Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০১-২৮-২০১৬

২০৬১ সালে দেখা যাবে হ্যালির ধূমকেতু

আবদুল গাফফার রনি


২০৬১ সালে দেখা যাবে হ্যালির ধূমকেতু

ধূমকেতু মহাকাশের এক আজব বস্তু। মাঝে মাঝেই আকাশে ধূমকেতুর উদয় হয়। কিছুদিন পর আবার তা হারিয়ে যায়। দেখতে অনেকটা ঝাড়ুর মতো। কোনো কোনো ধূমকেতুর আবার লেজ আছে। এগুলো খুবই উজ্জল। দেখলে মনে হয় যেন আলোর তৈরি কোনো ঝাড়ু। আসলে ধুলো, বরফ ও গ্যাস দিয়ে তৈরি একধরনের উজ্জল বস্ত।

ধূমকেতুর চলার পথ গোলাকার নয়। বেশ লম্বাটে। তাই প্রতিবছর একই ধূমকেতু দেখা যায় না। তবে একটা ধূমকেতু নির্দিষ্ট সময় পর পর ফিরে আসে। ধূমকেতু যখন সূর্যের খুব কাছ দিয়ে যায়, তখন আমরা একে দেখতে পাই। ধূমকেতুর মাথার গোল অংশটাকে বলে নিউক্লিয়াস। সব ধূমকেতুর আকার একরকম নয়। কিছু ধূমকেতুর প্রস্থ মাত্র কয়েক’শ মিটার মাত্র। কিছু ধূমকেতর প্রস্থ আবার ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়। এদের লেজের দৈর্ঘ্য কয়েক’শ কোটি কিলিমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

ধূমকেতু উল্কা বা গ্রহাণু থেকে আলাদা। কারণ এদের দেহ ও লেজের স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। কিছু ধূমকেতু সূর্যের খুব কাছ দিয়ে বারবার আসা-যাওয়া করে। সূর্যের তাপের প্রভাবে এদের বরফ ও ধূলাবালি ক্ষয় হয়। ফলে লেজ হারিয়ে গ্রহাণুর মতো বস্তুতে পরিণত হয়।

এ পর্যন্ত মোট ৫৩৮৪ টি ধূমকেতু পর্যবেক্ষণ করা গেছে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন একশ কোটিরও বেশি ধূমকেতু রয়েছে আমাদের সৌরজগতে।

হ্যালির ধুমকেতু সবচেয়ে বিখ্যাত। ইংরেজ বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি এই ধুমকেতুটি সর্বপ্রথম আবিস্কার করেন। হ্যালি হিসেব করে দেখান প্রায় ৭৬ বছর পর পর ধূমকেতুটি পৃথিবীর আকাশে দেখা যায়। পরে প্রমাণ হয় হ্যালির অনুমান ঠিক। তাই হ্যালির নামানুসারে একে ডাকা হয় হ্যালির ধুমকেতু বলে।
ধুমকেতুটিকে সর্বশেষ দেখা গেছে ১৯৮৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি। আবার ২০৬১ সালের ২৮ জুলাই একে পৃথিবীর আকাশে দেখা যাবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে