Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০২-০৫-২০১৬

বাংলাদেশকে সেমিফাইনালের হাতছানি

রানা আব্বাস


বাংলাদেশকে সেমিফাইনালের হাতছানি

ঢাকা, ০৫ ফেব্রুয়ারি- যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’ যেন বারমুডা ট্রায়াঙ্গাল! এই ধাপটায় এসে কেন যেন বারবার পথ হারিয়ে ফেলেন যুবারা। এর আগে এমনটা ঘটেছে তিনবার। যুবাদের সামনে আবারও আরেকটি কোয়ার্টার ফাইনাল। এবার বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে নেপাল। মিরাজ-নাজমুলরা কি আজ পারবেন পূর্বসূরিদের ছাড়িয়ে যেতে?

প্রতিপক্ষকে সমীহ করেই নিজেদের জয়ের ধারা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের, ‘নেপালকে হালকাভাবে নেওয়ার কিছু নেই। ওরা যেহেতু কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে, অবশ্যই তারা ভালো দল। ওদের হালকাভাবে নিলে বরং আমাদের সমস্যা। যেভাবে আমরা দিনে দিনে উন্নতি করছি, যেভাবে এগিয়ে চলছি, এই ম্যাচেও ওই প্রক্রিয়ায় থাকব।’

ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ। তবে প্রথম পর্বের ম্যাচগুলো বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল খেলেছে চট্টগ্রাম আর কক্সবাজারে। আজকের ম্যাচ দিয়েই বিশ্বকাপে প্রথম মিরপুরের ‘হোম অব ক্রিকেটে’ নামবে তারা। কক্সবাজার শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের ছোট্ট গ্যালারি প্রতিদিনই ছিল টইটম্বুর। আজও যদি গ্যালারি কক্সবাজারের মতোই ভরে ওঠে, হাজার হাজার দর্শকের সামনে খেলার নতুন এক অভিজ্ঞতা হবে মিরাজদের।

নেপালের কোচ জগৎ বাহাদুর নামিবিয়া কোচের মতো তেমন একটা হুংকার ছুড়ছেন না। উল্টো মেনে নিচ্ছেন, এই ম্যাচে বাংলাদেশই ফেবারিট। তবে আজ সেমিফাইনালের আশা নিয়ে খেলবে তারাও, ‘আমরা সেমিফাইনালে খেলার আশা করছি। জয়-পরাজয় খেলার অংশ। তারপরও আশা করি, সেরা খেলাটা খেলে আমরা ভালো ফলই পাব।’

দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যান নেপালের দিকে হেলে। যুব ওয়ানডেতে একবারই নেপালের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ, ২০০২ বিশ্বকাপের প্লেট সেমিফাইনালে। সেবার নাফিস ইকবালের দল হেরেছিল ২৩ রানে। ১৪ বছর আগের সেই পরাজয়ের স্মৃতি ফিরিয়ে আনা হলো বাংলাদেশ যুব দলের কোচ মিজানুর রহমানের সামনে। সেই তিক্ত স্মৃতিকে অবশ্য খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না তিনি, ‘দলের অনেকে আসলে জানেই না যে আমরা নেপালের সঙ্গে একবার হেরেছিলাম। এগুলো ছেলেদের সামনে তুলেও ধরতে চাই না। এটা ছোটদের টুর্নামেন্ট। এসব আসলে কোনো ব্যাপার নয়। যে দল ভালো খেলবে তারাই জিতবে।’

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুখস্মৃতি নিয়ে পরশু ঢাকায় পা রেখেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। জয়ের ধারা অব্যাহত থাকলে আজ দারুণ এক মাইলফলকই ছোঁবে মিরাজের দল। মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কায় ২০০৬ যুব বিশ্বকাপে পঞ্চম হয়েছিল বাংলাদেশ যুব দল। যুব বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ওটাই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাফল্য। মিরাজদের সামনে আজ মুশফিকদেরও ‘ছাড়িয়ে’ যাওয়ার সুযোগ। আর সেটি হলে, ক্রিকেটের বৈশ্বিক কোনো টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো শেষ চারে পা রাখবে বাংলাদেশ।

অভূতপূর্ব এই অর্জনের সামনে দাঁড়িয়ে মিরাজ এগোচ্ছেন খুব সাবধানে। অধিনায়ক ভালোই জানেন, এখান থেকে পা হড়কানো মানেই স্বপ্নের সমাধি! কণ্ঠে তাই বাড়তি সতর্কতা, ‘বাংলাদেশ এর আগে কখনো সেমিফাইনাল খেলেনি। যদি নেপালের সঙ্গে জিততে পারি, সেটি হবে অনেক বড় অর্জন। এখন যে পর্যায়ে আছি, এখানে হারলে আর সুযোগ নেই। বাদ পড়ে যেতে হবে। ফলে আগের চেয়ে মনোযোগ আরও বেশি থাকবে।’

টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আইসিসির এক ‘প্রোমো’তে ছিলেন মিরাজ। এবার আরেকটি ‘প্রোমো’তে থাকছেন নাজমুল হাসানও। কাল সেটার শুটিং হলো বিসিবির একাডেমি মাঠে। মিরাজদের স্বপ্ন পূরণ হলে শুধু ‘প্রোমো’তে নয়, বাংলাদেশের যুবাদের সাফল্য নিয়ে হতে পারে গোটা একটা প্রামাণ্যচিত্রই।

ক্রিকেট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে