Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 1.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০২-১৭-২০১৬

সম্পর্কের রসায়ন মেলাতে যা প্রয়োজন

সম্পর্কের রসায়ন মেলাতে যা প্রয়োজন

আধুনিক যুগে খুব কম মানুষই কম বয়সে বিয়ে করেন। অন্তত আগের চেয়ে তা কমেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিয়ে করা এবং সংসার করে যাওয়ার বিষয়টি যেকোনো মানুষের জন্যে সবচেয়ে ভালো কাজের একটি।

সম্প্রতি নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ে মানুষকে অনেক বেশি সুখী এবং তৃপ্ত করে তোলে। তারা অবিবাহিতদের চেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যে থাকেন। বিশেষ করে মধ্যবয়সীদের জীবনে যে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়, তা নিরসনে একজন সঙ্গী-সঙ্গিনীর প্রয়োজন।

সম্পর্ক বিষয়ক থেরাপিস্ট এবং ক্যালিফোর্নিয়ার কাপলস ইনস্টিটিউট অব মেলানো পার্কের সহ প্রতিষ্ঠাতা পিটার পিয়ারসনকে প্রশ্ন করা হয়, আদর্শ জুটি গড়তে দুজনের  রসায়ন কি সবচেয়ে জরুরি?

জবাবে তিনি জানান, রসায়ন সবকিছু নয়। তবে রসায়নের মিলন যদি না ঘটে তবে সমস্যা কাটিয়ে ওঠাও খুব কঠিন বিষয়। আবার দুজনের রসায়নের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকতে হবে। কেবলমাত্র একজনের রসায়নে জুটি গড়বে না। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা খুব কঠিন হবে। শুরু থেকেই চরম বাধাগ্রস্ত হবে এগোনোর পথ।

বিশেষজ্ঞের বেস্টসেলার বই 'দ্য গেমস পিপল প্লে'-তে বলেছেন, প্রত্যেক মানুষের তিন ধরনের ইগো কাজ করে।

১. বাবা-মা তাকে যা শিখিয়েছেন।

২. শিশু হিসাবে শিক্ষা নিয়ে সে কি অনুভব করে।

৩. বড় হয়ে মানুষ যা শিখেছে।

যখন দুজন মানুষ এক হয় তখন তাদের এই ইগোগুলো কতটা মেলে তা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রেই অহংবোধের বিষয়টি উপলব্ধিতে আসে। যেমন-

১. বাবা-মায়ের কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা কি আপনার বিশ্বাসের সঙ্গে এবং দুনিয়ার সঙ্গে খাপ খায়?

২. শিশুকালে অন্যদের সঙ্গে সময়টা উপভোগ করেছেন? সেখানে কি স্বতঃস্ফূর্ত ছিলেন? আপনি কি মনে করেন যে আপনার ছোটকালের সঙ্গী-সঙ্গিনী মনের মতো কেউ ছিলেন?

৩. প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে কি অন্যদের আলোকিত বলে মনে করেন? একসঙ্গে সমস্যা সমাধানে কি আপনারা পারদর্শী?

পিয়ারসেন বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই দুজন মিলে সবকিছু ভারসাম্যপূর্ণ করতে হয়। একজন রোমাঞ্চপ্রিয় হলে অপরজন হয়তো দায়িত্বশীল হয়ে থাকেন। এভানে একের অভাব অপরের পূরণ করতে হয়। আবার অনেকে এমন সম্পর্ক হয় যা কিনা এক কৌতুকিপূর্ণ রোমান্স ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু এ অবস্থা বেশিদিন থাকে না। যেকোনো একজন বিরক্ত হয়ে ওঠেন।

এক সাক্ষাৎকারে কাপলস ইনস্টিটিউটের সহ প্রতিষ্ঠাতা এলিন বাডার বলেন, এক সময় দুটো মানুষ এই বাস্তবতায় উপনীত হয় যে তারা দুজনই ভিন্ন দুই মানুষ। এমনকি যা ভাবা হয়েছিল তার চেয়েও ভিন্ন। অন্যকরম অনুভূতি, চিন্তা-ভাবনা, পরিকল্পনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে পার্থক্য দেখা যায়। প্রত্যেকের মাঝে আবার একটি চিন্তাধারা কাজ করে, আমি এমন এবং এটাই আমার পরিচয়। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবোধ ফুটে ওঠে এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার উদয় ঘটে। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, অপরের সঙ্গে নিজের পার্থক্য স্পষ্ট হতে থাকে।

যদি দুজন একসাথে থাকেন এবং আপনার সঙ্গী-সঙ্গিনী যদি কয়েক দিনের জন্যে দূরে চলে যান, তবে তার জামা বা জুতো দেখলে মনটা খারাপ হয়ে যায়। এটা পারস্পরিক তীব্র ভালোবাসার নামান্তর। প্রশ্ন হলো, এমন পরিস্থিতিতে কি আপনার বিরক্ত লাগে, নাকি সুখবোধ হয়? এ প্রশ্নের সঠিক জবাব অনেক কিছুর জানান দেবে।

সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে