Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০১-২১-২০১৬

সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ঘুরছে দপ্তরে দপ্তরে

সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ঘুরছে দপ্তরে দপ্তরে

ময়মনসিংহ, ২০ জানুয়ারি- ময়মনসিংহের ফুলপুর পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হেরে যাওয়ায় স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা সুব্রত পালের ওপর চড়াও হয়েছিলেন ময়মনসিংহ-২ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ শরীফ আহমেদ। এ বিষয়ে সুব্রত পাল নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অভিযোগ করে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না। 

ওই সময়ে সুব্রত পাল এ বিষয়ে কমিশনে লিখিত অভিযোগ করলে কমিশন নিজস্ব সচিবালয়ের উপসচিব রকিব উদ্দিন মণ্ডলকে দিয়ে তদন্ত করায়। তদন্তে কোনো কিছু না পাওয়ায় কমিশন এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এরপর সুব্রত পাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অভিযোগ করেন। তারাও কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে বিষয়টি পুনরায় কমিশনে পাঠিয়ে দেয়। এখন কমিশন নিজেরা কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারের দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ বলেন, কমিশন তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পায়নি। যে কারণে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। এখন যেহেতু মন্ত্রিপরিষদ থেকে চিঠি এসেছে তাই বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারের কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। 

নির্বাচনের সময়ে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে রিটার্নিং কর্মকর্তা সুব্রত পাল আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী শশধর সেনকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে কমিশন স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে নেয়। 

কমিশন সচিবালয়ের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৩০ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণের আগেই সাংসদ শরীফ আহমেদ একাধিকবার রিটার্নিং কর্মকর্তাকে হুমকি দিয়েছেন। এরপর ভোটের দিন ফলাফল ঘোষণার সময় ইউএনওর বাসার সামনে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় সাংসদ ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণার জন্য ইউএনওর ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। কিন্তু ইউএনও তাঁর প্রস্তাবে রাজি হননি। পরে এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা কমিশনে আবেদন করেন। 

এ বিষয়ে জানতে সাংসদ শরীফ আহমেদের মোবাইল ফোন করে তাঁকে পাওয়া যায়নি। কমিশনের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানতে চাইলে সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এ ধরনের অভিযোগ তদন্ত করতে গেলে সাক্ষী প্রমাণ পাওয়া যায় না। কারণ স্থানীয়রা সাংসদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় না। তবে কমিশন এখন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা যথাযথ। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর বিষয়টি নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসতে পারে। ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ওই পৌর নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী আমিনুল হক বিজয়ী হন।

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে