Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০২-২০-২০১৬

সহজ তথ্য-সেবা বিনিময়ে ‘ই-সার্ভিস বাস’ চালু হচ্ছে

সহজ তথ্য-সেবা বিনিময়ে ‘ই-সার্ভিস বাস’ চালু হচ্ছে

ঢাকা, ২০ ফেব্রুয়ারী- সরকারি সেবা, তথ্য ও ডাটা আদান-প্রদান ও বিনিময় সহজ করার জন্য দেশে ন্যাশনাল ই-সার্ভিস বাস চালু করতে যাচ্ছে সরকার।
বিশ্ব্যাংকের অর্থায়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্নেন্স (এলআইসটি) প্রকল্প বাংলাদেশ ন্যাশনাল এন্টারপ্রাইজ আর্কিটেকচার (বিএনইএ) ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় এই ই-সার্ভিস চালু করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। 

যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং (ইওয়াই) বিগত এক বছর ধরে বিএনইএ ও ন্যাশনাল ই-সার্ভিস বাসের কারিগরি উন্নয়নের কাজ করছে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বৃহস্পতিবার বলেন, ‘বর্তমানে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর একে অপরের তথ্য, ডাটা ও সেবা অনলাইনে পাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, ন্যাশনাল ই-সার্ভিস বাস তা দূর করবে। এ বাস হবে মিডলওয়্যার প্লাটফরম হিসেবে কাজ করবে। চালু হওয়ার পর সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অলাইনভিত্তিক তথ্য, ডাটা ও সেবাসমূহ এসে যুক্ত হবে ন্যাশনাল ই-সার্ভিস বাসে। আর এসব অলাইনভিত্তিক তথ্য, সেবা ও ডাটা আদান-প্রদান ও বিনিময়ের কাজ মসৃণ করবে এবং তা সেবা গ্রহীতার কাছে সহজে প্রাপ্তি নিশ্চিত করবে এ বাস।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ন্যাশনাল ই-সার্ভিস বাস সেবা চালু হলে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সফটওয়্যার চালিত তথ্য, ডাটা ও ই-সেবা তৈরিতে ডুপ্লিকেশন হ্রাস পাবে এবং ব্যয় সাশ্রয় হবে। যেমন বর্তমানে সরকারি কোনো একটি প্রতিষ্ঠান যদি নাগরিক তথ্যের ডাটাবেস তৈরি করে। এবং তা যদি ন্যাশনাল ই-সার্ভিস বাসে যুক্ত থাকে; তাহলে অন্য প্রতিষ্ঠানের সরকারি কাজে ব্যবহারের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করে একই ডাটাবেস পুনরায় তৈরির প্রয়োজন নেই। কারণ ন্যাশনাল ই-সার্ভিস বাস যেকোনো সেবা গ্রহীতা প্রতিষ্ঠানকে সরকারি কাজে ব্যবহারের ইতোমধ্যে তৈরি করা নাগরিক তথ্যের ডাটাবেস প্রাপ্তি নিশ্চিত করবে।’ 
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ন্যাশনাল ই-সার্ভিস বাসে যুক্ত হওয়ার আগে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য, সেবা ও ডাটা তৈরিতে বিএনইএ ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় নির্ধারিত মান, গাইডলাইন ও স্পেশিফিকেশন অনুসরন করে সফটওয়্যার তৈরি করতে হবে। যাতে তা ইন্টাঅপারেবল (আন্তঃপরিবাহী) বা বিনিময়যোগ্য হয়।
বিসিসি’র নির্বাহী পরিচালক এস এম আশরাফুল ইসলাম বলেন, ন্যাশনাল ই-সার্ভিস বাস অচিরেই চালু করা সম্ভব হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সফটওয়্যারভিত্তিক তথ্য, সেবা ও ডাটা তৈরির জন্য বিএনইএ ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় নির্ধারিত মান, গাইডলাইন ও স্পেশিফিকেশন প্রণয়নের কাজে আমরা অনেকদূর এগিয়েছি। এসব অনুসরণ করে স্ব স্ব সরকারি প্রতিষ্ঠান তথ্য, সেবা ও ডাটা প্রদানের জন্য সফটওয়্যার তৈরি করলে তা যুক্ত করা হবে ন্যাশনাল ই-সার্ভিস বাসে।

তিনি বলেন, আমরা সরকারি কর্মকর্তাদের এ ব্যাপারে সক্ষমতা তৈরির জন্য বিসিসিতে ডব্লিউএসওটু (WSO2) এর উপর প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করেছি। যাতে তথ্য, সেবা ও ডাটা আদান-প্রদান ও বিনিময়ের কাজটি সহজ হয়।

এলআইসিটি প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক তারেক এম বরকতউল্লাহ বলেন, ‘ন্যাশনাল ই-সার্ভিস বাস চালুর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ন্যাশনাল এন্টাপ্রোইজ আর্কিটেকচার (এনইএ) পোর্টাল চালু করা হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তথ্য, সেবা ও ডাটার সফটওয়্যার তৈরিতে বিএনইএ ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় নির্ধারিত যে মান, গাইডলাইন, স্পেশিফিকেশন ও রোডম্যাপ অনুসরন করবে তা থাকছে এ এনইএ পোর্টালে’।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে