Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০২-১৪-২০১৬

কোথায় কিভাবে পালিত হয় ভালোবাসা দিবস

কোথায় কিভাবে পালিত হয় ভালোবাসা দিবস

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ১৪ ফেব্রুয়ারি। বিশ্বজুড়ে হাসি, আনন্দ আর ভালোবাসায় উদযাপিত হয় দিনটি। সাম্প্রতিক সময়ে নানা রঙে, নানা আয়োজনে উদযাপন করা হলেও দিনটি শুরু হওয়ার ইতিহাস কিন্তু খুবই করুণ! এক মর্মান্তিক ভালোবাসার পরিণতি থেকেই এই দিনটির যাত্রা। চলুন একটু পেছনে ফিরে যাই।

২৭০ সালের কথা। তখন ইতালির রোম শাসন করতেন রাজা ক্লডিয়াস-২। তার রাজ্যে সুশাসনের বড়ই অভাব ছিল। তার মধ্যে আবার আইনের অপশাসন, শিক্ষার অভাব, স্বজন-প্রীতি, দুর্নীতি এবং কর বৃদ্ধি যেন প্রজাদের জীবনকে নরক বানিয়ে দিয়েছিল। রাজা তার সুশাসন ফিরিয়ে আনার জন্য রাজ দরবারে তরুণ যুবকদের নিয়োগ দিলেন। আর যুবকদের-কে দায়িত্বশীল ও সাহসী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি রাজ্যে যুবকদের বিয়ে নিষিদ্ধ করলেন। রাজা বিশ্বাস করতেন বিয়ে মানুষকে দুর্বল ও কাপুরুষ করে। বিয়ে নিষিদ্ধ করায় পুরো রাজ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামে একজন যাজক গোপনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন। তিনি সকলের কাছে পরিচিতি পেয়েছিলেন ‘ভালবাসার বন্ধু বা ‘Friend of Lovers’ নামে। কিন্তু তাকে রাজার নির্দেশ অমান্য করার কারণে রাষ্ট্রদ্রোহিতার দায়ে আটক করা হল। জেলে থাকাকালীন ভ্যালেন্টাইনের সাথে পরিচয় হয় জেলরক্ষক আস্ট্রেরিয়াসের।

আস্ট্রেরিয়াস জানতো ভ্যালেন্টাইনের আধ্যাতিক ক্ষমতা রয়েছে। তাই তিনি ভ্যালেন্টাইনকে অনুরোধ করেন তার অন্ধ মেয়ের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিতে। ভ্যালেন্টাইন পরবর্তীতে মেয়েটির দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেন। এতে মেয়েটির সাথে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের অন্তরঙ্গ বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। ভ্যালেন্টাইনের আধ্যাতিক শক্তি সম্পর্কে জানতে পেরে রাজা তাকে রাজ দরবারে ডেকে পাঠান এবং রাজকার্যে সহযোগিতার জন্য বলেন। কিন্তু রাজা বিয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা না তোলায় ভ্যালেন্টাইন রাজকার্জে সহযোগিতায় অস্বীকৃতি জানান। এতে রাজা ক্ষুদ্ধ হয়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মৃত্যুদণ্ডের ঠিক আগের মুহূর্তে ভ্যালেন্টাইন কারারক্ষীদের কাছে একটি কলম ও কাগজ চেয়ে নেন। তিনি তার ভালোবাসার মানুষের উদ্দেশে একটি গোপন চিঠি লেখেন। সেখানে বিদায় সম্ভাষণে তিনি লিখেছিলেন ‘From your Valentine’। এই একটি শব্দ হৃদয়কে বিষাদে আচ্ছন্ন করেছিল। ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি। সেই থেকেই এই দিবসটিকে ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে পালন করছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ।

ব্রিটেন
ব্রিটেনে ভালোবাসা দিবসের জন্ম চতুর্দশ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দীতে । সেখানে ভালোবাসা দিবস নিয়ে উল্লাস একটু বেশিই থাকে। প্রচলিত ধারণা মতে, ভালোবাসা দিবসে ব্রিটেন এবং ইতালির অবিবাহিত মেয়েরা সূর্যোদয়ের আগে ঘুম থেকে উঠে। তারা বিশ্বাস করে, সূর্যোদয়ের পর প্রথম যে পুরুষকে তারা দেখবে সে অথবা তার মতোই কোনো পুরুষ এক বছরের মধ্যে তাদের জীবনসঙ্গী হবে। এ ছাড়া অবিবাহিত মেয়েরা কাগজে পছন্দের ছেলের নাম লিখে সেই কাগজ মাটির বলে পেঁচিয়ে পানিতে ফেলে দেয়। যে নামের কাগজ সবার আগে ভেসে উঠবে তার সঙ্গেই বিয়ে হবে মেয়েটির।

ফ্রান্স
ব্রিটেনের মতো ফ্রান্সের সঙ্গেও জড়িয়ে আছে ভ্যালেন্টাইনস ডে'র জন্মকথা। তাই এখানেও উৎসাহ থাকে অনেক। ভালোবাসা দিবসে কার্ড উপহারের প্রথা শুরু হয়েছে ফ্রান্স থেকে। চার্লস নামের এক ব্যক্তি প্রথম ভ্যালেন্টাইন’স কার্ড লিখেছিলেন। কার্ড দিয়ে ভালোবাসা প্রকাশের রীতি আছে এখানে।

ইতালি
ইতালিতে ভ্যালেন্টাইনস ডে বসন্ত উৎসব হিসেবে পালিত হয়। এক সময় খোলা আকাশের নিচে নানা ধরনের অনুষ্ঠান হতো। যুবক-যুবতীরা গান, আবৃত্তি শুনে দিনটি উদযাপন করত। এরপর ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে বাগানে ঘুরে বেড়াতো তারা। কিন্তু কয়েক শতাব্দী ধরে এই রীতি হারিয়ে গেছে ইতালি থেকে। এখন ইতালিতে আমেরিকার মতো ছুটির দিন থাকে। অনেকটা ‘হ্যালোইন’ আর ‘মাদারস’ ডে'র মতো। ভালোবাসা আদান-প্রদান তো চলেই। উপহারের তালিকায় থাকে চকলেট, পারফিউম, গোলাপ, ডায়মন্ড ইত্যাদি।

কানাডা
কানাডায় ভালোবাসার বিশেষ দিনটি বেশ উৎসাহের সঙ্গেই পালিত হয়। এইদিনে সারাদেশে পার্টির আয়োজন করে স্বামী-স্ত্রীকে, স্ত্রী-স্বামীকে, প্রিয়জন-প্রিয়জনকে ভালোবাসার কথা জানায়। এখানে ফুলের মধ্যে গোলাপের প্রাধান্যই বেশি থাকে। এরপর চকলেট, কার্ড, ক্যান্ডি তো থাকেই। শিশুরা বন্ধুদের সঙ্গে কার্ড বিনিময় করে। নিজের হাতে উপহার বানিয়ে শিক্ষক এবং বাবা-মাকে দেয়। দিনটিকে উদযাপন করতে স্কুলের সিনিয়র সেকশনে থাকে ড্যান্স পার্টির আয়োজন।

জাপান
জাপানের মেয়েরা ভ্যালেন্টাই‘স ডেতে চকলেট উপহার দিতে ভীষণ আগ্রহী থাকেন। জাপানে দুই ধরনের চকলেট রয়েছে। 'গিরি-চকো' কেনা হয় বন্ধু, বস, কলিগ এবং ঘনিষ্ঠ ছেলেবন্ধুর জন্য। এ ধরনের চকলেটের সঙ্গে ভালোবাসার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আর 'হন মেই' চকলেট হলো স্পেশাল। এই চকলেট শুধুমাত্র স্বামী-স্ত্রী, প্রেমিক-প্রেমিকা বা বিশেষ কারো জন্য। জাপানি মেয়েরা মনে করে, 'হন মেই' কিনে উপহার দিলে ভালোবাসা প্রকাশ পাবে না। তাই তারা নিজের হাতে 'হন মেই' তৈরি করে প্রিয়জনকে উপহার দেয়। এক জরিপে দেখা গেছে, পুরো বছরে যত চকলেট বিক্রি হয়, তার অর্ধেকই বিক্রি হয় ভালোবাসা দিবসে। তবে সেখানে ১৪ মার্চ পালিত হয় আরেক ভালোবাসা দিবস 'হোয়াইট ডে'। এ দিন ছেলেরা তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করে। ১৪ ফেব্রুয়ারি যারা তাদের উপহার দিয়েছিল, তাদের পাল্টা উপহার দেয়ার পালা এবার। এদিন সাদা রঙের চকোলেট দেয়া হয়ে থাকে। দুটো দিবসে সাধারণত ২০ বছরের কম বয়সীদের উৎসাহই সবচেয়ে বেশি থাকে।

অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ায় ভালোবাসা দিবসে এসএমএস, ই-মেইল মিডিয়া ব্যাপক ব্যবহৃত হয়ে থাকে। জরিপে দেখা গেছে, অস্ট্রেলিয়ার ছেলেরা ভালোবাসার ক্ষেত্রে মেয়েদের চেয়ে অনেক বেশি উদার। এ দিন উপলক্ষেও ছেলেরা মেয়েদের তুলনায় অনেক বেশি উপহার কেনেন। আর তা প্রিয়জনকে দিয়ে ভালোবাসার কথা জানান।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে কিভাবে এলো ভালোবাসা দিবস? চলুন একটু পেছনে ফিরে তাকাই। ১৯ শতাব্দীতে এক ব্রিটিশ অধিবাসী প্রথম উত্তর আমেরিকায় ভ্যালেন্টাইনস ডে'র ধারণা নিয়ে আসেন। ১৮৪৭ সালের দিকে ভ্যালেন্টাইন’স ডে ছড়িয়ে যায় পুরো আমেরিকায়। বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে গিফট কার্ড আদান-প্রদানের রীতির প্রচলন হয়। সে সময় কার্ড এবং গোলাপ ছিল ভ্যালেন্টাইন’স ডের মূল উপহার। ১৯৮০ সালের দিকে ডায়মন্ড কোম্পানিগুলো ভ্যালেন্টাইন’স ডে প্রমোট করা শুরু করে। সেই থেকে জুয়েলারি চলে আসে প্রচলিত গিফটের তালিকায়। ভালোবাসা দিবসে সবচেয়ে বেশি কার্ড ও উপহার বিক্রি হয় আমেরিকায়। এই দিনকে ঘিরে ব্যবসায়ীরা নানা আয়োজন করেন। এ দিন মূলত কার্ড, চকোলেট, ফুল বিনিময় করা হয়। দেশটিতে নানা জায়গায় ভ্যালেন্টাইনস ডিনার, ডান্স পার্টির ব্যবস্থা থাকে। অনেকে বাসায়ও পার্টির আয়োজন করে। শিশুদেরও থাকে অনেক ব্যস্ততা। স্কুলগুলোতে আয়োজিত হয় গান, নাচ, নাটক।

ভারত
এদিন আবেগের আদান-প্রদান করতে প্রেমিকরা মূলত ভিড় জমায় রেস্টুরেন্ট, সিনেমা হলগুলোতে, পাব অথবা পিৎজা পার্লারে। শুধু প্রেমিক নয় বাবা-মা, ভাইবোন, বন্ধুদেরও ভালোবাসা জানায় ভারতীয়রা। এদিনটিতে তরুণ-তরুণীদের একসঙ্গে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। যারা এখনও সিঙ্গেল তারা পছন্দের মানুষকে ভালোবাসার কথা বলার জন্য এই দিন উন্মুখ হয়ে থাকেন। কার্ড বা ফুল দিয়ে ভালোবাসার শুভেচ্ছা জানায় একে অপরকে।

চীন
চীনাদের নিজস্ব সংস্কৃতিতে ভালোবাসার জন্য আলাদা একটি দিন আছে। চায়নিজ ক্যালেন্ডারে সপ্তম চান্দ্র মাসের সপ্তম দিনে থাকে এই বিশেষ দিনটি। দিনটিকে বলা হয় কী জি। অথবা 'দ্য নাইট অব সেভেনস'। গতানুগতিক ভ্যালেন্টাইনস ডে থেকে দিনটি অনেক আলাদা। নির্দিষ্ট কিছু রীতি রয়েছে দিনটিকে কেন্দ্র করে। এ ছাড়া ফুল, চকলেট, কার্ড আদান-প্রদানও চলে। চীনারা অন্যদের চেয়ে একটু আলাদাভাবেই তাদের ভালোবাসার দিনটি উদযাপন করে।

দক্ষিণ আফ্রিকা
সাধারণত রোমান্টিক জুটি একান্তে সময় কাটায় দিনটিতে। অনেকে প্রিয়জনকে মনের কথা জানায় বিশেষ দিনটিতে। এ ছাড়াও কোনো কোনো জায়গায় পালিত হয় 'লিউপারক্যালিয়া' নামে রোমান ফেস্টিভ্যাল। এখানে যার যার পোশাকে তাদের প্রেমিক-প্রেমিকার নাম প্রিন্ট করা থাকে। এ ছাড়াও আয়োজন থাকে পাব ও রেস্টুরেন্টে। ড্যান্স পার্টি তো থাকেই। 

ডেনমার্ক
ডেনমার্কে আগে ভ্যালেন্টাইন্স ডে খুব একটা জনপ্রিয় ছিল না। তবে দেশটিতে সম্প্রতি এ দিবস পালনের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। আর প্রিয় মানুষটিকে এ দেশের অধিবাসীরা লাল গোলাপ নয় বরং সাদা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায়। অনেকেই তার মনের মানুষকে একটি বেনামি চিঠি পাঠায়। সেখানে তারা কোনো মজার কবিতা বা রোমান্টিক কিছু লিখে দেয়। এ উপহার যে পাবে সে যদি সঠিকভাবে প্রেরককে খুঁজে পায় তাহলে তারা পরবর্তী সময়ে নিজেদের মধ্যে ভালোবাসা বিনিময় করে।

ঘানা
ঘানায় ভ্যালেন্টাইন্স ডে পালিত হয় অন্য দেশগুলোর তুলনায় ভিন্নভাবে। দেশটিতে প্রচুর চকলেট উৎপাদিত হয়। আর এ কারণে অধিবাসীরা চকলেটকে খুবই গুরুত্ব দিয়ে এ দিনটি পালন করে। ভ্যালেন্টাইন্স ডেতে তারা একে অন্যকে চকলেট উপহার দেয়। ২০০৭ সাল থেকে দেশটিতে ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় চকলেট দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। এ ছাড়া ভালোবাসার বন্ধনে জড়ানো ব্যক্তিরা এ দিনটিতে একে অন্যকে চকলেট উপহার দেয়, রেস্টুরেন্ট, জাদুঘর ও অন্যান্য দর্শনীয় স্থানেও ঘুরে বেড়ায় তারা।

ফিলিপাইন
ফিলিপাইনে ভ্যালেন্টাইন্স ডে পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় ভিন্নভাবে পালিত হয়। এ দিনটিতে সেখানে অসংখ্য জুটি বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে গণবিবাহের প্রবণতা অনেক বেড়ে গেছে। আর এ কারণে ১৪ ফেব্রুয়ারিকেই বহু মানুষ বিয়ের জন্য বেছে নেয়। এভাবেই তারা পালন করে ভ্যালেন্টাইন্স ডে।

বাংলাদেশ
১৯৯৩ সালের দিকে আমাদের দেশে ভালোবাসা দিবসের আবির্ভাব ঘটেছে। সাংবাদিক ব্যক্তিত্ব শফিক রেহমান পড়াশোনা করেছেন লন্ডনে। পাশ্চাত্যের রীতিনীতিতে তিনি ছিলেন বেশ অভ্যস্ত। দেশে ফিরে তিনিই ভালোবাসা দিবসের সূচনা করেন। এ নিয়ে অনেক ধরনের মতবিরোধ থাকলেও শেষ পর্যন্ত শফিক রেহমানের চিন্তাটি নতুন প্রজন্মকে বেশি আকর্ষণ করে। সেই থেকে আমাদের দেশে এই দিনটি উদযাপন শুরু হয়েছে। এই দিনে অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও প্রচুর আয়োজন থাকে। ফুল, কার্ড, বিভিন্ন ধরনের উপহার দিয়ে প্রিয়জনকে ভালোবাসা জানানো হয়। এছাড়া ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে বিশেষ জায়গায় ঘুরে বেড়ানের প্রবণতাও এদিন দেখা যায়। যারা ভালোবাসার মানুষকে এখনও পাননি বা প্রিয় মানুষটিকে ভালোবাসার কথা বলতে পারেননি তারা তো উন্মুখ হয়ে থাকেন এই দিনটির জন্য। তারা প্রতীক্ষা করেন এই দিনটিতে একটা লাল গোলাপ নিয়ে প্রিয়জনকে বলবেন নিজের ভালোবাসার কথা।

জানা-অজানা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে