Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০১-২৭-২০১৬

এবার ৩০ লাখ শহীদের নাম প্রকাশের দাবি গয়েশ্বরের

এবার ৩০ লাখ শহীদের নাম প্রকাশের দাবি গয়েশ্বরের

ঢাকা, ২৭ জানুয়ারী- এবার মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের নাম প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। আজ বুধবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক দোয়া মাহফিলে তিনি এই দাবি জানান।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর বিএনপি ওই মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।
গত ২১ ডিসেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। তাঁর এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সমন জারি করা হয়েছে। এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বরও গয়েশ্বর মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার প্রসঙ্গ টেনে গয়েশ্বর বলেন, ‘কথায় কথায় রাষ্ট্রদ্রোহিতা। সত্য কথায় রাষ্ট্রদ্রোহিতা, আর মিথ্যা কথা বললে দেশপ্রেম—এই নীতিতে বিশ্বাস করি না। সত্য যত নির্মম হোক, সত্য সত্যই। ইতিহাস সঠিকভাবে লিখতে হয়। কে কত লাখ বলল এটা বড় কথা নয়। গুনে গুনে ৩০ লাখ শহীদের নাম পত্রিকায় প্রকাশ করুন। তারপর খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যত পারেন, মামলা করেন।’

মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের প্রতি ইঙ্গিত করে গয়েশ্বর বলেন, ‘তাঁরা ৩০ লাখ হোক, বা ৬০ লাখ হোক, তাঁদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব আছে। তাঁদের তালিকা কি কারণে থাকবে না। শহীদদের নাম উল্লেখ করে এলাকায় এলাকায় স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করতে হবে। সে কারণে শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, তাঁদের ভালো-মন্দ দেখা দায়িত্ব রাষ্ট্রের। এ জন্য সরকারকে বলব, মামলা-টামলা যা দেন লাভ হবে না।’

শহীদের সংখ্যা নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের পর গত ২৫ ডিসেম্বর গয়েশ্বর বলেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীরা নির্বোধের মতো মারা গেছেন। সেদিন তিনি শহীদের সংখ্যা নিয়ে জরিপ করারও দাবি জানিয়েছিলেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘নেত্রী (খালেদা জিয়া) যখন একটা কথা বললেন, আমরা তখন সবাই মুখে তালা মারলাম। তাঁর সমর্থনে কেউ কোনো কথা বললাম না। অন্যদিকে ভালো হোক মন্দ হোক, শিয়ালের মতো সবাই এক সুরে বলল। নেত্রীর কথা সমর্থন করলে মামলা হবে, এই ভয়ে যখন আমরা তাঁর সমর্থন করি না, তখন বিবেচনা করতে হবে বিএনপির রাজনীতি করার যোগ্যতা আমাদের আছে কি না।’

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আমরা যত চুপ করে থাকি না কেন, মামলা আমাদের ছাড়বে না। সহকর্মীদের গুমের মিছিল অনেক বড় হয়ে গেছে। শহীদের রক্তের ঋণ পরিশোধ করতে হবে। নিখোঁজ গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে। নিজের ভালো থাকার জন্য কৌশল অবলম্বন না করে বুক টান করে রাজপথে হাঁটুন।’
দোয়া অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির আবদুল মঈন খান, দলের কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুল হক, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন, আবদুস সালাম আজাদ, আবদুল লতিফ, তাইফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে