Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 4.5/5 (2 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০১-০৮-২০১৬

এবার তারেকের অবৈধ সম্পদের সন্ধানে দুদক

এবার তারেকের অবৈধ সম্পদের সন্ধানে দুদক

ঢাকা, ০৮ জানুয়ারি- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার অভিযোগে করা মামলার পর এবার তার যাবতীয় সম্পদ ও আয়ের উৎস অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ জন্য দুদকের উপ-পরিচালক মো. হারুনুর রশিদকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে কমিশন।

দুদক সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। সূত্রটি জানায়, কমিশনের বৈঠকে গত বুধবার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে উপ-পরিচালক মো. হারুনুর রশিদ বৃহস্পতিবার রাতে জানায়, আমার কাছে এ পর্যন্ত এরকম লিখিত কোনো কিছু আসেনি। তাই এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারছি না। তবে আগামী সপ্তাহে আসতে পারে।’

দুদকে আসা অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘বর্তমানে জ্ঞাত কোনো আয় না থাকলেও বিদেশে তারেক রহমান বিলাসবহুল জীবন যাপন করছেন। বিভিন্ন জনের নামে তিনি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করছেন। একইসঙ্গে, বিএনপির নেতৃত্বাধীন দুটি সরকার আমলে তারেক রহমান অবৈধভাবে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হন। গড়ে তোলেন রহমান নেভিগেশন, ড্যান্ডি ডাইং, রহমান গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজসহ বেশকিছু ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। এছাড়া তিনি নামে-বেনামে বিপুল সম্পদ অর্জন করেন। এ ক্ষেত্রে তিনি ব্যবহার করেন বিভিন্ন জনের নামে প্রতিষ্ঠিত শিল্প ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান।’

দুদক সূত্র জানায়, এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাই শেষে তা যথাযথ বলে মনে হওয়ায় অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। অনুসন্ধানে তারেকের স্থাবর-অস্থাবরসহ সব সম্পদ ও অর্থের সন্ধান করা হবে। একইসঙ্গে দেশে ও বিদেশে তারেক রহমানের বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকে কিছু সন্দেহভাজন অ্যাকাউন্টধারীর তথ্যও নেবে দুদক। এগুলোর তথ্য চেয়ে শিগগিরই চিঠি দেবে দুদক। লন্ডনে থাকা তারেক রহমানকে নিয়ে অনুসন্ধানের প্রয়োজনে দুদক সেখানকার বাংলাদেশি দূতাবাসের সহায়তা নেবে।

দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেন, ‘আমি এ ব্যাপারে কিছু জানি না, আর বলতেও পারবো না। এ ব্যাপারে আপনি অনুসন্ধান বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনারের কাছ থেকে জানতে পারবেন।’

পরে দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. নাসির উদ্দীন ও দুদক চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামানের সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
 
প্রসঙ্গত, এর আগে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা অর্থ পাচার মামলার বিচারে আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেয়। তবে একই মামলার আসামি তারেক রহমানের ব্যবসায়ী বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে ৭ বছর কারাদণ্ড এবং ৪০ কোটি টাকা জরিমানা করে। যদিও আদালতের এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে দুদক। এদিকে, রায়ের পর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) মোতাহার হোসেনের বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। যার অনুসন্ধান করছেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. হারুনুর রশিদ।এছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চেরিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাও ছিলেন উপ-পরিচালক মো. হারুনুর রশিদ।

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে