Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 1.7/5 (7 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০১-২৫-২০১৬

অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে মঞ্চ করুন: মুখ্যমন্ত্রী

অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে মঞ্চ করুন: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ২৫ জানুয়ারি- অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মঞ্চ গড়ে তুলুন। রাজ্যের লেখক, শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীদের কাছে এই আহ্বান রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। রবিবার সন্ধ্যায় আগরতলা প্রেস ক্লাবে ভাষা প্রকাশনার নতুন ১০টি বইয়ের আবরণ উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশে যে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী চিন্তা–চেতনা হাত ধরাধরি করে চলছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথ হিসাবে আপনাদের দায়িত্ব নিতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে প্রশ্ন উঠবে, আমাদের পূর্বসূরিরা কী রেখে গেলেন? ছোট হলেও মানবিকতা এবং সংস্কৃতিচর্চায় আমাদের রাজ্যটি শক্তিশালী। ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকলেও আমরা সবাই একসঙ্গে মিলেিমশে চলার চেষ্টা করি। এই ধারা অব্যাহত না রাখলে যেভাবে অসহিষ্ণুতার বিষবাষ্প ধেয়ে আসছে তাকে রক্ষা করা সম্ভব হবে না। তাই এখান থেকেই প্রতিবাদে মুখরিত হতে হবে।

নব্য লেখকদেরও এই ভাবনাচিন্তায় জারিত হয়ে লেখালেখির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করার জন্য আহ্বন রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বাধীন মত প্রকাশের ওপর যেভাবে আক্রমণ হচ্ছে, তাতে সমাজ দুর্বল হচ্ছে। ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে। এতে সভ্যতার সঙ্কট বাড়বে বই কমবে না। তাই এই পরিস্থিতিতে সামাজিক দায়িত্ব হিসাবে লেখক, বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক সকলে মিলে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজক করণ জোহর এবং দলিত ছাত্রটির বিষয় টেনে আনেন। তাঁর প্রশ্ন, এটা কী হচ্ছে? যাঁরা মুখে ভাল কথা বলে বেড়ান, তাঁদের চিন্তাভাবনা স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী তা বিভিন্ন ঘটনা থেকেই পরিষ্কার। কবি, সাহিত্যিকরাই পারেন এর বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করতে। একই সঙ্গে ভাষা–র এই ধারা অব্যাহত রাখার জন্য তিনি তার কর্মকর্তাদের কাছে আহ্বান জানান।

এদিন ভাষা–র নতুন দশটি বইয়ের আবরণ উন্মোচিত হয়। এর মধ্যে দুটি বই মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে উন্মোচিত হল। বইগুলো হল চিত্রসাংবাদিক রবীন সেনগুপ্তের লেখা ‘পুরাতনী’ (ত্রিপুরার রাজন্য যুগের স্মৃতিকথা) এবং শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ‘মনে পড়ে’ (স্মৃতিকথা)। বইগুলো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এগুলো ইতিহাসকে জানতে ভাল দলিল হতে পারে। এ ছাড়া আশিস ভট্টাচার্যের লেখা কবিতার বই ‘উপেক্ষিত আকাশের আলো’, অরিত্র দে–র লেখা কবিতার বই ‘ছুটি নাও চেনা অন্ধকার’, অজয় বৈদ্যের লেখা গল্প সঙ্কলন ‘করিম মিঞার মাঠ’ বইগুলোর আবরণ উন্মোচন করেন কবি কল্যাণব্রত চক্রবর্তী।

বিশিষ্ট লেখিকা মৈত্রী রায় মৌলিক উন্মোচন করেন কবি‍ বিমলেন্দ্র চক্রবর্তীর ‘এক যে ছিল’, কবি প্রত্যুষ দেবের ‘আমাদের খুড়ির জীবন’ এবং কবি লক্ষ্মণ বণিকের লেখা ‘বৈশ্যবালক’ বইগুলো। কবি শুভেল চৌধুরি উন্মোচন করেন যতীন্দ্রকুমার ভট্টাচার্যের লেখা ‘একদা নন্দন বনে’ এবং ড. চন্দন সাহার লেখা ‘সাদা–কালো স্বপ্ন’ বই দুটোর। ভাষা–র পক্ষ থেকে আগরতলা প্রেস ক্লাবের সম্পাদকের হাতে কিছু বই তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ পেশ করেন প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক বিমলেন্দ্র চক্রবর্তী।

ত্রিপুরা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে