Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০১-৩১-২০১৬

স্কটিশদের উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ

স্কটিশদের উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম, ৩১ জানুয়ারি- যুব বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকার পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষেও বড় জয় পেয়েছে মেহেদি হাসান মিরাজ বাহিনী। রোববার কক্সবাজার শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে এই ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ১১৪ রানে উড়িয়ে দিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টানা দুই জয়ের সুবাদে শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত হয়ে গেছে যুব টাইগারদের। দিনের অপর ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে দুই উইকেটে হারিয়ে ‘এ’ গ্রুপ থেকে কোয়ার্টার নিশ্চিত করেছে নামিবিয়াও। শেষ ম্যাচে এখন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন নির্ধারিত হবে। আর দক্ষিণ আফ্রিকা ও স্কটল্যান্ডকে খেলতে হবে প্লেট পর্বে।

বাংলাদেশের যুবাদের দেয়া ২৫৭ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে গিয়ে স্কটল্যান্ড সেভাবে কোনো সাফল্য পায়নি। টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে আজিম দার ছাড়া কেউই উল্লেখযোগ্য কিছু করতে পারেননি। সম্মিলিত বোলিং নৈপুণ্যে শুরু থেকেই স্কটিশদের চাপে রাখে বাংলাদেশ।

যদিও নেইল ফ্ল্যাক ও জোরি জনস্টন ৪৮ রানের ওপেনিং জুটি গড়েছিলেন। তবে সেখান থেকে ইনিংস টেনে নেয়ার কেউ ছিলেন না। ফ্ল্যাকের (২৮) উইকেট দিয়ে প্রথম আঘাত হেনেছিলেন মিরাজ। একই ওভারে ওয়াইস শাহ খাতা খোলার আগেই রান আউট হয়ে যান। জনস্টন (২০) দলীয় ৫৬ রানে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন আরিফুল ইসলামের বলে। পরে আজিম দার ও জ্যাক ওয়ালার কিছুটা লড়াকু মনোভাব দেখান। কিন্তু সেই লড়াইয়ে কাজের কাজ হয়নি। দলীয় ৮৯ রানে আরিফের বলে শাওনের হাতে ধরা পড়েন ওয়ালার (২৪)।

এরপর টানা তিনটি উইকেট তুলে নেন আসিফ আহমেদ শাওন। ম্যাকরিয়াথকে এলবডিব্লিউর ফাঁদে ফেলান তিনি। এছাড়া হ্যারিস আসলাম জাকিরের ক্যাচে পরিণত হন। আর রায়ান ব্রাউনকে বোল্ড করেই ফেরান শাওন। হঠাৎই শাওনের ঘুর্ণিতে কাবু স্কটল্যান্ড কোনঠাসা হয়ে যায়। বাংলাদেশের জয় তখন সময়ের ব্যাপারে পরিণত হয়।

শাওন থামলে শুরু হয় সাইফুদ্দিনের পালা। হ্যারিস কার্নেগি ও মিচেল রাওকে বোল্ড করে ফেরত পাঠান তিনি। এর মধ্যেই হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ হয় আজিমের। ৮৮ বল খেলে কোনো বাউন্ডারির মার ছাড়াই অর্ধশত রান পূর্ণ করেন তিনি। অর্ধশত রান পূর্ণ হওয়ার পর সেই সাইফুদ্দিনের বলেই শাওনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান আজিম। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সাইফুদ্দিন ৭.২ ওভারে ১৭ রানে এবং ১০ ওভার বল করে শাওন ২৭ রানের খরচায় তিনটি করে উইকেট নেন। এছাড়া আরিফুল দুটি ও অধিনায়ক মিরাজ নেন একটি করে উইকেট।  

এর আগে টস হেরে ব্যাট হাতে নেমে মাত্র ১৭ রানে দুই উইকেট হারিয়ে শুরুতে চাপে ছিল বাংলাদেশ। রানের খাতা খোলার আগেই পিনাক ঘোষ ফিরে যান সাজঘরে। স্বল্প সময়ের মধ্যেই জয়রাজ (১৩) শেখও তাকে অনুসরণ করেন। এরপর সাইফ হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটে সেই চাপ কাটায় বাংলাদেশ। যদিও দলীয় ১১৮ রানে হাফসেঞ্চুরি থেকে এক রান পেছনে থাকতেই আউট হয়ে যান সাইফ।

সাইফ হাফসেঞ্চুরি করতে না পারলেও শান্ত সেঞ্চুরি করে অপরাজিত থাকেন। ১১৭ বল থেকে ১০টি চারের মারে তিনি করেন ১১৩* রান। এছাড়া মিরাজ ৪৮ বল থেকে চারটি চারের মারে করেন ৫১ রান। শেষ দিকে ছোট একটা ঝড় তোলেন সাঈদ সরকার। ছয় বলে এক চার ও এক ছক্কার মারে তিনি করেন ১৬ রান। স্কটিশ বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ গাফফার ৬০ রানের বিনিময়ে চারটি উইকেট তুলে নেন। 

এদিকে বোলিং অ্যাকশন সন্দেহজনক হওয়ায় দলে জায়গা পাননি ডানহাতি অফস্পিনার সঞ্জিত সাহা। তার পরিবর্তে একাদশে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন আরিফুল ইসলাম। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বাংলাদেশ এবারের যুব বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করেছিল। এই ম্যাচে জয় পেলে কোয়ার্টার ফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে যাবে যুব টাইগাররা।

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে