Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০২-১৭-২০১৬

ভারতের রূপসচেতন মহারানীরা

ভারতের রূপসচেতন মহারানীরা

দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের মধ্য দিয়ে ব্রিটিশদের অধীনতা থেকে মুক্ত হয় ভারত। ব্রিটিশ রাজত্বেরও ভারতের সর্বত্র প্রায় পরিবারকেন্দ্রিক রাজত্বই বহাল ছিল কোম্পানির নিয়ন্ত্রনে। কিন্তু স্বাধীনতার পর পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি ও অপরাপর ক্ষমতা কমতে থাকে। প্রায় প্রতিটি রাজপরিবারে অবস্থাই ক্রমশ তলানিতে ঠেকতে শুরু করে। কিন্তু এরপরেও ভারতের রাজ পরিবারের রাজা রানী এবং তাদের যাপিত জীবন ও প্রেমকাহিনী নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। একসময় পুরো ভারতবর্ষ তারাই শাসন করতো। বলা হয়ে থাকে, সেই সময়ে রাজারা অনেক প্রভাবশালী ছিল। এবং তৎকালীন রাজাদের একের অধিক রানীও ছিল বলেও জানা যায়। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন রানী ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে বেশ জনপ্রিয় হয়ে আছেন আজও। তেমনি পাঁচ রানীকে নিয়ে সাজানো হলো আজকের প্রতিবেদন।

মহারানী গায়ত্রী দেবী

ষাটের দশকের একজন সুন্দরী নারী হিসেবে ইতিহাসে তার কথা উল্লেখ আছে। তিনি জয়পুরের রানী ছিলেন। মহলে সবার কাছে রাজমাতা গায়ত্রী দেবী নামে সবার কাছে পরিচিত ছিল। তার বেশভূষায় সত্যিকার অর্থে একজন রানীর পরিচয় বহন করতো। পছন্দের পোষাক হিসেবে তিনি ফ্রান্সের শিফন শাড়ি পরিধান করতেন। কপালে ছোট একটি টিপ এবং হালকা কিছু মুক্তোর গহনা।

মহারানী ইন্দিরা রাজে

মহারানী ইন্দিরা রাজে কুচহিারের বারোদার রানী ছিলেন। মায়ের মৃত্যুর পর তিনি তার মায়ের আসনে বসেন। কুচবিহারের এই রানী রুপে গুণে, ঠাটবাটে অন্যদের ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে তাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল তারই মেয়ে গায়ত্রী দেবী। অনেকে বলতেন মহারানী ইন্দিরা দাম্ভিক ও আড়ম্বর জীবন যাপন করতেন। বাইরে থেকে দেখতে কঠোর মনে হলেও মনের দিক থেকে তিনি ছিলেন খুবই কোমল। তিনি পারিবারিকভাবে দেয়া বিয়ে ভেঙ্গে দিয়ে ভালোবেসে কুচবিহারের রাজাকে বিয়ে করেন। কুচবিহারের রাজার মৃত্যুর পর তিনি তার বাকিটা জীবন প্রজাদের দেখভালের কাজে কাটিয়ে দেন।

বারোদার সীতা দেবী

মহারানী সীতা দেবী যে বিলাসবহুল জীবনযাপন করতেন তা তার ছবিগুলো দেখলেই প্রমাণ পাওয়া যায়। তার মহলের আসবাব থেকে শুরু করে পোষাক আষাকে ছিল আভিজাত্যের ছোয়া। তিনি তার হাজার হাজার দামি শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে জুতো ও ব্যাগ ব্যবহার করতেন। ভারতের আর সব মহারানীদের মধ্যে তিনিই একমাত্র রুচীশীল পোষাক পরিধান করতেন।

মহারানী সীতা দেবী

সেক্যুলার দেবী নামে একটি বইতে ১৯ বছরের রানী সীতা দেবীর বর্ণনা দেয়া হয়েছে। বইটিতে তাকে ভারতের সবচেয় আকর্ষণীয় মহারানী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পর পর তিন বছর তিনি পৃথিবীর শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন ম্যাগাজিনগুলোতে রুচিসম্মত পোষাক পরিধেয় নারীর তালিকায় জায়গায় করে নেন। তিনি হলেন তৎকালীন জমিদার শিখ মহারাজা জাগজিৎ সিংয়ের ছোট মেয়ে।

হায়দরাবাদের রাজকুমারী নিলুফার

হায়দরাবাদের রাজকুমারী নিলুফর রাজ পরিবারে জন্ম না নিলেও বিবাহসূত্রে এক রাজাকে বিয়ে করে করে তিনি হায়দরাবাদের মহারানী হয়ে যান। তাকে হায়দরাবাদের কোহীনুর বলা হতো। নিলুফারকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী নারীদের একজন মনে করা হতো সেসময়। তিনি সবসময় সমাজের অধিকারবঞ্চিত নারীদের নিয়ে কথা বলতেন। এছাড়া তার উদ্যেগে হায়দ্রাবাদে মহিলা ও শিশুদের জন্য একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন।

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে