয়ানের মনোমুগ্ধকর উদ্যান তারকো জর্জ। দেশ বিদেশের বিভিন্ন পর্যটকদের আকর্ষণের অন্যতম জায়গা হিসেবে উদ্যানটি ইতোমধ্যেই বেশ পরিচিত। প্রতিবছর প্রায় সহস্রাধিক পর্যটকের সমাগম হয় উদ্যানটিকে ঘিরে। ১৯ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে স্থাপিত উদ্যানটি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হলো উদ্যানের ভেতরে অবস্থিত মার্বেল পাহাড়গুলো। এক একটি পাহাড় উচ্চতায় প্রায় এক’শ মিটার। মার্বেল পাহাড়ের গায়ে যে পাথর দেখা যায় সেগুলো সবই মার্বেল পাথর। তাই পাহাড়গুলো মার্বেল পাহাড় নামে সবার কাছে বেশি পারিচিত। মূলত এই মার্বেল পাহাড়গুলোকে ঘিরেই উদ্যানটি গড়ে উঠেছে। বলা হয়ে থাকে, তাইওয়ানের এই উপকূলীয় অঞ্চলটিতে তারকো নামের আদিবাসীগোষ্ঠী বসবাস করতো। তাদের নাম অনুসারে এই পার্কটিকে তারকো নাম দেয়া হয়েছে।


তাইওয়ান সরকার ১৯৮৬ সালে এই জায়গাটিকে তাইওয়ানের জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে। আর এ জন্য আশে পাশে ৯২০ বর্গ কিলোমিটার জায়গা বরাদ্দ করা হয়েছে। উদ্যানটি তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলীয় দ্বীপে অবস্থিত যা তাইপের সঙ্গে সেন্ট্রাল ক্রস আইল্যান্ডকে যুক্ত করেছে। তবে ক্রস আইল্যান্ডের এই রাস্তাটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক রাস্তার একটি বলে অভিহিত করা হয়। এই আইল্যান্ডের প্রত্যেকটি রাস্তাই পাহাড়ের গা ঘেষে তৈরি করা হয়েছে ফলে যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে।


উদ্যানটির ভেতরে প্রবেশের মুখেই পড়বে ছোট ছোট ব্রিজ। ব্রিজ দিয়ে একটি পাহাড় থেকে আর একটি পাহাড়ে সহজে পার হওয়া যায়। এছাড়াও ছোট জলাশয়, আঁকাবাঁকা রাস্তা এই উদ্যানটির পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। তাইওয়ানের প্রায় এক’শটির মতো পাহাড় রয়েছে যার মধ্যে ২৭ টি এই তারকো জাতীয় উদ্যানে অবস্থিত। অধিকতর উঁচু পাহাড়ের উদ্যান হিসেবেও তারকো সবার কাছে বেশ সুপরিচিত।


এর মধ্যে নানহু নামের পাহাড়টি উচ্চতায় তিন হাজার সাত’শ বিয়াল্লিশ মিটার উঁচু। তাইওয়ানের এই পাহাড়টি উচ্চতার দিক থেকে চতুর্থতম। পাহাড়টির চারপাশে বাঁশ দিয়ে এমনভাবে জড়ানো, দূর থেকে দেখলে মনে হবে গোটা পাহাড়টিই যেন বাঁশের চাদরে মোড়া। তবে শুধুমাত্র প্রকৃতির জন্য পর্যটকরা এখানে ছুটে আসে এটা বললে কিছুটা ভুল হবে। পর্বতের উপরে খুব ছোট পরিসরে গড়ে তোলা হয়েছে একটি আশ্রয় কেন্দ্র। সেখানে প্রায় ২২৬ জনের মতো কর্মী কাজ করে। আশ্রম ভবনটির উঁচুতে একটি ঘন্টা লাগানো আছে। ঘন্টা বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে সবাই বুদ্ধের সামনে প্রার্থনায় বসে। এছাড়াও এই উদ্যানটিতে বিভিন্ন রকম পশুপাখিরও সন্ধান পাওয়া যায়। এসব পশুপাখির মধ্যে কালো ভাল্লুক উল্লেখযোগ্য।

আর/১০:০৯/০৯ মার্চ

পর্যটন

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে