Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০২-০৮-২০১৬

নিউটনের অদ্ভুত কাণ্ড!

নিউটনের অদ্ভুত কাণ্ড!

জ্ঞান-বুদ্ধিতে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বলেই তারা বিজ্ঞানী। পৃথিবীর আধুনিকায়নে রয়েছে তাদের ভুমিকা। কিন্তু পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষগুলোই মাঝে মাঝে অদ্ভুত সব কাণ্ড করে বসেন, যেগুলো হয়তো অতি বোকারাও করবে না। বিজ্ঞানীদের কিছু কিছু কর্মকাণ্ড একেবারে শিশুর মতো। কিছু অদ্ভুত কাজ আবার স্বজ্ঞানেই করেন। কিছু কান্ড আবার করেন মজা করার জন্য। 

নিউটন কতবড় বিজ্ঞানী, কত বড় মানুষ! কিন্তু তিনিও কিছু কিছু কাণ্ড করেছিলেন হিংসুটের মতো। খুব ছোটবেলায় নিউটনের বাবা মারা যান। মা আরেকজনের সঙ্গে বিয়ে করে নিউটনকে ছেড়ে চলে যান। ভীষণ একা হয়ে পড়েন তিনি। এর প্রভাব পড়ে তার ব্যক্তিজীবনে। হিংসুটে ও বদমেজাজি হয়ে ওঠেন তিনি। গান, সিনোমা, নাটক, কবিতা ইত্যাদি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে তিনি ঘৃণা করতেন। তাই এসব থেকে নিজেকে স্বযত্নে সরিয়ে রাখতেন। তিনি কাউকে বিশ্বাস করতেন না। বন্ধু ও আর সহমকর্মীদের সন্দেহের চোখে দেখতেন। নিউটন ‘না’ শব্দটা একেবারেই পছন্দ করতেন না। কেউ তার বিরোধিতা করলেও ক্ষেপে যেতেন। 

নিউটনের বিখ্যাত বই প্রিন্সিপিয়া অব ম্যাথমেটিকা। এটা পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ বই বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। জন ফ্লামস্টিড অনেক তথ্য দিয়ে নিউটনকে এই বই লিখতে সহযোগিতা করেন। বইয়ের প্রথম সংস্করণের তথ্যসূত্রে একাধিক জায়গায় ফ্লামস্টিডের নাম ছিল। সেই ফ্লামস্টিডকেই নানাভাবে হেনস্থা করেন নিউটন।

এতবড় বিজ্ঞানী ‘বন্ধু’র সঙ্গে এমনটা করেছিলেন কেন জানেন? শুনলে আপনিও ভাববেন আসলেই তিনি ‘স্বার্থপর’। বিজ্ঞানী সমাজে নিউটনের তখন বিরাট ক্ষমতা। লন্ডনের রয়্যাল সোসাইটিতে তার দাপট ছিল। রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমির তথ্য-উপাত্ত বিভাগে নিযুক্ত ছিলেন ফ্লামস্টিড। নিউটন তার কাছে ব্যক্তিগত গবেষণার জন্য কিছু তথ্য চান। কিন্তু এসব তথ্য কাউকে দেয়ার অনুমতি ছিল না। তাই ফ্ল্যামস্টিড সেগুলো দিতে অস্বীকার করেন। 

এতেই ভীষণ চটে যান নিউটন। নিজের ক্ষমতাবলে তিনি রয়্যাল মানমন্দিরে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হন। ফ্লামস্টিডকে আবারো চাপ দেন তথ্য প্রকাশের জন্য। তিনি রাজি হননি। তখন নিউটন ফ্লামস্টিডের ব্যক্তিগত কিছু গষেণাপত্র কেড়ে নেন। তারপর সেগুলো জার্নালে প্রকাশ করেন অ্যাডমন্ড হ্যালির নামে। হ্যালি ছিলেন ফ্লামস্টিডের জাত শত্রু। ফলে ফ্লামস্টিডও ভীষণ ক্ষেপে যান। নিউটনের বিরুদ্ধে গবেষণাপত্র চুরির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। এতে আরো ক্ষুব্ধ হন নিউটন। প্রিন্সিপিয়া অব ম্যাথমেটিকা বইয়ের দ্বিতীয় সংস্করণে যেখানে যেখানে ফ্লামস্টিডের নাম ছিল, সেগুলো সব বাদ দেন।

কী অদ্ভুত রাগটাই না ছিল বিখ্যাত এই বিজ্ঞানীর! 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে