Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 4.5/5 (2 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০১-০৭-২০১৬

ফেলানী হত্যার ৫ বছর, ন্যায় বিচার পায়নি পরিবার

ফেলানী হত্যার ৫ বছর, ন্যায় বিচার পায়নি পরিবার

ঢাকা, ০৭ জানুয়ারি- কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের হাতে নির্মম হত্যার শিকার বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানী হত্যার পাঁচ বছর পূর্ণ হলো আজ। কিন্তু এখনো এই হত্যার ন্যায়বিচার পায়নি তার পরিবার। ভারতের কোচবিহারে বিএসএফের বিশেষ আদালতে পরপর দুইবার ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম সাক্ষ্য দিয়ে এলেও অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয় আদালত। পরে ন্যায়বিচারের আশায় ভারতের মানবাধিকার সংগঠন মাসুমের (মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ) সহায়তায় দেশটির সুপ্রিম কোর্টে রিট আবেদন দাখিল করেন ফেলানীর বাবা। সেখানে এখনো ঝুলে আছে বিচারকাজ।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে নিহত হয় বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানী। কাঁটাতারের বেড়ায় দীর্ঘ ৪ ঘণ্টা লাশ ঝুলে থাকার ছবি দেশী-বিদেশী গণমাধ্যমে প্রচার হলে সমালোচনার ঝড় উঠে। নড়ে-চড়ে বসে ভারত-বাংলাদেশসহ বিশ্বের মানবাধিকার সংগঠনগুলো। ফেলানী হত্যার আড়াই বছর পর ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট ভারতের কোচবিহারে বিশেষ আদালতে বিচারকাজ শুরু করে বিএসএফ। শুনানি শেষে ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয় বিএসএফের আদালত। আবারো সমালোচনার ঝড় উঠলে ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পুনঃবিচার শুরু করে একই আদালত। ২০১৪ সালের ২ জুলাই অমিয় ঘোষের বেকসুর খালাসের রায় বহাল রাখে আদালত।

ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম জানান, বিএসএফের বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যার ন্যায়বিচার না পেয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে মাসুমের সহযোগিতায় রিট আবেদন করেছি। সর্বোচ্চ আদালতে ফেলানী হত্যার ন্যায়বিচার পাওয়ার অপেক্ষায় আছি। ফেলানীর মা জাহানারা বেগম জানান, আমার মেয়েকে কাঁটাতারের বেড়ায় নির্মমভাবে হত্যা করেছে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ। আমি ভারতের উচ্চ আদালতে তার ফাঁসি চাই।

ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলামের আইন সহায়তাকারী ও কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন জানান, ফেলানী হত্যার পাঁচ বছর হয়ে গেছে। ন্যায়বিচার না পেয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে রিট আবেদন করেছেন ফেলানীর বাবা। গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টে ফেলানী হত্যা মামলার শুনানির তারিখ থাকলেও বেঞ্চ পুনঃগঠনের কারণে আবারো পিছিয়ে গেছে বিচারিক কার্যক্রম। বিলম্ব হলেও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করছি। আলোচিত ফেলানী হত্যার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলে বন্ধ হবে সীমান্ত হত্যা এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে