Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০১-২৭-২০১৬

‘পোশাক শিল্পকে বিতর্কিত করতেই নানা গবেষণা প্রতিবেদন’

‘পোশাক শিল্পকে বিতর্কিত করতেই নানা গবেষণা প্রতিবেদন’

ঢাকা, ২৭ জানুয়ারি- দেশের পোশাক শিল্পকে বিতর্কিত করতেই দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এমন দাবি করলেও বিষয়টিকে খুব একটা আমলে নিচ্ছে না তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকরা। তবে সমালোচনা এড়াতে এসব প্রতিবেদনের ফলাফলকে অস্বীকার না করে সে অনুযায়ী কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।

তবে এ ধরনের প্রতিবেদন বিশ্ববাজারে তেমন কোন নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বলে মনে করছে উত্তর আমেরিকার ক্রেতাদের জোট অ্যালায়েন্স। বুধবার সময় টিভি'র এক প্রতিবেদনে ওঠে আসে এসব তথ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত দুই বছর বিভিন্ন পর্যায়ে সংস্কারের ফলে যখন কমপ্ল্যায়ান্স ইস্যুতে মুখ ফিরিয়ে নেয়া ক্রেতাদের আস্থা ফিরছে তখন নতুন করে দেশের পোশাক শিল্পের সমালোচনায় ব্যস্ত দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি বাংলাদেশের পোশাক শিল্প নিয়ে নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় ও ট্রান্সপ্যারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল অব বাংলাদেশ- টিআইবির প্রতিবেদন প্রকাশের পর এমনটাই বলছেন শিল্প মালিকরা।

বিজিএমইএ-এর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘শ্রমিক থেকে শুরু করে বায়ার এমনকি বিদেশি যারা ইনসপেকশন করে সবাইকে নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে। আমি বলব টিআইবি এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করেছে।’

এছাড়া এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘কোয়ালিটি গুডস, অন টাইম ডেলিভারি অবশ্যই এই প্রোপাগান্ডাকে অথবা নেতিবাচক প্রচারণাকে আমি মনে করি ঢেকে দিবে।’ তবে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে কোনো গবেষণা প্রতিবেদনের ফলাফলকে সরাসরি উড়িয়ে না দিয়ে গ্রহণযোগ্য উপায়ে তা মোকাবেলা করার পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের।

সিপিডি'র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘এখনও যে চ্যালেঞ্জগুলো আছে সেগুলো কেউ চিহ্নিত করে দিলে তা ইতিবাচকভাবে নিতে হবে। একইসঙ্গে কোথায় কোথায় দুর্বলতা আছে সেগুলোকে কাটিয়ে ওঠে আমাদেরকে প্রতিযোগিতার সক্ষমতায় টিকে থাকতে হবে।'

এদিকে, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কর্ম পরিবেশ উন্নয়ন অগ্রগতিতে সন্তুষ্ট অ্যালায়েন্স বলছে এসব প্রতিবেদনের কোন গ্রহণযোগ্যতা নেই ইউরোপ-আমেরিকার ক্রেতাদের কাছে। অ্যালায়েন্স-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর এম রবিন বলেন, ‘দেড় থেকে দুই হাজার কারখানা দুইশ'টি ব্র্যান্ডের কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ করছে। তারা স্বচ্ছ ধারণা পোষণ করেন। অতএব কোন প্রতিবেদনে কোথাও কেউ কি উল্লেখ করেছেন তা এটাকে প্রভাবিত করবে বলে আমার মনে হয় না।’

উৎপাদন পর্যায়ে শ্রমিকদের দক্ষতা আর বাজার ধরতে উদ্যোক্তাদের দূরদর্শী সিদ্ধান্ত সব মিলিয়ে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পৌঁছবে দেশের তৈরি পোশাক খাত, এমনটাই মনে করেন এই শিল্প সংশ্লিষ্টরা।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে