Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 4.5/5 (2 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০১-২৩-২০১৬

কফি দারুণ উপকারী যদি খান সময়মতো

কফি দারুণ উপকারী যদি খান সময়মতো

আপনার সকালটা কি কফি দিয়ে শুরু হয়? তাহলে সম্ভবত আপনি ভুল উপায়ে কফি খেয়ে চলেছেন। বিশেষজ্ঞরা জানান, এমনকি কফি খাওয়ারও একটা সময় আছে। এর আগে কফি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্যে মারাত্মক ক্ষতিকর।

সাধারণত সকাল ১০টার দিকে আমাদের দেহ প্রচুর পরিমাণে কর্টিসল হরমোন নিঃসৃত হয়। এটা দেহকে কাজ-কর্মের জন্যে প্রস্তুত ও সাবধান করে তোলে। তখন সবাই অফিসে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করেন। কিন্তু তার আগেই যদি ক্যাফেইন খেয়ে ফেলেন তবেই বিপদ। ক্যাফেইন দেহে কর্টিসল উৎপাদনে বাধা প্রদান করে। এতে দেহের সহজাত কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয়। অথচ সঠিক সময়ে সঠিক উপায়ে কফি পান করে আপনি উপকৃত হতে পারেন।

এর জন্যে কফি খাওয়ার রুটিনটা জানা উচিত। এখানে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

১. সকাল ১০টার আগে কোনো কফি খাবেন না। ২৪ ঘণ্টার হরমোন নিঃসরণ চক্রের ওপর নির্ভর করে দেহের যাবতীয় কাজ। একে বলে সার্কাডিয়ান ক্লক। আমাদের সজাগ রাখে কর্টিসল হরমোন। তাই কেউ সজাগ হতে ক্যাফেইন খেলে বিপরীত প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কারণ ক্যাফেইন কর্টিসলকে কাজ করতে বাধা দেয়। দিনে তিন সময় কর্টিসল তুঙ্গে থাকে। সকাল ৮টা-৯টা পর্যন্ত, দুপুর ১২টা-১টা পর্যন্ত এবং বিকাল ৫টা-৬টা পর্যন্ত।

২. কি পরিমাণ ক্যাফেইন খাচ্ছে তা জানতে হবে। অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যে দিনে ৪০০ মিলিগ্রামের বেশি ক্যাফেইন গ্রহণ করা উচিত নয়। এর বেশি খেলে ক্লান্তি, অবসাদ, অস্বস্তি, খাবারে অরুচি এবং ঘুমের অভাব ঘটতে পারে। এ ছাড়া অতিরিক্ত কফি খেলে নারীদের ওজন বৃদ্ধিসহ পুরুষের যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যেতে পারে। কফির পরিমাণ বোঝা বেশ কঠিন বিষয়। বাড়িতে সাধারণত আউন্সের মগ এবং বাইরে ১৬ আউন্সের স্ট্যান্ডার্ড মগ পাওয়া যায়।

৩. বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়, প্রতিদিন ২০০ মিলিগ্রাম কফি খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। তবে এর জন্যে সকাল ১০টার কফি খেতে হবে।

৪. মানুষ ঘুম ঘুম ভাব থেকে বাঁচতে কফি পান করেন। কিন্তু যদি নিমিষেই দারুণ শক্তি চান, তবে একটু ঝিমিয়ে নিতে পারেন। কফি পানের পর তা চাঙ্গাভাব আনতে ২০-৩০ মিনিট সময় নেয়। এ সময় যদি একটু ঝিমিয়ে নেন, তবে দেখবেন আপনি দারুণ প্রাণবন্ত অনুভব করছেন। পরীক্ষায় প্রমাণ মিলেছে যে, শুধুমাত্র ঘুম বা কফির চেয়ে দুটোর যোগ দ্বিগুণ ফলাফল দেয়।

৫. কফি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি সৃষ্টিশীল কাজের ইতিবাচক অনুঘটক হিসাবে কাজ করে ক্যাফেইন। আবার গবেষকরা দেখেছেন, মোটামুটি ব্যস্ত ও কোলাহলপূর্ণ  কফি শপে বসে দারুণ সৃষ্টিশীল কাজ করা যায়। কিন্তু নিশ্চুপ শপে পাজল মেলানোও কঠিন মনে হয়।

৬. দেহের চর্বিকে শক্তি উৎপাদনের জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করতে সহায়তা করে ক্যাফেইন। কাজেই পরিশ্রমের কাজ বা অ্যাথলেটদের কফি দারুণ উপকার দিতে পারে। কফি খাওয়া পর কয়েক ঘণ্টা এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। ব্যায়াম বা খেলার আগে কফি পান করলে উদ্দীপনা কাজ করতে থাকে।

৭. সত্যিকার অর্থেই কফির কিছু স্বাস্থ্যকর গুণ রয়েছে। কিন্তু ভুল উপায়ে খাওয়া হলে সুবিধাবঞ্চিত হতে হবে। মৃত্যু ঝুঁকি হ্রাস পায়। হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, আত্মহত্যা প্রবণতা এবং নিউরোলজিক্যাল বহু রোগের সম্ভাবনা কমে আসে কফিতে। সূত্র : হাফিংটন পোস্ট

সচেতনতা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে