Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০২-১৫-২০১৬

গ্যাটকো মামলায় ‘দুই মাসের মধ্যে’ আদালতে যেতে হচ্ছে খালেদাকে

গ্যাটকো মামলায় ‘দুই মাসের মধ্যে’ আদালতে যেতে হচ্ছে খালেদাকে

ঢাকা, ১৫ ফেব্রুয়ারী- গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে খালেদা জিয়ার আবেদন খারিজের হাই কোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে। ফলে এই মামলায় নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হচ্ছে বিএনপি চেয়ারপারসনকে।

সোমবার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয় বলে জানিয়েছেন মামলাকারী কর্তৃপক্ষ দুর্নীতি দমন কমিশনের কৌঁসুলি খুরশীদ আলম খান। “এখন পূর্ণাঙ্গ রায় বিচারিক আদালতে যাবে। বিচারিক আদালতে পৌঁছার দুই মাসের মধ্যে খালেদা জিয়াকে আত্মসমর্পণ করতে হবে,” বলেন এই আইনজীবী।

এদিকে খালেদার কৌঁসুলি রাগীব রউফ চৌধুরী বলেন, তারা এখনও রায়ের অনুলিপি পাননি। পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর আপিল বিভাগে যাবেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রধান কৌঁসুলি খন্দকার মাহবুব হোসেন।

জরুরি অবস্থার সময় দুদকের করা এই মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে খালেদার রিট আবেদনে সাত বছর আগে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল হাই কোর্ট। সে সময় জারি করা রুল খারিজ করেই গত ৫ অগাস্ট রায় দেয় বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ও বিচারপতি আবদুর রবের বেঞ্চ। অভিযোগপত্র দাখিলের পর মামলাটি বর্তমানে ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে অভিযোগ গঠন পর্যায়ে রয়েছে।

এর ফলে খালেদার বিরুদ্ধে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বিচার চলতে আর কোনো আইনগত বাধা দেখছেন না দুদকের কৌঁসুলিরা। সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় খালেদার বিরুদ্ধে গ্যাটকোসহ তিনটি মামলা হয়। আদালতের স্থগিতাদেশে আটকে যাওয়ার দীর্ঘদিন পর গত বছর মামলাগুলো সচল করার উদ্যোগ নেয় দুদক।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা দায়ের করেন দুদকের উপ পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী।

এই মামলা হওয়ার পরদিনই খালেদা ও কোকোকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় জরুরি ক্ষমতা আইনে। পরের বছর ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেছেন। চারদলীয় জোট সরকারের মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, এম শামসুল ইসলাম, এম কে আনোয়ার, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মতিউর রহমান নিজামীও এ মামলার আসামি।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে