Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০২-০৪-২০১৬

সোনামণি থাকুক হাঁপানির ঝুঁকিমুক্ত

সোনামণি থাকুক হাঁপানির ঝুঁকিমুক্ত

আবহাওয়ার এই সময়টাতে বাতাসে থাকে অতিরিক্ত ধুলাবালির ওড়াউড়ি। বাচ্চাদের শ্বাস-প্রশ্বাসে এগুলো খুব সহজেই প্রবেশ করে হাঁপানি রোগের সৃষ্টি করতে পারে। তাছাড়া কোনো খাবার কিংবা ওষুধে শিশুর অ্যালার্জি দেখা গেলে তার প্রতিক্রিয়া হিসেবে রক্তের বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের সৃষ্টি হয়। এসব পদার্থ পরে সংবেদনশীল শ্বাসনালীকে সঙ্কুচিত করে। এর ফল হিসেবেও শিশুর হাঁপানি হতে পারে।

তবে শিশুর শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে তাকে হাঁপানি রোগ বলা যাবে না। দুই মাসের কম বয়সী শিশু সাধারণত প্রতি মিনিটে ৪০ থেকে ৫০ বার শ্বাস নেয়। দুই মাস থেকে এক বছরের শিশু প্রতি মিনিটে ৫০ বার এর কম শ্বাস নেয়। আবার এক থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত শিশু প্রতি মিনিটে ৪০ বার এর কম শ্বাস নেয়। যদি কোনো শিশু স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি শ্বাস নেয় তখন শিশুর নিউমোনিয়া বা হাঁপানি রোগ হয়েছে বলা যেতে পারে। শিশু বয়সে অ্যালার্জি জনিত বা এটাপিক হাঁপানি বেশি হতে দেখা যায়।

এ ধরনের হাঁপানিতে দেখা যায় মা অথবা বাবার মধ্যে হাঁপানি বা অ্যালার্জির বংশগত উপস্থিতি। অনেক সময় ধোঁয়া, ঘরের ধুলাবালি, পশুর লোম, পাখির পালক, ঘাস এবং ফুলের রেণু, বিশেষ কোনো খাবার, আইসক্রিম এবং ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার, এসপিরিন জাতীয় ওষুধ এটোপিক হাঁপানির উৎপত্তি ঘটায়। অ্যালার্জি জাতীয় হাঁপানির প্রকোপ যেকোনো সময়ই হতে পারে। সেক্ষেত্রে সোডিয়াম ক্রোমোগ্লাইকেট জাতীয় ওষুধ প্রয়োগে এ ধরনের হাঁপানিতে অনেক সময় শিশুদের রোগমুক্ত করা সম্ভব।

যেসব ক্ষেত্রে নির্মূল করা একেবারেই সম্ভব হয় না সেসব ক্ষেত্রে উপযুক্ত সেবা এবং চিকিৎসা দিয়ে হাঁপানি দমন রাখা যায়। তাই-

  • শিশুকে ধুলা-বালিতে খেলতে দেওয়া যাবে না।
  • সুতির পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কাপড় পরাতে হবে।
  • শিশুর বিছানার চাদর বা ব্যবহারের কাপড় সুতির তৈরি হওয়া শ্রেয়।
  • শিশুকে একেবারেই ঠাণ্ডা হাওয়া লাগানো যাবে না।

প্রথম থেকেই আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থার আওতায় এনে শিশুকে চিকিৎসা করানো হয় তাহলে শিশুর হাঁপানি রোগে খুব সুফল পাওয়া যায়। সাধারণ মাত্রার হাঁপানির প্রায় ৭৫ শতাংশ শিশুর ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সের দিকে ভালো হয়ে যায়। অপর দিকে মাঝারি মাত্রার হাঁপানি আক্রান্ত শিশুর প্রায় ৫০ শতাংশ ওই বয়সের কাছাকাছি সময়ে ভালো হয়ে যায়।

অতিমাত্রায় হাঁপানি আক্রান্ত শিশুদের কেউ কেউ পূর্ণবয়স্ক হওয়ার পরও রোগটিতে ভুগতে পারে। তাই বাবা-মা এবং অভিভাবকদের কর্তব্য হলো তাদের শিশু হাঁপানিতে আক্রান্ত সন্দেহ হলে শুরুতেই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। সোনামাণিকে রাখুন হাঁপানির ঝুঁকিমুক্ত।

সচেতনতা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে