Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০২-২১-২০১৬

সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯

সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯

হরিয়ানা, ২১ ফেব্রুয়ারী- ভারতের হারিয়ানা প্রদেশে জাঠ বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯য়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা বিবিসি। আহত হয়েছে আরো ৭৮ জন। চাকুরি এবং পড়াশুনার ক্ষেত্রে অন্যান্য উঁচু সম্প্রদায়ের লোকেরা যে সুযোগ সুবিধা পায় জাঠরা সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত। নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য তাই জাঠ সম্প্রদায়ের লোকেরা বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে।

রোববার সপ্তম দিনের মত বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে বিদ্রোহীরা। এই বিক্ষোভের কারণে বেশ কিছু এলাকায় কারফিউ জারি করা হয়েছে। কারফিউ থাকা স্বত্ত্বেও শনিবার বিক্ষোভকারীরা রোহতাক, ঝাজ্জার এবং আরো বেশ কিছু শহরের যানবাহন এবং বাড়ি-ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। বিক্ষোভকারীরা শহরের রেললাইন এবং হাইওয়ে শহরে বিক্ষোভ করায় দিল্লির কাছাকাছি গুরগাওয়ে কারফিউ জারি করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধ স্বত্ত্বেও বিক্ষোভ সমাবেশে বন্ধ করেনি জাঠ সম্প্রদায়। দাবী মেনে নেয়া হলেই বিক্ষোভ বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন জাঠ নেতারা। দিল্লি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মুনাক ক্যানেলের কাছে বিক্ষোভের কারণে শহরে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এ কারণে সোমবার সকালে জরুরি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে ঘোষণা করা হয়েছে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় স্কুল এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান মঙ্গলবার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে রোহটাক, ভিওয়ানি, সোনিপাট, ঝাজ্জর, হিসার এবং হানসিতে কারফিউ চলবে।

বিভিন্ন এলাকার হাইওয়ে এবং রেলস্টেশনগুলো বিক্ষোভকারীদের প্রধান লক্ষ্যে পরিণত হওয়ায় যান এবং রেল চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এক রেল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭শ রেল চলাচল বাতিল করা হয়েছে।  

সহিংসতার কারণে শনিবার সন্ধ্যায় ঝাজ্জর এলাকায় চারজন, কাইথালে একজন এবং শুক্রবার রোহটাকে আরো তিনজন নিহত হয়েছে।  

শনিবার জাঠ সম্প্রদায় দিল্লিতে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে। সেখানে তারা দিল্লি ইউনিভার্সিটির উত্তর দিকের ক্যাম্পাস এবং দিল্লি- সোনিপাতে ন্যাশনাল হাইওয়ে১ অবরোধ করেছে। ওই হাইওয়ের সঙ্গে হারিয়ানা, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ এবং জম্মু-কাশ্মীরের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে।

রোহটাক এলাকায় বেশ কিছু যানবাহন, একটি শপিংমল, একটি পেট্রোল পাম্প এবং অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেইন অভিমানইয়ুর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। জিন্দ এলাকায় রোববার একটি রেল স্টেশনেও আগুন লাগানো হয়েছে।

রোহটাকে মোবাইল ইন্টারনেট এবং ক্ষুদে বার্তা সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। শনিবার কমপক্ষে আটটি জেলার সব স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে