Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 4.5/5 (2 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০১-২৭-২০১৬

অন্যায়কারীদের কোনো ছাড় নয়: প্রধানমন্ত্রী

অন্যায়কারীদের কোনো ছাড় নয়: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ২৭ জানুয়ারী- ‘অন্যায়কারীরা যত প্রভাবশালী হোক না কেন তাদেরকে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না।’ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পুলিশ বাহিনীর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কখনও অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবেন না। অন্যায়কারীরা যত প্রভাবশালী হোক না কেন তাদেরকে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। অন্যায়কারী যদি আমার দলেরও হয় তবে আমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করবেন।

শেখ হাসিনা বলেন, পুলিশকে মানুষের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। মানুষ যাতে আপনাদের কাছে এসে ন্যায়বিচার পায় সেই বিশ্বাস সৃষ্টি করতে হবে। আপনাদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ছাড়াও বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের হরতাল-অবরোধের নামে নৃশংসতা মোকাবেলা, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থীদের দমনে পুলিশ বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলাসহ গুরুত্বপূর্ণ বোমা হামলা মামলার তদন্তেও পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন আপনারা। আপনাদের ভূমিকায় জুয়া-চোরাচালান, নারী ও শিশু চালান আমরা বন্ধ করতে পেরেছি। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি।

পুলিশ বাহিনীর কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোথায় কি করতে হবে, সেটা আমরা জানি। তাই সরকারের কাছে কোনো দাবি করতে হয় না। দাবি ওঠার আগেই তা পূরণ করি। পুলিশের বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছি। ঝুঁকিভাতার প্রচলন করেছি। কল্যাণ ফান্ড গঠন করেছি। রেশন বাড়িয়েছি। নতুন নতুন থানা ও ব্যারাক নির্মাণ করেছি। রাজারবাগে ১০তলা বিল্ডিং করেছি। পুলিশের জন্য প্রয়োজনীয় যানবাহন সংগ্রহ করেছি। আমাদের কার্যকর পদক্ষেপের ফলে অনেক দূর এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ পুলিশ।

তিনি বলেন, পুলিশের উন্নয়নে গত ৭ বছরে আমাদের সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে পুলিশের জনবল আজ দেড় লক্ষাধিক। আমরা জনবল আরও বৃদ্ধি করব। সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ দমনে বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।  

শেখ হাসিনা বলেন, দেশ ও জনগণের প্রতি গভীর মমত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের সহিংসতা ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ২৬ জন বীর সদস্য জীবন দিয়েছেন। যার মধ্যে ২১ জন পুলিশ সদস্য। আমি পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শহীদ সদস্যদের বিদেহি আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিধান, সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ এবং নিরাপত্তার সুদৃঢ় ভিত্তি নির্মাণ করে পুলিশ বাহিনী দেশের উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেও প্রত্যাশা করেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে