Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০২-২১-২০১৬

বেড়াতে যাবেন মহাকাশে?

বেড়াতে যাবেন মহাকাশে?

মহাকাশে ভ্রমণে যাওয়া রীতিমতো ব্যয় বহুল। আর তাইতো অটেল পয়সার মালিক হলে মহাকাশে ভ্রমণে যাওয়া সম্ভব। ভার্জিন আটলান্টিক তার নতুন বাণিজ্যিক স্পেসশিপ উদ্বোধন করলো দু'দিন আগে। মহাকাশে অভিযাত্রা একটি সময় ছিলো শুধু কয়েকটি দেশের জাতীয় গর্বের বিষয়। আর মহাকাশে যাওয়ার সৌভাগ্য জুটতো শুধু নভোচারীদের। কিন্তু হয়তো শিগিগিরই সৌভাগ্য হতে পারে সাধারণ কোন মানুষের। সেই ভবিষ্যতের দিকে একটু একটু করে এগুচ্ছে পৃথিবী। আর সে নিয়ে ইদানিং বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতায় নেমেছে বেশ কয়েকটি কোম্পানি।


কিভাবে চলছে মহাকাশে পর্যটনের প্রতিযোগিতা? দেখতে খানিকটা ছোট প্রাইভেট জেটের মতো। একটা গাড়ি দিয়ে তাকে মঞ্চে টেনে আনা হচ্ছে। গাড়িতে রয়েছেন ভার্জিন গ্যালাকটিকের মালিক স্যার রিচার্ড ব্র্যানসন। নিজের কোম্পানির তৈরি নতুন স্পেসশীপ VSS ইউনিটি কে বিশ্বের সামনে প্রথমবারের মতো উপস্থাপন করলেন তিনি।বাণিজ্যিকভাবে তারার দেশে মহাকাশযান পাঠানোর কাজের শুরুটা অবশ্য অতটা সহজ ছিলো না ভার্জিন গ্যালাকটিকের জন্য।


দু'বছর আগে পরীক্ষামূলক যাত্রার সময় মরুভুমিতে বিধ্বস্ত হয়েছিলো স্পেস শিপটির আগের ভার্সন এন্টারপ্রাইজ। নিহত হয়েছিলো তার পাইলট। কিন্তু তাতে থেমে যাননি স্যার রিচার্ড ব্র্যানসন।

‘১৫ মাস আগে আমরা যে বিপত্তির সম্মুখীন হয়েছিলাম তাতে আমরা অনেকটাই পিছিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু ঘটনার পরদিন থেকেই সবাই আবার নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেছিলো। এই মহাকাশযানটিকে তৈরি করতে তারা দিন রাত্রি অবিরাম কাজ করেছে। যার ফল হলো আমরা VSS ইউনিটিকে তৈরি করতে পারলাম’। পৃথিবী থেকে ১০০ কিলোমিটার ওপরে যাত্রার ক্ষমতা দিয়ে বানানো হয়েছে ইউনিটি। এর যাত্রী ধারণ ক্ষমতা মোটে ছয়জন।


অন্য মহাকাশযান সরাসরি ভূমি থেকেই যাত্রা শুরু করে। কিন্তু ইউনিটিকে মহাকাশ পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে আসবে অন্য আর একটি বাহন যাকে বলা হচ্ছে মাদারশিপ। তা সে যেমন করেই হোক মহাকাশে বেড়াতে যাওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই টিকিট কিনেছেন কয়েকজন। ব্যাপক ধৈর্য্য ধরে তাদের অপেক্ষাও করতে হচ্ছে।

সবচেয়ে প্রথম দিকে যারা টিকেট কিনেছেন নরফোকের রিচার্ড বার তাদের একজন। তিনি বলেন,‘আমি ১০ বছর আগে টিকেট কিনেছি। যার দাম ছিলো ২ লাখ ডলার। আশা করি হয়ত আগামী দু'বছরের মধ্যে অন্তত আমার আশা পূরণ হবে। তবে যদি আরো অপেক্ষা করতে হয় তাতেও আমার দু:খ নেই। কারণ এমন অসাধারণ কিছু করার সুযোগ যে কোনদিন মিলবে সেটাই তো কোনদিন ভাবতে পারিনি’।

ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল এয়ার এ্যন্ড স্পেস মিউজিয়ামের কর্মকর্তা ভ্যালারি নিইল, মহাকাশযাত্রার নতুন ধাপকে স্পেস ট্যুরিজম বলে বর্ণনা করলেন। তিনি বলেন, ‘বেশ শক্ত প্রতিযোগিতা চলছে বলতে হবে। ধরুন কোনো এয়ারলাইনের ফ্লাইটে যাত্রার বিষয়টা যেমন সহজ, ঠিক সেরকম সহজ মহাকাশ পর্যটন চালু হবে। আর তা নিয়ে যে ধরনের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে তা খুবই চমকপ্রদ একটি বিষয়’।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে