Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English
» নাসিরপুরের আস্তানায় ৭-৮ জঙ্গির ছিন্নভিন্ন মরদেহ **** ইমার্জিং কাপে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ       

গড় রেটিং: 3.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৩-০৪-২০১৬

বাজেট হবে ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা

বাজেট হবে ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা

ঢাকা, ০৪ মার্চ- আগামী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার তিন লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। যা চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে ১২ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া মোট দেশজ উত্পাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধি সাত শতাংশের ওপরে প্রাক্কলন করা হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

গতকাল রাজধানীর শেরে বাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে দেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরের বাজেটে নতুন একটি বিষয় সংযোজন করা হবে। আর সেটি হলো বড় বড় প্রকল্পগুলোর জন্য আলাদা তহবিল গঠন করা হবে। যাতে সেখান থেকে দ্রুত অর্থ ছাড় করা যায়। আর সে অর্থছাড় দেখভাল করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। অবশ্য মন্ত্রী স্বীকার করেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস পর্যন্ত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি বাস্তবায়নের যে হার, তা বিগত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এটি খুবই হতাশাজনক।

প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইকোনমিক রিসার্চ গ্রুপের (ইআরজি) গভর্নিং বর্ডির প্রধান ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদ জহির, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক কে এ এস মুরশিদ, গবেষক নাজনীন আহমেদসহ অন্যরা। এ ছাড়া অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন, পরিকল্পনাসচিব তারিক উল ইসলাম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আগামী অর্থবছরের প্রাক-বাজেট নিয়ে এটিই প্রথম বৈঠক। এরপর ধাপে ধাপে ব্যবসায়ীদের সংগঠন, অংশীজন, সংসদীয় কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বসবেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, ‘আমরা যখন ২০০৯ সালে সরকার গঠন করি, তখন দেশের বাজেটের আকার ছিল ৯০ হাজার কোটি টাকা। ছয় বছরের ব্যবধানে সেই বাজেটের আকার আগামী বছর বেড়ে দাঁড়াবে তিন লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা’। বাংলাদেশে বেশ কিছু খাতে বড় ধরনের রূপান্তর আসছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব পরিবর্তন বা রূপান্তরের জন্য বড় বড় বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সহজ শর্তে ঋণ পাওয়া যাবে না। অপেক্ষাকৃত কঠিন শর্তের ঋণ নিয়েই বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়নের যাতে কোনো সংকট তৈরি না হয় সে জন্য আগামী বাজেটে আলাদা একটি তহবিল গঠন করা হবে। ওই তহবিল থেকে বড় প্রকল্পে অর্থায়ন জোগান দেওয়া হবে।

অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ অর্থমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে আপনি আলাদা তহবিল গঠন করবেন, সেটি ভালো কথা। কিন্ত সে প্রকল্প কবে শেষ হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে। কারণ দেশের বাস্তবায়ন দক্ষতা অত্যন্ত দুর্বল। তাই বিস্তারিত সমীক্ষা করে প্রকল্প নিতে অর্থমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ইআরজির নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদ জহির বলেন, ‘মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির নামে দেশ থেকে টাকা পাচার হচ্ছে বলে বিভিন্ন জায়গা থেকে জানা যাচ্ছে। কিন্তু সরকার এ বিষয়ে কোনো অনুসন্ধান করছে না। আসলে দেশ থেকে টাকা পাচার হচ্ছে কি না বা হলে কী পরিমাণ অর্থ পাচার হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা দরকার।’

বিআইডিএসের মহাপরিচালক কে এ এস মুরশিদ বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক ও উচ্চশিক্ষা যথেষ্ট দুর্বল। এ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি।’ অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গত কয়েক বছর ধরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে। আগামী বাজেটেও সেসব খাতে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে